ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

প্রিয়জনদের খুশি রাখার সহজ উপায়

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম
সংগৃহীত ছবি

বাইরের জগতের মানুষের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলা সহজ হলেও, অনেক সময় আপনজন বা পরিবারের সদস্যদের খুশি রাখা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।

অথচ পরিবার হলো আমাদের প্রধান আশ্রয়স্থল, যেখানে সুখ ও শান্তি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। প্রিয়জনকে আনন্দিত রাখার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে ছোট ছোট কিছু কাজ ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্যে।

কাউকে খুশি রাখার প্রথম শর্ত হলো তাকে এটি অনুধাবন করানো যে তিনি আপনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

কাউকে খুশি করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা। অনেক ক্ষেত্রে মানুষ তার সমস্যার সমাধান চায় না, বরং চায় কেউ একজন ধৈর্য ধরে তার মনের কথাগুলো শুনুক। একে অপরের জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখা এবং সেই সময়ে মোবাইল বা টেলিভিশনের মতো প্রযুক্তি থেকে দূরে থেকে শুধু নিজেদের মধ্যে কথা বলা সম্পর্কের গভীরতা বাড়ায়।

পরিবারের সদস্যদের কোনো ছোট কাজকেও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে দেখা উচিত। ধন্যবাদ বা প্রশংসাসূচক শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের কাজের স্বীকৃতি দিলে সম্পর্কের ইতিবাচকতা বৃদ্ধি পায়।

সহমর্মিতার গুণ যেকোনো সম্পর্ককে মজুত করে। পরিবারের কেউ সাহায্য চাওয়ার আগেই নিজে থেকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ভুলত্রুটি ক্ষমা করার মানসিকতা ও ধৈর্য ধারণ করা জরুরি।

আরও পড়ুন

নিজের আনন্দকে সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া এবং ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখা অন্যদের ওপরও ভালো প্রভাব ফেলে। আনন্দদায়ক কোনো গল্প বা মুহূর্ত শেয়ার করা তাৎক্ষণিকভাবে সবার মন ভালো করে দিতে পারে।

প্রিয়জনকে খুশি করতে সব সময় দামী উপহারের প্রয়োজন হয় না। পছন্দের কোনো খাবার নিয়ে আসা কিংবা হাতে লেখা ছোট চিরকুট তাদের মনে বিশেষ জায়গা তৈরি করে। ব্যস্ততার মাঝেও নিয়মিত একসঙ্গে খাওয়া বা কোথাও ঘুরতে যাওয়ার মতো গুণগত সময় কাটানো পারস্পরিক বন্ধন শক্ত করে।

মূলত প্রিয়জনের প্রয়োজন ও ভালো লাগার ভাষা বুঝে পদক্ষেপ নিলেই পরিবারে সুখ ও তৃপ্তি বজায় রাখা সম্ভব।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
আজ চকলেট দিবস
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ চকলেট দিবস
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
বছরের পর বছর ধরে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে। ধূমপায়ীরা একথা শুনে থাকেন যে এর জন্য সিগারেটই দায়ী। 
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
আরও পড়ুন
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
আজ প্রিয়জনকে গোলাপ দেওয়ার দিন