হাসির মাঠে কে এগিয়ে, নারী নাকি পুরুষ? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬ , ১০:২৩ এএম


হাসির মাঠে কে এগিয়ে, নারী নাকি পুরুষ? 
ছবি: সংগৃহীত

হাসি মানুষের সহজাত অভ্যাস হলেও নারী ও পুরুষের হাসির ধরন এবং হাসানোর ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে কিছু চমকপ্রদ পার্থক্য। গবেষণায় দেখা যায়, সবাই হাসতে ভালোবাসলেও কে বেশি হাসছেন আর কে হাসাচ্ছেন, নারী না পুরুষ—এই বিষয়ে স্পষ্ট ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়।

গবেষকদের মতে, দুই বা ততোধিক নারী একসঙ্গে থাকলে হাসির প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এমনকি নারী-পুরুষ মিশ্র আড্ডাতেও নারীরা পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি হাসেন। অন্যদিকে পুরুষরা তুলনামূলকভাবে কম হাসলেও তারা বেশি হাসানোর চেষ্টা করেন। অর্থাৎ, একদিকে হাসি তৈরি হয়, অন্যদিকে সেই হাসিতে মেতে ওঠেন নারীরা। তাই নারীরাই তুলনামূলকভাবে বেশি হাসেন এবং সামাজিক আড্ডায় তাদের হাসির মাত্রা বেশি লক্ষ্য করা যায়। 

আরও পড়ুন

শৈশব থেকেই এই প্রবণতার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সাধারণত কৌতুকপ্রিয় বা দুষ্টুমি করা শিশুদের মধ্যে ছেলেদের সংখ্যা বেশি দেখা যায়। বড় হওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে মঞ্চে বা আড্ডায় রসিকতা করে অন্যকে হাসানোর ভূমিকায় পুরুষদের অংশগ্রহণ বেশি থাকে।

অন্যদিকে নারীরা রসবোধ গ্রহণে বেশি সংবেদনশীল বলে গবেষণায় ধারণা পাওয়া যায়। মজার কোনো ঘটনা বা কৌতুক শুনলে নারীদের মস্তিষ্কের আনন্দকেন্দ্র তুলনামূলকভাবে বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে তারা সহজে ও বেশি পরিমাণে হাসেন।

হাসি শুধু আনন্দের প্রকাশ নয়, সম্পর্কেরও এক গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন। দম্পতিদের মধ্যে যারা দীর্ঘদিন একসঙ্গে আছেন, তারা মনে করেন একসঙ্গে হাসতে পারাটাই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার বড় শক্তি। গবেষণায়ও দেখা যায়, সুস্থ ও দীর্ঘ সম্পর্কের পেছনে রসবোধ ও হাসি বড় ভূমিকা রাখে।

তাই হাসির এই ভিন্নতা কোনো প্রতিযোগিতা নয়, বরং একে ওপরের পরিপূরক। পুরুষরা যেখানে হাসির খোরাক তৈরি করেন, নারীরা সেখানে সেই হাসিকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission