ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

চাকরি শেষে একাকিত্ব কাটিয়ে অবসরেও থাকুন ব্যস্ত, থাকুন ভালো 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ০২:২৮ পিএম
চাকরি শেষে অবসর জীবন কিভাবে কাটাবেন । ছবি: সংগৃহীত

অবসরে গিয়েছেন, কিন্তু আনন্দে নেই মন? অনেকের ক্ষেত্রেই এমনটা দেখা যায়। দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে হঠাৎ কাজহীন হয়ে পড়লে অনেকেই একাকিত্ব, হতাশা ও পরিচয় সংকটে ভুগতে শুরু করেন। কেউ সংসারের খুঁটিনাটি বিষয়ে অতিরিক্ত মনোযোগ দেন, আবার কেউ পরিবারে অকারণ বিরোধেও জড়িয়ে পড়েন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অবসর জীবনকে উপভোগ্য করতে হলে নিজেকে সক্রিয় রাখার বিকল্প নেই।

অবসরের পর কেন বাড়ে মানসিক চাপ?

দীর্ঘদিন কর্মব্যস্ত থাকার পর হঠাৎ নিয়মিত কাজ বন্ধ হয়ে গেলে অনেকের মধ্যেই শূন্যতা তৈরি হয়। অফিস, সহকর্মী, দায়িত্ব ও ব্যস্ততা হারিয়ে অনেকেই নিজেকে অপ্রয়োজনীয় ভাবতে শুরু করেন। পাশাপাশি আয় কমে যাওয়া ও আর্থিক সীমাবদ্ধতাও উদ্বেগ বাড়ায়।

সুখে থাকতে যা করবেন

অবসরের পর নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নতুনদের পরামর্শ দিতে পারেন। চাইলে সমাজসেবামূলক কাজেও যুক্ত হতে পারেন। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়ানো, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে কাজ করা কিংবা এলাকার উন্নয়নমূলক উদ্যোগে অংশ নেওয়া হতে পারে ভালো বিকল্প।

পরিবারের ছোট সদস্যদের সময় দেওয়া, নাতি-নাতনিদের পড়ানো কিংবা তাদের সঙ্গে সময় কাটানোও একাকিত্ব দূর করতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন

ফিরে আসুক পুরোনো শখ

ব্যস্ততার কারণে যেসব শখ পূরণ করা হয়নি, অবসরই হতে পারে সেই স্বপ্ন পূরণের সময়। বই পড়া, ছবি আঁকা, বাগান করা, মাছ চাষ কিংবা নতুন কোনো দক্ষতা শেখার মাধ্যমে সময়কে আনন্দময় করা সম্ভব।

নতুন বন্ধু, নতুন আনন্দ

নিজের মতো অবসরপ্রাপ্ত মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন। একসঙ্গে হাঁটাহাঁটি, আড্ডা কিংবা ভ্রমণ মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে। এতে একাকিত্বও অনেকটাই কমে যায়।

স্বাস্থ্যই সবচেয়ে বড় সম্পদ

অবসরের পর নিয়মিত হাঁটা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ধূমপান ত্যাগ এবং সময়মতো ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলে নানা রোগের ঝুঁকিও কমে।

পরিবর্তনকে মেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবসরের পর পরিবারের সদস্যদের জীবনযাপনে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ না করে নিজের সময় ও আগ্রহের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। প্রত্যেকের স্বাধীনতাকে সম্মান করলে পারিবারিক সম্পর্কও ভালো থাকে।

অবসর মানেই জীবনের শেষ নয়, বরং নতুন এক অধ্যায়ের শুরু। সঠিক পরিকল্পনা ও ইতিবাচক মনোভাব থাকলে এই সময়টুকুও হতে পারে জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় পর্ব।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল
জানুয়ারি থেকে আমেরিকায় বাড়তি ভাতা, কারা পাবেন মাসে আরও ৭৫ ডলার
জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ১৪৭ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা
স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার পর আত্মহত্যা, শোকের ছায়া সান ফ্রান্সিসকো পুলিশ বিভাগে