ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

বিড়াল-কুকুরের আঁচড় লাগলেই কী জলাতঙ্ক টিকা জরুরি?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ১০:৪৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

বাসা-বাড়িতে পোষা প্রাণী হিসেবে অনেকেই বিড়াল ও কুকুর রাখেন। আবার রাস্তাঘাটেও এসব প্রাণীর সঙ্গে দেখা হওয়া স্বাভাবিক। খেলতে গিয়ে বা কাছে গেলে অনেক সময় আঁচড় বা কামড় লাগার ঘটনাও ঘটে। তখনই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন জাগে, এতে কি সঙ্গে সঙ্গে জলাতঙ্কের টিকা নিতে হবে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু আঁচড় বা কামড় লাগলেই জলাতঙ্ক হবে, এমনটা নয়। যদি প্রাণীটি জলাতঙ্কের জীবাণু বহন না করে, বা আগে থেকে টিকা দেওয়া থাকে। তাহলে সাধারণত ঝুঁকি থাকে না।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের একজন বিশেষজ্ঞ গণমাধ্যমকে জানান, বিষয়টি নির্ভর করে পরিস্থিতির ওপর। প্রাণীটি টিকা দেওয়া না থাকলে এবং কামড় বা আঁচড়ে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হয়।

কী করতে হবে?

কোনো প্রাণীর কামড় বা আঁচড় লাগলে প্রথম কাজ হলো ক্ষতস্থান ভালোভাবে পরিষ্কার করা। অন্তত ১৫ মিনিট সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর আয়োডিন ব্যবহার করা উচিত। তবে ক্ষতস্থান ব্যান্ডেজ করা যাবে না।

আরও পড়ুন

যদি শুধু নখ বা দাঁতের স্পর্শ লাগে কিন্তু ত্বক না কাটে, তাহলে সাধারণত বড় কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না।

কিন্তু ত্বক কেটে গেলে বা রক্ত বের হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং টিকা নেওয়া জরুরি হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ইনজেকশনও দিতে হয়। যা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দেওয়া হয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

রাস্তায় থাকা কোনো প্রাণীকে খাওয়ানো বা আদর করার সময় সতর্ক থাকা জরুরি। যদি সেই প্রাণী হাত-পা চেটে দেয় এবং সেখানে আগে থেকেই কোনো ক্ষত থাকে, তাহলে টিকার প্রয়োজন হতে পারে।

তবে ত্বক সম্পূর্ণ অক্ষত থাকলে সাধারণত চিন্তার কিছু নেই। শুধু পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিলেই যথেষ্ট।

তাই বিড়াল বা কুকুরের সংস্পর্শ মানেই ভয় নয়, বরং পরিস্থিতি বুঝে সঠিক পদক্ষেপ নিলেই জলাতঙ্কের ঝুঁকি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!
দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করা, অবসর সময়ে সোফায় গা এলিয়ে মুঠোফোন দেখা কিংবা শারীরিক পরিশ্রম না করা—আধুনিক জীবনে এমন অভ্যাস অনেকেরই।
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন