ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

রোদ ও ওষুধেও বাড়ছে না ভিটামিন ডি, জানুন কারণ 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১২:২১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সূর্যের আলো পাওয়া, নিয়মিত সাপ্লিমেন্ট খাওয়া—সবকিছু করার পরেও অনেকের শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি এখন সাধারণ একটি স্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। এক সমীক্ষা অনুযায়ী, জনসংখ্যার বড় একটি অংশই এই ঘাটতিতে ভুগছে, যা অনেক সময় টেরই পাওয়া যায় না।

অন্ত্রের সমস্যায় বাধা পায় শোষণ

ভিটামিন ডি শরীরে কার্যকর হতে হলে ঠিকভাবে হজম ও শোষিত হতে হয়। কিন্তু অন্ত্রের কিছু রোগ যেমন সিলিয়াক রোগ, ক্রোন রোগ বা দীর্ঘমেয়াদি হজমের সমস্যা থাকলে এই ভিটামিন ঠিকভাবে শোষিত হয় না। ফলে ভালো খাবার খেলেও শরীরে এর ঘাটতি থেকেই যায়।

কিছু ওষুধও হতে পারে দায়ী

কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা কমে যেতে পারে। বিশেষ করে হাঁপানি, বাত বা খিঁচুনির ওষুধ, এমনকি ওজন কমানোর কিছু ওষুধ শরীরে এই ভিটামিনের কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে।

আরও পড়ুন

অতিরিক্ত শরীরের মেদেও সমস্যা বাড়ে

শরীরে অতিরিক্ত চর্বি থাকলে ভিটামিন ডি শরীরে আটকে যায় এবং রক্তে প্রয়োজনীয় মাত্রায় পৌঁছাতে পারে না। ফলে স্থূল মানুষের ক্ষেত্রে একই মাত্রা বজায় রাখতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভিটামিন ডি-এর প্রয়োজন হয়।

লিভার ও কিডনির দুর্বলতাও বড় কারণ

ভিটামিন ডি প্রথমে ত্বকে তৈরি হয়, পরে লিভার ও কিডনির মাধ্যমে সক্রিয় হয়। কিন্তু এই দুটি অঙ্গের সমস্যা থাকলে ভিটামিন ডি ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। ফ্যাটি লিভার, কিডনির রোগ বা বয়সজনিত দুর্বলতাও এই ঘাটতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শুধু রোদে থাকা বা সাপ্লিমেন্ট বা ওষুধ খেলেই সবসময় ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ হয় না। শরীরের ভেতরের নানা সমস্যা, ওষুধ এবং জীবনযাপন এই ঘাটতির পেছনে বড় ভূমিকা রাখে। তাই সমস্যাটি দীর্ঘদিন চললে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
দিনের কোন সময় সবচেয়ে বেশি ভিটামিন ডি পাওয়া যায়?