ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রোটিন পাউডার খাচ্ছেন? এই ৪ ভুলেই বাড়াচ্ছেন স্বাস্থ্যঝুঁকি

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ০৯:২১ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ফিট থাকতে, ওজন কমাতে কিংবা পেশি গঠনের লক্ষ্য নিয়ে আজকাল অনেকেই প্রোটিন পাউডারের দিকে ঝুঁকছেন। শুধু খেলোয়াড় বা বডিবিল্ডার নয়, সাধারণ মানুষও দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এটি যুক্ত করছেন। বাজারে নানা ধরনের প্রোটিন পাউডার সহজলভ্য হওয়ায় ব্যবহারও বেড়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিকভাবে না খেলে এই সাপ্লিমেন্ট উপকারের বদলে শরীরের ক্ষতির কারণও হতে পারে।

প্রোটিন পাউডার তখনই কার্যকর হয়, যখন এটি সঠিক মাত্রায় এবং সঠিক নিয়মে গ্রহণ করা হয়। ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, দৈনিক কায়িক পরিশ্রম এবং শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী এর ব্যবহার নির্ভর করে। ভুলভাবে গ্রহণ করলে হজমের সমস্যা, পেটফাঁপা, গ্যাসট্রিকসহ নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে।

প্রোটিন পাউডার খাওয়ার সময় যে ৪টি ভুল সবচেয়ে বেশি হয়—

১. অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ

অনেকেই শুরুতেই বেশি পরিমাণ প্রোটিন গ্রহণ করেন। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি নিলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি জমে যেতে পারে। ফলে ওজন বেড়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটফাঁপার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২. খাবারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার

প্রোটিন শেককে অনেকে পুরো খাবারের বিকল্প মনে করেন। এতে প্রোটিন মিললেও শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর চর্বি থেকে বঞ্চিত হয়।

আরও পড়ুন

৩. পরিমাণ না মেনে চলা

যত বেশি, তত ভালো—এই ধারণা ভুল। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীর একবারে প্রায় ২৫ থেকে ৪০ গ্রাম প্রোটিন ব্যবহার করতে পারে। এর বেশি অংশ শক্তি বা চর্বি হিসেবে জমা হয়, যা ওজন বাড়াতে পারে।

৪. ভুল মানের পণ্য বেছে নেওয়া

অনেক প্রোটিন পাউডারে কৃত্রিম মিষ্টি, প্রিজারভেটিভ ও নানা অ্যাডিটিভ থাকে, যা হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই মান যাচাই না করে পণ্য কিনলে উপকারের বদলে ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।

কেনার আগে কী দেখবেন

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রোটিন পাউডার কেনার আগে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই যাচাই করা উচিত—

প্রোটিনের উৎস কী, প্রতি স্কুপে কত গ্রাম প্রোটিন আছে (সাধারণত ২০–২৫ গ্রাম থাকা ভালো), এবং এতে চিনি বা কৃত্রিম উপাদান আছে কি না। ফ্লেভারযুক্ত পণ্য এড়িয়ে চলা ভালো।

এছাড়া প্যাকেটে থাকা সার্টিফিকেশন যেমন আন্তর্জাতিক মান পরীক্ষার অনুমোদন আছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়া জরুরি।

সঠিক নিয়মে ও পরিমিতভাবে ব্যবহার করলে প্রোটিন পাউডার শরীর গঠনে সহায়ক হতে পারে। তবে অজ্ঞতা বা ভুল অভ্যাসই এটিকে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত করতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
বরবটি খান, মিলবে প্রোটিনসহ যে ৬ উপকার
কম প্রোটিন খেলে বাড়তে পারে দীর্ঘায়ু
ডিমের সাদা অংশ নাকি কুসুম, কোন অংশে প্রোটিন বেশি?
কোন ডালে সবচেয়ে বেশি প্রোটিন থাকে?