ঝিনাইদহ-২ আসনের জাতীয় পর্যায়ের তরুণ নেতা রাশেদ খান। যিনি গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তার নির্বাচনি হলফনামায় ব্যক্তিগত গাড়ি, বাড়ি বা জমি নেই বলে উল্লেখ করেছেন।
হলফনামায় তিনি নিজের পেশা হিসেবে রাজনীতি ও ব্যবসা এবং স্ত্রী গৃহিণী উল্লেখ করেছেন।
সম্পদের বিবরণ অনুযায়ী, নগদ অর্থ রয়েছে ৩৫ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭৫ টাকা। স্ত্রী রাবেয়া আক্তার আলোর কাছে নগদ ৩০ হাজার টাকা। দুটি বেসরকারি ব্যাংকের ঝিনাইদহ ও ঢাকার শাখায় তার ব্যক্তিগত হিসাবেও ৭,৫৮২ টাকা জমা রয়েছে।
তিনি ৩০ ভরি সোনা এবং স্ত্রীর নামে ১০ ভরি সোনা আছে, যা উপহার হিসেবে পেয়েছেন। সোনার বর্তমান মূল্য প্রায় ৮১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। স্ত্রীর নামে সোনা, ইলেকট্রনিক পণ্য, আসবাবপত্র ও উপহারের আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
তবে তার নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি, বাড়ি, জমি, গাড়ি বা প্লট নেই। স্ত্রীর নামেও এসব সম্পত্তি নেই।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার আয় ৪.৫ লাখ টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৮ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৫ টাকা দেখানো হয়েছে। শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র বা বিদেশি সম্পদ তার নামে নেই।
সুতরাং, রাশেদ খানের সম্পদের বেশিরভাগই নগদ অর্থ ও সোনা, ব্যক্তিগত স্থাবর সম্পত্তি নেই।
আরটিভি/এসকে



