ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

পুরুষের ধূমপান ও নেশার অভ্যাসেই বাড়ে গর্ভপাতের ঝুঁকি!   

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সন্তান জন্মের পথে শুধু নারীর স্বাস্থ্য নয়, পুরুষের কিছু অভ্যাসও বড় প্রভাব ফেলতে পারে—এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে সাম্প্রতিক গবেষণা। বিশেষ করে ধূমপান ও গাঁজা সেবনের মতো অভ্যাস পুরুষের শুক্রাণুর গুণমান নষ্ট করে প্রজনন সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। এমনকি গর্ভপাতের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের নিয়মিত গাঁজা সেবন শুক্রাণুর মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এতে শুক্রাণুর গঠন, গতি ও স্বাভাবিকতা কমে যায়। এমনকি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলেও কিছু ক্ষেত্রে নারীর গর্ভধারণের প্রাথমিক পর্যায়ে গর্ভপাতের ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে বলে একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাঁজার সক্রিয় উপাদান শরীরের প্রজনন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে শুক্রাণুর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে করা গবেষণায় ধূমপানের সঙ্গেও পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্যের ক্ষতির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। ধূমপায়ীদের শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকে, গঠন অস্বাভাবিক হয় এবং চলাচলের ক্ষমতাও দুর্বল হয়ে পড়ে। একাধিক বড় গবেষণা বলছে, ধূমপান করা পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিকভাবে সন্তান ধারণের সম্ভাবনা কমে যায় এবং চিকিৎসা সহায়তায় গর্ভধারণের সাফল্যও কমে যায়।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, শুধু বর্তমানে অভ্যাস নয়, এমনকি মায়ের গর্ভে থাকাকালীন ধূমপানের সংস্পর্শেও ভবিষ্যতে সন্তানের প্রজনন ক্ষমতা প্রভাবিত হতে পারে। পাশাপাশি পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষেত্রেও নারীর গর্ভধারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার প্রমাণ মিলেছে।

তবে সব গবেষণার ফল এক রকম নয়। কিছু গবেষণায় আবার ভিন্ন ফলাফলও পাওয়া গেছে, যেখানে বলা হয়েছে সব ক্ষেত্রে একই ধরনের প্রভাব নাও থাকতে পারে। তাই বিজ্ঞানীরা বলছেন, এ বিষয়ে আরও গভীর ও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন।

তবুও বিশেষজ্ঞদের সাধারণ পরামর্শ একটাই—সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনায় থাকা দম্পতিদের জন্য সুস্থ জীবনযাপন, ধূমপান ও নেশাজাতীয় অভ্যাস থেকে দূরে থাকা উচিত। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
রান্নার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে পেঁয়াজ কাটতে হয় প্রায় প্রতিদিনই।
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
সকালের শুরুতে এক কাপ চা, বিকেলে ক্লান্তি দূর করতে আবারও চায়ের কাপে চুমুক—এমন অভ্যাস অনেকেরই।
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!
দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করা, অবসর সময়ে সোফায় গা এলিয়ে মুঠোফোন দেখা কিংবা শারীরিক পরিশ্রম না করা—আধুনিক জীবনে এমন অভ্যাস অনেকেরই।
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আরও পড়ুন
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ১১৫ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ, প্রস্তুত এসআরবি
জলবায়ু পরিবর্তনে বছরে ৫ লাখের বেশি মৃত্যু, বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি
পাবিপ্রবিতে মশার উপদ্রব, বাড়ছে ডেঙ্গুর ঝুঁকি