ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার সঠিক সময়

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত

নতুন সম্পর্ক শুরু হলে সবকিছুই যেন স্বপ্নের মতো লাগে। প্রিয় মানুষটির প্রতিটি কথা ভালো লাগে। ছোট ভুলও মনে হয় মিষ্টি অভ্যাস। অনেকেই কয়েক মাসের মধ্যেই ভাবতে শুরু করেন, এই মানুষটিকেই হয়তো সারাজীবনের জন্য চাই। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানেই একটু থামা জরুরি।

গবেষণা বলছে, সম্পর্কের শুরুতে আমাদের মস্তিষ্কে কিছু রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে। যার কারণে আবেগ অনেক বেশি কাজ করে। এ সময় মানুষ সঙ্গীর খুঁতগুলো ঠিকভাবে বুঝতে পারেন না। তাই এই সময়টাকে বলা হয় হানিমুন পর্যায়। যা সাধারণত তিন মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এই সময়ের মধ্যেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ তখন আবেগ বেশি থাকে। কিন্তু বাস্তব চিন্তা কম কাজ করে। তাই অনেক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেন, বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার আগে অন্তত এক বছর সময় নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন

পরিসংখ্যানও একই কথা বলছে। বেশিরভাগ দম্পতি বিয়ের আগে দুই থেকে পাঁচ বছর সময় নেন। যারা খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন, তাদের তুলনায় যারা এক থেকে দুই বছর অপেক্ষা করেন, তাদের বিচ্ছেদের ঝুঁকি কমে যায়। আর তিন বছর বা তার বেশি সময় নিলে এই ঝুঁকি আরও কমে।

তবে শুধু সময়ই সব নয়। সম্পর্ক কতটা গভীর এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা কেমন, এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু বিষয় যাচাই করা জরুরি। যেমন—দুজন কি কখনো বড় কোনো সমস্যা একসঙ্গে সামলেছেন? ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে কি? কঠিন সময়ে সঙ্গীর আচরণ কেমন, তা কি জানা আছে?

এছাড়া বয়স ও জীবনের পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ। কম বয়সে সম্পর্ক হলে সিদ্ধান্ত নিতে সময় বেশি লাগা স্বাভাবিক। কারণ তখন ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ গড়ার সময় থাকে। আর একটু বেশি বয়সে সম্পর্ক শুরু হলে তুলনামূলক কম সময়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।

তাই বিয়ের জন্য সঠিক সময় কোনো নির্দিষ্ট দিন নয়। এটি তখনই আসে, যখন সম্পর্কটি পরিণত, স্থিতিশীল এবং দুজন মানুষই ভবিষ্যৎ নিয়ে একমত হন।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহ করে প্রেমিকার জন্য আংটি বানালেন যুবক