ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

এসি ব্যবহার না করেও প্রচণ্ড গরমে শরীর ও ঘর ঠান্ডা রাখার কার্যকর কিছু কৌশল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন প্রায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বাইরে যেমন প্রখর রোদ ও গরম, তেমনি ঘরের ভেতরেও যেন মিলছে না স্বস্তির ঠান্ডা। অনেকেই এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে এয়ার কন্ডিশনার (এসি) কেনার কথা ভাবছেন। কিন্তু সবার পক্ষে এসি কেনা বা নিয়মিত চালিয়ে রাখা সম্ভব নয়। বিদ্যুতের বাড়তি খরচও অনেকের জন্য বড় চিন্তার বিষয়। তবে কিছু সহজ, কার্যকর ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে এসি ছাড়াও ঘর এবং শরীরকে অনেকটাই শীতল রাখা সম্ভব। জেনে নিন প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি পাওয়ার ১৪টি কার্যকর কৌশল।

১. বেশি বেশি পানি পান করুন

ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ও জৈবিক প্রকৌশলের সিনিয়র লেকচারার ইমেরিটাস ওয়েনডেল পোর্টারের মতে, শরীরকে ঠান্ডা রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো পর্যাপ্ত পানি পান করা। পানি ঠান্ডা হোক বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার—এটি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ শরীরে প্রবেশ করার পর পানি নিজেই শরীরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নেয়।

পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীরে ঘামের উৎপাদন স্বাভাবিক থাকে। আর ঘাম বাষ্পে পরিণত হওয়ার সময় শরীরের অতিরিক্ত তাপ বের করে দেয়, ফলে শরীর স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা থাকে।

২. ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করুন

গরমে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করলে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমে আসে এবং তাৎক্ষণিক স্বস্তি পাওয়া যায়। সম্ভব হলে পেপারমিন্টযুক্ত সাবান ব্যবহার করুন। এতে থাকা মেনথল মস্তিষ্কের বিশেষ রিসেপ্টরকে উদ্দীপিত করে, যা শরীরে ঠান্ডার অনুভূতি সৃষ্টি করে।

৩. আইসব্যাগ ব্যবহার করুন

ঘাড়, কবজি কিংবা কপালে আইসব্যাগ বা ঠান্ডা ভেজা কাপড় রাখলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। এসব স্থানে রক্তনালি ত্বকের খুব কাছাকাছি থাকে। ফলে এসব অংশ ঠান্ডা হলে রক্ত দ্রুত ঠান্ডা হয়ে পুরো শরীরেও তার প্রভাব পড়ে।

৪. টেবিল ফ্যানের সঠিক ব্যবহার

সিলিং ফ্যানের পাশাপাশি একটি টেবিল ফ্যান ব্যবহার করলে ঘরের বাতাস চলাচল আরও ভালো হয়। জানালার পাশে ফ্যান রাখলে এটি ঘরের গরম বাতাস বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে এবং বাইরে থেকে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা বাতাস ঘরে প্রবেশ করে। তবে বাইরে যদি প্রচণ্ড রোদ থাকে, তাহলে আগে জানালার পর্দা টেনে রাখুন। রোদ কমে এলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করুন। শরীরের কাছাকাছি ফ্যান রাখলেও গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমে।

৫. জানালায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জানালার পর্দা টেনে রাখুন। এতে সূর্যের সরাসরি তাপ ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না এবং ঘরের ভেতরের তাপমাত্রাও তুলনামূলক কম থাকবে।

৬. সুতি কাপড় ব্যবহার করুন

গরমের সময় সুতি কাপড় সবচেয়ে আরামদায়ক। শুধু পোশাক নয়, বিছানার চাদর ও বালিশের কভারেও হালকা রঙের সুতি কাপড় ব্যবহার করলে ঘুমের সময় শরীর অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা থাকে।

আরও পড়ুন

৭. ঘরে গাছ রাখুন

ইনডোর গাছ শুধু ঘরের সৌন্দর্যই বাড়ায় না, ঘরের পরিবেশও কিছুটা শীতল রাখতে সাহায্য করে। গাছ কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং পরিবেশকে আরও সতেজ করে তোলে। কম আলোতে টিকে থাকতে পারে— এমন গাছ ঘরে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

৮. প্রয়োজন শেষ হলে চুলা বন্ধ রাখুন

রান্না শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলা বন্ধ করে দিন। এতে যেমন গ্যাসের অপচয় কমবে, তেমনি রান্নাঘরের অতিরিক্ত তাপ অন্যান্য ঘরে ছড়িয়ে পড়বে না।

৯. অব্যবহৃত ঘরের দরজা বন্ধ রাখুন

যেসব ঘর ব্যবহার করা হয় না বা যেখানে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা কম, সেসব ঘরের দরজা বন্ধ রাখুন। এতে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা বাতাস ব্যবহারযোগ্য ঘরেই থাকবে।

১০. বাথরুম ও রান্নাঘরে এগজস্ট ফ্যান ব্যবহার করুন

রান্নার সময় উৎপন্ন গরম বাতাস এবং গোসলের পর তৈরি হওয়া গরম বাষ্প দ্রুত বাইরে বের করে দিতে এগজস্ট ফ্যান কার্যকর ভূমিকা রাখে। এটি ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

১১. দিনের বেলায় অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ রাখুন

প্রয়োজন ছাড়া দিনের বেলায় লাইট জ্বালিয়ে রাখবেন না। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ঘরের অতিরিক্ত তাপও কিছুটা কমবে।

১২. সম্ভব হলে ঘরের বাইরে রান্না করুন

সুযোগ থাকলে উঠান বা খোলা জায়গায় রান্না করুন। কারণ রান্নার সময় উৎপন্ন তাপ পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘরের ভেতরের পরিবেশ আরও গরম করে তোলে।

১৩. ঠান্ডা ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান

গরমের সময় তরমুজ, বাঙ্গি, শসা, ডাবের পানি, ঠান্ডা ফলের রস কিংবা অন্যান্য শীতল ফল খেতে পারেন। আইসক্রিম খেলে সাময়িক স্বস্তি মিললেও অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ অতিরিক্ত চিনি শরীরের ভেতরের বিপাকক্রিয়া বাড়িয়ে তাপের অনুভূতি বাড়াতে পারে।

১৪. ফ্যানের সামনে বরফের পাত্র রাখুন

টেবিল বা স্ট্যান্ড ফ্যানের সামনে একটি পাত্রে বরফ কিংবা খুব ঠান্ডা পানি রেখে দিন। ফ্যানের বাতাস বরফের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে ঘরে তুলনামূলক শীতল বাতাস ছড়িয়ে পড়ে। টেবিল ফ্যান না থাকলে সিলিং ফ্যানের নিচেও বরফের পাত্র রাখা যেতে পারে, যা কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।

প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে শুধু ঘর ঠান্ডা রাখাই নয়, শরীরের যত্ন নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এসি না থাকলেও কিছু সহজ অভ্যাস ও সঠিক কৌশল অনুসরণ করলে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব। পর্যাপ্ত পানি পান, ঘরের বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা, হালকা পোশাক এবং সচেতন জীবনযাপন—এই ছোট ছোট পদক্ষেপই তীব্র গরমে এনে দিতে পারে বড় স্বস্তি।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
ফলের মধ্যে আপেল বেশ জনপ্রিয়। সুস্বাদু এই ফলটি লাল, সবুজ ও হলুদসহ বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি আপেলের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস, নানা জাত ও পরিবেশগত গুরুত্ব। এসব বৈচিত্র্য তুলে ধরতে প্রতিবছর ২১ অক্টোবর পালিত হয় অ্যাপল ডে, যা ন্যাশনাল অ্যাপল ডে নামেও পরিচিত। অ্যাপল ডে কী ও কেন পালিত হয়? অ্যাপল ডে শুধু আপেল খাওয়ার আনন্দ উদ্‌যাপনের দিন নয়। আপেলের বিভিন্ন জাতের পরিচিতি বাড়ানো, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সচেতনতা তৈরিও দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য। বাজারে সাধারণত কয়েক ধরনের আপেল বেশি দেখা গেলেও বিশ্বজুড়ে রয়েছে হাজার হাজার জাত। এসব আপেলের রং, আকার, স্বাদ ও গন্ধে রয়েছে ভিন্নতা। দিবসটি মানুষকে আপেলের এই বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করে। এ ছাড়া ফলের বাগান বিভিন্ন পাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আপেল দিবসের আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রকৃতি ও কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। অ্যাপল দিবসের ইতিহাস অ্যাপল দিবসের সূচনা হয় ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে। পরিবেশ ও স্থানীয় ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা দাতব্য সংস্থা কমন গ্রাউন্ড (Common Ground) ওই বছরের ২১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো দিবসটি আয়োজন করে। লন্ডনের কোভেন্ট গার্ডেনের পুরোনো অ্যাপল মার্কেটে অনুষ্ঠিত প্রথম আয়োজনে প্রায় ৪০টি স্টলে বিভিন্ন জাতের আপেল, আপেলগাছের চারা, আপেলের রস ও সাইডারসহ নানা পণ্য প্রদর্শন করা হয়। এতে আপেল নিয়ে কাজ করা লেখক ও চিত্রকররাও অংশ নেন। যুক্তরাজ্যে ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান কমে যাওয়া এবং স্থানীয় আপেলের অনেক জাতের পরিচিতি হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দিবসটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এটি বিভিন্ন শহর, গ্রাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সংগঠনের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে অ্যাপল দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের প্রদর্শনী, ফলের স্বাদ গ্রহণ, রান্নার আয়োজন এবং বাগান পরিচর্যা নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আপেল সম্পর্কে ৬টি মজার তথ্য ১. বিশ্বে আপেলের হাজার হাজার জাত রয়েছে আপেল বলতে শুধু লাল বা সবুজ ফলকেই বোঝায় না। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, বিশ্বে আপেলের ৭ হাজার ৫০০টিরও বেশি জাত রয়েছে। জাতভেদে এসব আপেলের স্বাদ, রং, আকার ও ব্যবহারে পার্থক্য দেখা যায়। ২. আপেল পানিতে ভাসে আপেলের ভেতরের প্রায় ২৫ শতাংশ জায়গা বাতাসে পূর্ণ। এ কারণে আপেলের ঘনত্ব পানির তুলনায় কম হওয়ায় এটি সাধারণত পানিতে ভেসে থাকে। ৩. আপেল ও গোলাপ একই পরিবারের আপেল ও গোলাপ দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও উদ্ভিদবিজ্ঞানে এরা একই পরিবারের সদস্য। এই পরিবারের নাম রোজেসি (Rosaceae)। নাশপাতি, পিচ ও বরইও এই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। ৪. আপেলের আদি উৎস মধ্য এশিয়া গৃহপালিত আপেলের উৎপত্তির ইতিহাস মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে বর্তমান কাজাখস্তান অঞ্চলে পাওয়া বুনো আপেলকে আধুনিক আপেলের পূর্বপুরুষের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ৫. আপেল দিয়ে তৈরি হয় নানা খাবার সরাসরি খাওয়ার পাশাপাশি আপেল দিয়ে জুস, জ্যাম, পাই, কেক, সালাদ ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরি করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আপেল থেকে সাইডারও তৈরি করা হয়। ৬. আপেল দিবসে থাকে নানা আয়োজন দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের জাত চেনা, ফলের রস তৈরি, আপেল দিয়ে রান্না, বাগান পরিচর্যা এবং শিশুদের জন্য নানা ধরনের আয়োজন করা হয়। কোথাও কোথাও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন জাতের আপেল শনাক্ত করতেও সহায়তা করেন। আপেলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা আপেল খাদ্যআঁশ, ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস। এতে থাকা খাদ্যআঁশ হজমে সহায়তা করতে পারে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে ভূমিকা রাখে। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে আপেল খাওয়া হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে। তবে শুধু আপেল খেয়ে শরীরের সব পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখা প্রয়োজন। আপেল খাওয়ার আগে পরিষ্কার প্রবাহমান পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়াও জরুরি। প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে আপেল দিবসের গুরুত্ব জাতীয় আপেল দিবস একটি ফলকে কেন্দ্র করে পালিত হলেও এর গুরুত্ব আরও বিস্তৃত। আপেলের বৈচিত্র্য রক্ষা, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বার্তা দেয় এই দিবস। ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ প্রতিবছর ২১ অক্টোবর মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, একটি ফলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে কৃষি, পরিবেশ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির দীর্ঘ সম্পর্ক। আরটিভি/এসকে
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
আন্তর্জাতিক শেফ দিবস আজ 
বিশ্বজুড়ে রন্ধনশিল্পীদের হাত ধরে বদলেছে রান্নার কৌশল, জনপ্রিয় হয়েছে বিভিন্ন দেশের খাবার, তৈরি হয়েছে নতুন স্বাদের ধারণা। তাদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও অবদানকে সম্মান জানাতে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়।
আন্তর্জাতিক শেফ দিবস আজ 
ছেলেদের তুলনায় বেশি ভেপিং করছে মেয়েরা, বলছে গবেষণা 
ধূমপান ও নিকোটিন ব্যবহারের প্রবণতা ছেলেদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও ইলেকট্রনিক সিগারেটের ক্ষেত্রে বদলে যাচ্ছে সেই চিত্র।
ছেলেদের তুলনায় বেশি ভেপিং করছে মেয়েরা, বলছে গবেষণা 
সহকর্মীদের চকলেট উপহার দেওয়ার দিন আজ
অফিসের কাজের চাপ, একের পর এক বৈঠক আর ব্যস্ততার মধ্যে একটু আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এক টুকরো চকলেটই যথেষ্ট।
সহকর্মীদের চকলেট উপহার দেওয়ার দিন আজ
আজ ডেস্কটপের ফাইল গোছানোর দিন
প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় ফাইল, ছবি ও অ্যাপ্লিকেশন কাজের গতি কমিয়ে দিতে পারে। ডিজিটাল কর্মক্ষেত্র পরিচ্ছন্ন ও গোছানো রাখার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় ভার্চুয়াল ডেস্কটপ পরিষ্কার দিবস।
আজ ডেস্কটপের ফাইল গোছানোর দিন
আরও পড়ুন
এসিআই মোটরসে চাকরির সুযোগ, আবেদন চলবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত
নিয়োগ দেবে এসিআই, মোবাইল বিল-দুপুরের খাবারসহ রয়েছে নানান সুবিধা
নোয়াখালীতে এসিড গিলে যুবকের মৃত্যু
মহাখালী বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা এসি বাসে আগুন