ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

তীব্র গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১২ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশজুড়ে চলছে তীব্র গরম। খরতাপে জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসেও নেই স্বস্তির খবর। এই অবস্থায় সুস্থ থাকা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কারা বেশি ঝুঁকিতে

চিকিৎসকদের মতে, শিশু, বয়স্ক, অতিরিক্ত ওজনের মানুষ এবং দীর্ঘদিনের রোগে ভোগা ব্যক্তিরা গরমে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। তাপমাত্রা বেড়ে গেলে শরীরের হৃদপিণ্ড ও শ্বাসপ্রশ্বাসের ওপর চাপ বাড়ে। যা গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারে।

ঘর ঠান্ডা রাখার সহজ উপায়

গরম কমাতে দিনের বেলায় জানালা ও পর্দা বন্ধ রাখা ভালো। সন্ধ্যার পর জানালা খুলে বাতাস চলাচলের সুযোগ দিতে হবে। ঘরে বাতাস চলাচল ঠিক থাকলে তাপ কমে। পাখা ব্যবহারেও কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।

পানিশূন্যতা রোধ জরুরি

গরমে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে পানি বের হয়ে যায়। তাই বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি দুধ, চা বা অন্যান্য পানীয় গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে মদ্যপান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন

খাবারে থাকতে হবে সতর্কতা

এই সময়ে হালকা ও তাজা খাবার খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। তরমুজ, শশা, লাউয়ের মতো পানি সমৃদ্ধ খাবার শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। নিয়ম মেনে খাওয়া ও ঘুমানোও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

পোশাকে আরাম বেছে নিন

গরমে ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের কাপড় পরলে স্বস্তি পাওয়া যায়। সুতি কাপড় শরীরের ঘাম শোষণ করে এবং বাতাস চলাচল সহজ করে।

রোদ এড়িয়ে চলুন

সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত রোদ সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময় বাইরে না যাওয়াই ভালো। প্রয়োজন হলে ছাতা ব্যবহার করতে হবে এবং ছায়ায় থাকার চেষ্টা করতে হবে।

ঘুমের জন্য ঠান্ডা পরিবেশ

গরমে ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে শোবার ঘর ঠান্ডা রাখা জরুরি। দিনের বেলায় রোদ ঢোকা বন্ধ রাখতে পর্দা ব্যবহার করতে হবে।

তাই তীব্র গরমে একটু সচেতন হলেই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব। ছোট ছোট অভ্যাস বদলেই মিলতে পারে স্বস্তির জীবন।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
উপায়ে চাকরির সুযোগ, নেই বয়সসীমা 
ওষুধ নয়, প্রাকৃতিক ভাবেই বাড়ান পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা
বর্ষার জ্বর-সর্দিতে আরাম দেবে ঘরোয়া ৩ পানীয়
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে খাবেন যে ৪ ডাল