গরমের তীব্রতায় শরীর ঘামছে স্বাভাবিকভাবেই। শরীরকে ঠান্ডা রাখার জন্য ঘাম হওয়া জরুরি হলেও অনেক সময় ঘামের সঙ্গে আসে দুর্গন্ধ। অফিস, বাস বা ভিড়ের মধ্যে এই গন্ধ শুধু নিজের জন্য নয়, আশপাশের মানুষের জন্যও অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘাম নিজে গন্ধ তৈরি করে না। মূলত ত্বকের ব্যাকটেরিয়া ঘামের সঙ্গে মিশে এই দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। তবে ভালো খবর হলো, সহজ ঘরোয়া উপায়েই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
সহজ ঘরোয়া যত্নেই মিলবে স্বস্তি-
লেবু: প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক
লেবুতে থাকা প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক উপাদান ব্যাকটেরিয়া কমাতে সাহায্য করে। স্নানের আগে বগল বা পায়ের তলায় অর্ধেক লেবু ঘষে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললে দুর্গন্ধ কমে যায়। তবে সংবেদনশীল ত্বকে সাবধানে ব্যবহার করতে হবে।
গোলাপজল: ঠান্ডা ও সতেজ সমাধান
গোলাপজল ত্বককে ঠান্ডা রাখে এবং দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে। গোলাপজলের সঙ্গে সামান্য ফিটকিরি মিশিয়ে বগল বা ঘাড়ে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
বেকিং সোডা: ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকর
বেকিং সোডা ত্বকের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। অল্প পানির সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘাম বেশি হয় এমন জায়গায় লাগালে দুর্গন্ধ কমে যায়।
নারকেল তেল: আর্দ্রতা ও সুরক্ষা একসঙ্গে
নারকেল তেলে থাকা উপাদান ব্যাকটেরিয়া কমাতে সাহায্য করে এবং ত্বককে আর্দ্র রাখে। স্নানের পর অল্প নারকেল তেল ব্যবহার করলে ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
গরমে ঘাম হওয়া বন্ধ করা সম্ভব নয়, কিন্তু দুর্গন্ধ অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। নিয়মিত এই ঘরোয়া উপায়গুলো ব্যবহার করলে শরীর থাকবে সতেজ, আর অস্বস্তিও থাকবে না।
ডিওডোরেন্টের উপর নির্ভর না করে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করলেই মিলতে পারে সহজ ও নিরাপদ সমাধান।
আরটিভি/জেএমএ



