ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

তীব্র গরমে সর্দি-কাশিতে নাজেহাল, যে ৪ পানীয় বদলে দেবে শরীরের হাল 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ১১:৪২ এএম
ছবি: সংগৃহীত

তীব্র গরমের মধ্যে সর্দি-কাশি বা গলা খুসখুসে সমস্যা হলে অস্বস্তির শেষ থাকে না। একদিকে বাইরে প্রচণ্ড গরম, অন্যদিকে অফিস বা ঘরে এসির ঠান্ডা বাতাস—এই তাপমাত্রার ওঠানামাতেই শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলাফল হিসেবে দেখা দেয় জ্বর, সর্দি, কাশি ও শরীর ম্যাজম্যাজ করার মতো সমস্যা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গরম ও ঠান্ডার এই অস্থির পরিবেশে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যেতে পারে। তবে কিছু সহজ ও প্রাকৃতিক পানীয় নিয়মিত খেলে এই অস্বস্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

লেবুর শরবত

লেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। লেবুর শরবত শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং ক্লান্তি দূর করে। এর সঙ্গে পুদিনা পাতা বা সামান্য লবণ মিশালে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যও বজায় থাকে। তবে অতিরিক্ত চিনি বা বরফ না দেওয়াই ভালো।

মাঠা

দই, ভাজা জিরা, পুদিনা পাতা ও সামান্য লবণ দিয়ে তৈরি মাঠা বা ঘোল শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং হজমে সাহায্য করে। এটি পেটের সমস্যা, পেটফাঁপা এমনকি সর্দি-কাশির সময়ও স্বস্তি দিতে পারে। গরমে শরীরকে ভিতর থেকে ঠান্ডা রাখতে মাঠা বা ঘোল একটি কার্যকর পানীয়।

আরও পড়ুন

ছাতুর শরবত

গরমে শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীর ঠান্ডা রাখতে ছাতুর শরবত বেশ উপকারী। এটি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে, ক্লান্তি কমায় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। রুচি কমে গেলে বা অসুস্থতার সময় এটি সহজেই শরীরকে চাঙ্গা করতে পারে।

কুসুম গরম পানীয়

আদা, তুলসি, দারুচিনি, গোলমরিচ ও যষ্টিমধু ফুটিয়ে তৈরি করা কুসুম গরম পানীয় গলা ব্যথা ও সর্দি-কাশিতে আরাম দেয়। ঠান্ডা হয়ে গেলে এতে সামান্য মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়। এটি অ্যালার্জি ও গলার অস্বস্তি কমাতেও সাহায্য করে।

চিকিৎসকদের মতে, এই গরমে শরীর সুস্থ রাখতে শুধু পানি নয়, সঠিক পানীয় বেছে নেওয়াও জরুরি। তাই প্রাকৃতিক এই পানীয়গুলো নিয়মিত খেলে গরমে সর্দি-কাশির অস্বস্তি অনেকটাই কমে যেতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
সর্দি-কাশি থেকে ডেঙ্গু, বর্ষায় শিশুকে যেভাবে রাখবেন সুরক্ষিত 
সর্দি-কাশিতে শিশুকে মধু খাওয়ান? আগে জানুন এই বিপদ
সর্দি-কাশি না নিউমোনিয়া, বুঝবেন যে লক্ষণে
সর্দি-কাশির ঘরোয়া উপশমে কালোজিরার ভূমিকা