ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

রাইস কুকারের সর্বোত্তম ব্যবহারে যা করতে হবে

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম
সংগৃহীত ছবি

আধুনিক ব্যস্ত জীবনে রাইস কুকার একটি অপরিহার্য রান্নাঘরের অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে অনেকেই মনে করেন, কেবল চাল আর পানি দিয়ে সুইচ টিপে দিলেই কাজ শেষ।

প্রকৃতপক্ষে, নিখুঁত ঝরঝরে ভাত পাওয়া এবং এই মূল্যবান যন্ত্রটিকে দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে কিছু সাধারণ বিষয়ের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

আমাদের দৈনন্দিন কিছু ছোটখাটো ভুল রাইস কুকার ও খাবারের গুণমান—উভয়েরই বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।

রাইস কুকার ব্যবহারের প্রথম ধাপেই অনেকে চাল না ধুয়ে রান্না করার ভুলটি করেন। চালের গায়ে লেগে থাকা বাড়তি স্টার্চ বা মাড় না ধুলে ভাত আঠালো হয়ে যায় এবং রান্নার সময় পানি উপচে পড়ে চারপাশ নোংরা হতে পারে। এমনকি কুকারের নিচে ভাত পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। এছাড়া চাল ও পানির সঠিক অনুপাত বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

বাসমতী, জেসমিন বা ব্রাউন রাইসের ক্ষেত্রে পানির পরিমাণ ভিন্ন হয়। সঠিক পরিমাপ না জানলে ভাত হয় বেশি শক্ত হয়ে যায়, নয়তো একদম গলে যায়। কুকারের ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি চাল ও পানি দিলে তা উপচে পড়ে রান্নাঘর নোংরা করার পাশাপাশি যন্ত্রটির কার্যক্ষমতাও নষ্ট করতে পারে।

রান্নার মাঝে বারবার ঢাকনা খোলা রাইস কুকারের ভাপ বা স্টিম বের করে দেয়, যার ফলে ভাত সমানভাবে সেদ্ধ হয় না। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে ‘কিপ ওয়ার্ম’ মুডে খাবার রেখে দেওয়াও একটি বড় ভুল। সাধারণত ১২ ঘণ্টার বেশি এই মোড ব্যবহার করলে ভাত শুকিয়ে শক্ত হয়ে যায় এবং এর প্রাকৃতিক ঘ্রাণ নষ্ট হয়।

রান্নার সুইচ বন্ধ হওয়ার পর অন্তত ৫ থেকে ১০ মিনিট হাঁড়িটি ঢেকে রাখা উচিত, যাতে অবশিষ্ট বাষ্পে প্রতিটি দানা ঝরঝরে হয়।

রাইস কুকারের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এর নন-স্টিক কোটিংয়ের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। স্টিল বা অ্যালুমিনিয়ামের চামচ ব্যবহার করলে পাত্রের কোটিং নষ্ট হয়ে যায়, তাই সব সময় প্লাস্টিক বা কাঠের চামচ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।

আরও পড়ুন

রাইস কুকার রাখার জায়গার ক্ষেত্রেও সচেতন হতে হবে; এটি কখনোই জানালার পর্দা বা কাঠের শেলফের নিচে রাখা উচিত নয়, কারণ রান্নার গরম ভাপ এসব জিনিসের ক্ষতি করতে পারে। পরিষ্কার করার সময় অবশ্যই প্লাগ খুলে নিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে যেন বৈদ্যুতিক সংযোগস্থলে পানি না লাগে।

রাইস কুকারকে কেবল ভাত রান্নার যন্ত্র ভাবাটাও এক ধরনের ভুল। এই বহুমুখী যন্ত্রে ওটস, ডাল, সবজি এমনকি কেকও তৈরি করা সম্ভব। নতুন কুকার কেনার সময় সবসময় নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড বেছে নেওয়া এবং ব্যবহারের আগে প্রস্তুতকারকের নির্দেশিকা পড়ে নেওয়া উচিত।

প্লাগ বা সকেটে কোনো অস্বাভাবিক শব্দ বা তাপ অনুভব করলে তৎক্ষণাৎ ব্যবহার বন্ধ করে পেশাদার মেকানিকের সাহায্য নেওয়া জরুরি। সঠিক যত্ন ও সতর্ক ব্যবহার আপনার কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সটিকে বছরের পর বছর নতুনের মতো সচল রাখবে। সূত্র: দ্য ডেইলি মিল

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
আজ চকলেট দিবস
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ চকলেট দিবস
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
বছরের পর বছর ধরে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে। ধূমপায়ীরা একথা শুনে থাকেন যে এর জন্য সিগারেটই দায়ী। 
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
আজ কালো বিড়াল দিবস 
কালো বিড়াল রাস্তা পার হলে দুর্ভাগ্য আসে—এমন ধারণা প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে।
আজ কালো বিড়াল দিবস 
আরও পড়ুন
রাইস কুকার নাকি প্রেশার কুকার, প্রতিদিনের রান্নায় কোনটি সেরা?