ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

প্রতিদিনের ১০ অভ্যাসে অজান্তেই নষ্ট হচ্ছে স্বাস্থ্য

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ০৮:৫০ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দিনের পর দিন আমরা একই রুটিনে চলি। মনে হয় সব ঠিকই আছে। কিন্তু অজান্তেই কিছু অভ্যাস ধীরে ধীরে শরীরকে দুর্বল করে দিচ্ছে। শক্তি কমে যাচ্ছে। মন খারাপ হচ্ছে। আর বাড়ছে নানা রোগের ঝুঁকি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় কোনো পরিবর্তন নয়—ছোট ছোট অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব ফেলে। আর সেগুলো বদলানো শুরু করতে হবে এখনই।

স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে বড় পরিবর্তন দরকার নেই, একটি অভ্যাস বদলালেই শুরু হতে পারে নতুন জীবন।

প্রতিদিনের ১০ ক্ষতিকর অভ্যাস

১. পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া

শরীরের বেশিরভাগ অংশই পানি দিয়ে তৈরি। পানি কম খেলে মনোযোগ কমে, ক্লান্তি বাড়ে, ত্বক খারাপ হয়। প্রস্রাবের রঙ হালকা হলুদ থাকলে বুঝবেন আপনি ঠিকমতো পানি খাচ্ছেন।

২. রাত করে খাওয়া

ঘুমানোর কাছাকাছি সময়ে খেলে হজমে সমস্যা হয়। ওজন বাড়তে পারে, ঘুমও ভালো হয় না।

৩. ব্যায়াম না করা

শরীরচর্চা না করলে হৃদযন্ত্র দুর্বল হয়, ওজন বাড়ে, মানসিক চাপও বাড়ে। প্রতিদিন একটু হাঁটাও অনেক উপকার করে।

৪. কম ঘুমানো

ঘুম কম হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, মন খারাপ থাকে, নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ে। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম দরকার।

৫. বেশি লবণ খাওয়া

অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপসহ নানা সমস্যার কারণ হতে পারে। বাসায় রান্না করলে লবণ কমানো সহজ।

৬. শুধু নাম দেখে খাবার বেছে নেওয়া

অনেক খাবারে স্বাস্থ্যকর লেখা থাকলেও তা আসলে ভালো নাও হতে পারে। অনেক সময় চর্বি কম থাকলেও চিনি বেশি থাকে।

৭. কাজের টেবিলে বসে খাওয়া

মোবাইল বা কাজ করতে করতে খেলে বেশি খেয়ে ফেলেন অনেকে। মন দিয়ে খাওয়া জরুরি।

৮. সবকিছু এক ধরনের তেলে রান্না করা

একই তেল সব রান্নায় ব্যবহার করলে সমস্যা হতে পারে, বিশেষ করে বেশি তাপে রান্নায়।

৯. মিষ্টি পুরোপুরি বাদ দেওয়া

মাঝে মধ্যে মিষ্টি না খেলে পরে একসাথে বেশি খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।

১০. রান্নাঘরের স্পঞ্জ নিয়মিত না বদলানো

একই স্পঞ্জে জীবাণু জমে যায়, যা অসুস্থতার কারণ হতে পারে। নিয়মিত পরিষ্কার ও বদলানো জরুরি।

কীভাবে বদলাবেন অভ্যাস?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সব অভ্যাস একসঙ্গে বদলানোর দরকার নেই। একটি অভ্যাস দিয়ে শুরু করলেই যথেষ্ট। যেমন—প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস পানি খাওয়া বা প্রতিদিন কিছুটা হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা। ছোট এই পরিবর্তনগুলোই ধীরে ধীরে বড় পার্থক্য গড়ে দেয়।

আজ যে অভ্যাসগুলোকে ছোট মনে হচ্ছে, সেগুলোই কাল বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই এখনই সময়, নিজেকে একটু বদলানোর।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
ভূমিহীন সাইদারের হাতের ভেতর কাচ রেখেই সেলাই! 
মানহীন মেডিকেল কলেজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
অক্টোবরে রেকর্ড প্রাণহানির পর ডেঙ্গুতে এবার আরও ৬ জনের মৃত্যু