ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

লবণ বেশি খেলে শরীরে কী বিপদ হতে পারে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত

লবণ আমাদের প্রতিদিনের খাবারের অন্যতম প্রধান উপাদান। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং শরীরে সোডিয়াম সরবরাহ করে। যা স্নায়ু ও কোষের কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রয়োজনের চেয়ে বেশি লবণ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে সর্বোচ্চ পাঁচ গ্রামের কম লবণ খাওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ মানুষ এই সীমার প্রায় দ্বিগুণ লবণ গ্রহণ করে থাকেন। এর বড় অংশ আসে প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার থেকে।

অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ শরীরে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। যা পরবর্তীতে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পাশাপাশি কিডনি রোগ, হাড় ক্ষয়, গ্যাস্ট্রিক সমস্যা এবং শরীরে পানিশূন্যতার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রক্রিয়াজাত খাবার যেমন চিপস, সস, পিজ্জা, ফাস্টফুড, ক্যানজাত খাবার এবং নানা ধরনের সসেজ ও পনিরে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। এসব খাবার খেতে লবণাক্ত না লাগলেও শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়াম জমা হয়।

আরও পড়ুন

শিশুদের ক্ষেত্রে লবণ গ্রহণ আরও সীমিত হওয়া উচিত। কারণ তাদের কিডনি পূর্ণভাবে বিকশিত নয়। অন্যদিকে গর্ভবতী নারী ও কিডনি রোগীদের জন্য অতিরিক্ত লবণ বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ শুধু রক্তচাপই বাড়ায় না, বরং হৃদরোগ ও স্ট্রোকজনিত মৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়।

তবে লবণ সম্পূর্ণ বাদ দেওয়াও ঠিক নয়। শরীরের জন্য অল্প পরিমাণ সোডিয়াম প্রয়োজনীয়। তাই ভারসাম্য বজায় রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

লবণ কমানোর জন্য বিশেষজ্ঞরা কিছু সহজ পরামর্শ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাওয়া, ঘরে রান্না করা খাবার বেশি খাওয়া, লবণের পরিবর্তে মশলা, লেবুর রস ও প্রাকৃতিক স্বাদ ব্যবহার করা এবং খাবার কেনার সময় প্যাকেটের লেবেল দেখে নেওয়া।

লবণ শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও অতিরিক্ত গ্রহণ নীরব বিপদের কারণ হতে পারে। তাই দৈনন্দিন জীবনে সচেতনভাবে লবণ ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলাই সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
নদীর ব্লক নির্মাণে লবণপানির বালু ব্যবহারের অভিযোগ
লবণ কম খাওয়ার ৬ সহজ কৌশল
শিগগিরই লবণের নতুন দাম নির্ধারণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিদিন কতটা লবণ খাওয়া নিরাপদ