ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

তীব্র গরমে সর্দি-কাশিতে নাজেহাল, যে ৪ পানীয় বদলে দেবে শরীরের হাল 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ১১:৪২ এএম
ছবি: সংগৃহীত

তীব্র গরমের মধ্যে সর্দি-কাশি বা গলা খুসখুসে সমস্যা হলে অস্বস্তির শেষ থাকে না। একদিকে বাইরে প্রচণ্ড গরম, অন্যদিকে অফিস বা ঘরে এসির ঠান্ডা বাতাস—এই তাপমাত্রার ওঠানামাতেই শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলাফল হিসেবে দেখা দেয় জ্বর, সর্দি, কাশি ও শরীর ম্যাজম্যাজ করার মতো সমস্যা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গরম ও ঠান্ডার এই অস্থির পরিবেশে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যেতে পারে। তবে কিছু সহজ ও প্রাকৃতিক পানীয় নিয়মিত খেলে এই অস্বস্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

লেবুর শরবত

লেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। লেবুর শরবত শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং ক্লান্তি দূর করে। এর সঙ্গে পুদিনা পাতা বা সামান্য লবণ মিশালে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যও বজায় থাকে। তবে অতিরিক্ত চিনি বা বরফ না দেওয়াই ভালো।

মাঠা

দই, ভাজা জিরা, পুদিনা পাতা ও সামান্য লবণ দিয়ে তৈরি মাঠা বা ঘোল শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং হজমে সাহায্য করে। এটি পেটের সমস্যা, পেটফাঁপা এমনকি সর্দি-কাশির সময়ও স্বস্তি দিতে পারে। গরমে শরীরকে ভিতর থেকে ঠান্ডা রাখতে মাঠা বা ঘোল একটি কার্যকর পানীয়।

আরও পড়ুন

ছাতুর শরবত

গরমে শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীর ঠান্ডা রাখতে ছাতুর শরবত বেশ উপকারী। এটি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে, ক্লান্তি কমায় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। রুচি কমে গেলে বা অসুস্থতার সময় এটি সহজেই শরীরকে চাঙ্গা করতে পারে।

কুসুম গরম পানীয়

আদা, তুলসি, দারুচিনি, গোলমরিচ ও যষ্টিমধু ফুটিয়ে তৈরি করা কুসুম গরম পানীয় গলা ব্যথা ও সর্দি-কাশিতে আরাম দেয়। ঠান্ডা হয়ে গেলে এতে সামান্য মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়। এটি অ্যালার্জি ও গলার অস্বস্তি কমাতেও সাহায্য করে।

চিকিৎসকদের মতে, এই গরমে শরীর সুস্থ রাখতে শুধু পানি নয়, সঠিক পানীয় বেছে নেওয়াও জরুরি। তাই প্রাকৃতিক এই পানীয়গুলো নিয়মিত খেলে গরমে সর্দি-কাশির অস্বস্তি অনেকটাই কমে যেতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওজন কমাতে কতদিন লাগে 
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন অনেকেই। কেউ দ্রুত ফল পেতে চান, আবার কেউ দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমাতে চান।
ওজন কমাতে কতদিন লাগে 
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
আরও পড়ুন
সর্দি-কাশি থেকে ডেঙ্গু, বর্ষায় শিশুকে যেভাবে রাখবেন সুরক্ষিত 
সর্দি-কাশিতে শিশুকে মধু খাওয়ান? আগে জানুন এই বিপদ
সর্দি-কাশি না নিউমোনিয়া, বুঝবেন যে লক্ষণে
সর্দি-কাশির ঘরোয়া উপশমে কালোজিরার ভূমিকা