ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

রান্নাঘরের বর্জ্যেই আছে গাছের প্রাকৃতিক সার

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ১০:৩০ এএম
ছবি: সংগৃহীত

বাগান করতে হলে সব সময় রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে হয়, এমন ধারণা এখন অনেকটাই বদলাতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রান্নাঘরের সাধারণ বর্জ্য দিয়েই গাছকে করা যায় সবুজ, শক্তিশালী এবং ফুল-ফলে ভরপুর।

রাসায়নিক সার ব্যবহারে যেমন নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়, তেমনি ভুল মাত্রায় ব্যবহার করলে গাছের ক্ষতিও হতে পারে। তাই নতুন বা ছোট বাগানের জন্য ঘরোয়া জৈব উপকরণই হতে পারে সহজ সমাধান।

ডিমের খোসা

ডিমের খোসায় থাকা ক্যালসিয়াম গাছের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। শুকনো খোসা গুঁড়ো করে মাটিতে মিশিয়ে দিলে টমেটো, মরিচের মতো গাছ অনেক ভালো ফল দেয়।

কলার খোসা

কলার খোসা পটাশিয়াম ও ফসফরাসে ভরপুর। এগুলো গাছে ফুল ফোটাতে ও ফল ধরাতে সাহায্য করে। খোসা ছোট করে কেটে মাটিতে পুঁতে দিলে ধীরে ধীরে পুষ্টি মেলে।

আরও পড়ুন

কফির গুঁড়ো

কফির গুঁড়ো মাটির গুণমান উন্নত করে এবং গাছকে শক্তিশালী করে তোলে। তবে পরিমাণ কম রাখা জরুরি, না হলে মাটির ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।

সবজির খোসা

গাজর, শসা, আলুর খোসা দিয়ে সহজেই জৈব সার তৈরি করা যায়। একটি পাত্রে রেখে পচিয়ে কম্পোস্ট বানালে তা গাছের জন্য খুবই উপকারী হয়।

চাল ধোয়া জল

চাল ধোয়া জলে থাকা পুষ্টি গাছের বৃদ্ধি বাড়ায়। তবে এতে লবণ না থাকা নিশ্চিত করতে হবে।

তাই রান্নাঘরের ফেলে দেওয়া এই সাধারণ উপকরণগুলোই গাছের জন্য হয়ে উঠতে পারে প্রাকৃতিক সার। এতে যেমন খরচ কমে, তেমনি গাছও বেড়ে ওঠে স্বাস্থ্যকর ও সবুজভাবে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে