ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

অতিরিক্ত মানসিক চাপেই কী বাড়ছে মাইগ্রেন? জেনে নিন বাঁচার উপায় 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৮ এএম
মানসিক চাপ কি মাইগ্রেনের বড় কারণ  । ছবি: সংগৃহীত

হঠাৎ মাথার একপাশে তীব্র ধুকপুক করা ব্যথা, সঙ্গে বমি বমি ভাব, আলো বা শব্দ সহ্য না হওয়া— এসবই মাইগ্রেনের পরিচিত লক্ষণ। অনেকেই মনে করেন এটি সাধারণ মাথাব্যথা। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাইগ্রেন একটি স্নায়ুতন্ত্র-সম্পর্কিত সমস্যা, যার অন্যতম সাধারণ কারণ হতে পারে অতিরিক্ত মানসিক চাপ।

গবেষণায় দেখা গেছে, মাইগ্রেনে আক্রান্ত প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, মানসিক চাপ তাদের মাইগ্রেনের অন্যতম প্রধান উদ্দীপক। শুধু চাপের সময়ই নয়, দীর্ঘদিনের চাপ কমে যাওয়ার পরও অনেকের মাইগ্রেনের সমস্যা শুরু হতে পারে।

কেন মানসিক চাপ মাইগ্রেন বাড়ায়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইগ্রেনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও পুরোপুরি জানা না গেলেও মস্তিষ্কের কিছু রাসায়নিক উপাদানের পরিবর্তনের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে। বিশেষ করে ব্যথা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখা কিছু উপাদানের ভারসাম্য নষ্ট হলে মাইগ্রেনের ঝুঁকি বাড়তে পারে। মানসিক চাপ সেই পরিবর্তনকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।

মাইগ্রেন হলে কী করবেন?

মাইগ্রেনের চিকিৎসায় সাধারণত দুটি বিষয় গুরুত্ব পায়। একটি হলো ব্যথা কমানো, অন্যটি ভবিষ্যতে মাইগ্রেনের আক্রমণ কমিয়ে আনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক চাপ যদি মাইগ্রেনের কারণ হয়ে থাকে, তাহলে চাপ কমানোর উপায় খুঁজে বের করাই সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক বা প্রতিরোধমূলক ওষুধও প্রয়োজন হতে পারে।

আরও পড়ুন

কখন প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার প্রয়োজন?

চিকিৎসকেরা সাধারণত প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার পরামর্শ দেন যদি—

১. সপ্তাহে তিনবার বা তার বেশি ব্যথার ওষুধ খেতে হয়।
২. সাধারণ ওষুধে ব্যথা কমে না।
৩. মাইগ্রেনের কারণে কাজ, পড়াশোনা বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়।

এ ধরনের ক্ষেত্রে নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে মাইগ্রেনের আক্রমণের সংখ্যা, তীব্রতা ও স্থায়িত্ব কমানো সম্ভব হতে পারে।

মানসিক চাপ কমানোই হতে পারে বড় সমাধান

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে অনেকের মাইগ্রেনের আক্রমণ কমে যেতে পারে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত বিশ্রাম, শরীরচর্চা, ধ্যান বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামের মতো অভ্যাস গড়ে তোলা উপকারী হতে পারে।

তবে বারবার তীব্র মাথাব্যথা হলে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইগ্রেনকে অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখলে এর তীব্রতা ও পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
তীব্র গরমে কেন বাড়ে মাইগ্রেন? 
কফি কি সত্যিই মাইগ্রেন কমায়, সাম্প্রতিক গবেষণায় নতুন আলোচনা