ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

ঈদের কেনাকাটায় শপিং লিস্ট করার যে সুবিধা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ঈদের আগে শপিংমলগুলোতে পা রাখলেই সবার আগে চোখে পড়বে নতুন ডিজাইন, রঙ আর অফারের। পরিকল্পনা অনুযায়ী কেনাকাটা করা এখন অনেকটাই কঠিন ব্যাপার। অনেক ক্ষেত্রে বাড়ি এসে টের পাওয়া যায় যে- বাজেট ছাড়িয়েছে, অথচ প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস হয়তো এখনও কেনাই হয়নি। এই চক্র থেকে বের হতে ছোট্ট একটি অভ্যাসই যথেষ্ট, আর তা হলো শপিং লিস্ট।

ভোক্তা আচরণ নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে, উৎসবের সময় ইমপালসিভ ও আবেগী কেনাকাটা বেড়ে যায়। কারণ, আবেগ ও তাৎক্ষণিক আকর্ষণ অনেক সময় পরিকল্পিত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। তাই আগে থেকে পরিকল্পনা করলে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমে এবং কেনাকাটার সন্তুষ্টি বাড়ে।

আরও পড়ুন

ঈদের পোশাক কেনার ক্ষেত্রে শপিং লিস্ট এর প্রয়োজনীয়তা--

বাজেট নিয়ন্ত্রণে থাকে

ঈদের সময় পোশাকের পাশাপাশি জুতা, ব্যাগ, গয়না - সবকিছুরই চাহিদা থাকে। তাই কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করবেন সেটা আগে থেকে ঠিক করে নিলে অতিরিক্ত খরচের ঝুঁকি কমে। তালিকায় অগ্রাধিকার নির্ধারণ করলে প্রলোভনে পড়ে বাজেট ভাঙার সম্ভাবনা কম থাকে।

প্রয়োজনীয় জিনিস বাদ পড়ে না

অনেক সময় মূল পোশাক কিনে ফেললেও প্রয়োজনীয় অ্যাকসেসরিজ বা টেইলরিংয়ের বিষয়টি আমরা ভুলে যাই। লিস্টে আলাদা করে লিখে রাখলে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ যায় না।

সময় ও শক্তি বাঁচে

ঈদের আগে মার্কেটের ভিড় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। কী কিনবেন তা স্পষ্ট থাকলে অযথা দোকান ঘোরা কম হয়। এতে শারীরিক ক্লান্তিও কমে, বিশেষ করে রোজার সময়।

মিলিয়ে কেনা সহজ হয়

কোন রঙের সঙ্গে কী মানাবে, আগে থেকে ভাবলে দোকানে গিয়ে বিভ্রান্তি কম হয়। ফোনে আগের পোশাকের ছবি রেখে লিস্টের সঙ্গে মিলিয়ে নিলে অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি এড়ানো যায়।

মানসিক স্বস্তি বাড়ে

অনেক বিকল্পের ভিড়ে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে ক্লান্তি আসে। আচরণগত অর্থনীতি বলছে, বেশি সিদ্ধান্ত মানেই বেশি মানসিক চাপ। লিস্ট থাকলে সিদ্ধান্ত দ্রুত হয়, অস্থিরতা কমে।

ঈদের আনন্দ সবার ক্ষেত্রেই হওয়া উচিৎ পরিকল্পিত। তাই ঈদে হুটহাট কেনাকাটা নয়, সচেতন সিদ্ধান্তই দিতে পারে আর্থিক স্বস্তি ও মানসিক শান্তি।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
আজ চকলেট দিবস
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ চকলেট দিবস
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
বছরের পর বছর ধরে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে। ধূমপায়ীরা একথা শুনে থাকেন যে এর জন্য সিগারেটই দায়ী। 
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
আরও পড়ুন
২০২৭ সালের রমজান ও দুই ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
শপিং মল-মার্কেট-দোকানপাট বন্ধের সময়ে ফের পরিবর্তন
আজ থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকানপাট-শপিং মল
শপিংমল-মার্কেট-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত