মনের ভেতর জমে থাকা চাপ, দুশ্চিন্তা আর ক্লান্তি সবকিছু কি কখনও মনে হয় আর সহ্য হচ্ছে না? ঠিক এমন সময়েই আসে এক ভিন্নধর্মী দিনের কথা। আজ সেই দিন, মন খুলে চিৎকার করার দিন।
ব্যস্ত জীবনে আমরা প্রায়ই নিজের অনুভূতি চেপে রাখি। সময় নেই, সুযোগ নেই—এই অজুহাতে জমে যায় ভেতরের অজস্র চাপ। কিন্তু সবসময় বিশ্রাম নেওয়া বা ভালো খাবার খাওয়াই একমাত্র সমাধান নয়। অনেক সময় প্রয়োজন হয় শুধু নিজের ভেতরের চাপটা বাইরে বের করে দেওয়ার—একটা জোরে চিৎকারে।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, জোরে চিৎকার করলে অনেক সময় মনের ভেতরের চাপ কিছুটা কমে। যখন কেউ নিজের দুঃখ, রাগ বা হতাশা প্রকাশ করে, তখন মস্তিষ্ক কিছুটা হালকা অনুভব করে। এতে সাময়িক হলেও পাওয়া যায় স্বস্তি।
এই দিনটি মূলত তাদের জন্য, যারা দীর্ঘদিন ধরে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারছেন না। এটি মনে করিয়ে দেয়, নিজেকে চেপে রাখা নয়। বরং নিজের আবেগ প্রকাশ করাও জরুরি। আপনি চাইলে নির্জন জায়গায়, বাথরুমে, গাড়ির ভেতর বা বালিশে মুখ গুঁজে চিৎকার করতে পারেন নিজের মতো করে।
এই ধারণা নতুন নয়। বহু আগে থেকেই শব্দ বা চিৎকারের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানোর কথা বলা হয়েছে। এমনকি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতেও এর উল্লেখ রয়েছে। পরে আধুনিক মনোবিজ্ঞানে এই পদ্ধতি আরও গুরুত্ব পায়, যেখানে চিৎকারের মাধ্যমে জমে থাকা আবেগ বের করে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
দিনটির মূল বার্তা একটাই—নিজেকে হালকা করুন, তবে নিরাপদভাবে। কারণ কখনও কখনও একটা চিৎকারই এনে দিতে পারে মনের অদ্ভুত স্বস্তি।
আরটিভি/জেএমএ




