ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

সানস্ক্রিন ব্যবহারের সঠিক পরিমাণ জেনে নিন 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রোদে বের হওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করছেন? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশিরভাগ মানুষই এটি ঠিকভাবে ব্যবহার করেন না। ফলে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বক পুরোপুরি সুরক্ষা পায় না।

সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মি মূলত দুই ধরনের, একটি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে বয়সের ছাপ বাড়ায়। আর অন্যটি ত্বক পুড়িয়ে ফেলে এবং ক্যানসারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সামান্য পরিমাণে এই রশ্মি শরীরে ভিটামিন তৈরিতে সাহায্য করলেও অতিরিক্ত সংস্পর্শ ক্ষতিকর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময় হলো সকাল শেষ থেকে দুপুর পর্যন্ত। যখন সূর্যের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে।

সানস্ক্রিনে থাকা সুরক্ষার মাত্রা বোঝাতে একটি সংখ্যা লেখা থাকে। সংখ্যা যত বেশি, সুরক্ষা তত বেশি। চিকিৎসকদের মতে, অন্তত মাঝারি বা তার বেশি সুরক্ষা যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।

আরও পড়ুন

এছাড়া আরেকটি বিষয় হলো সুরক্ষার তারকা চিহ্ন। এটি ত্বককে আরেক ধরনের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশি তারকা থাকলে সুরক্ষা বেশি ভালো হয়।

কিন্তু শুধু সানস্ক্রিন ব্যবহার করলেই যথেষ্ট নয়। সঠিক পরিমাণে ব্যবহার করাও জরুরি। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের পুরো শরীরে সাধারণত কয়েক চামচ পরিমাণ সানস্ক্রিন প্রয়োজন হয়।

এটি শুধু মুখে নয়, গলা, কান, হাত-পা এমনকি চুল কমে গেলে মাথার ত্বকেও লাগাতে হয়। রোদে বের হওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে এটি ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, ঘাম, পানি বা তোয়ালে দিয়ে মুছে গেলে সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা কমে যায়। তাই প্রতি কিছু সময় পর পর আবার ব্যবহার করতে হবে।

শিশুদের ক্ষেত্রে সতর্কতা আরও বেশি জরুরি। ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের রোদে না নেওয়াই ভালো। বড় শিশুদের জন্য বেশি সুরক্ষা যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার এবং টুপি ও রোদচশমা পরানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসকদের মতে, সানস্ক্রিন ঠিকভাবে ব্যবহার না করলে রোদে ত্বক দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তাই রোদ থেকে সুরক্ষা পেতে সঠিক নিয়মে সানস্ক্রিন ব্যবহারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
মেঘলা দিনেও কি সানস্ক্রিন প্রয়োজন?
ঘরে থাকলেও সানস্ক্রিন মাখানো জরুরি?