ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ছবি-ভিডিও দিয়ে ফের বিস্ফোরক অভিযোগ আবু ত্বহার স্ত্রীর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:৩৩ পিএম
ফাইল ছবি

এয়ার হোস্টেস জারিন জাবিনের সঙ্গে আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনানের সম্পর্কের অভিযোগের পর এবার তাদের ছবি প্রকাশ করেছেন আবু ত্বহা আদনানের দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন নাহার।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে অভিযোগের বিষয়ে কথা বলেন তিনি। ওই পোস্টে আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে জারিন জাবিনের ছবিও প্রকাশ করেন তিনি।

পোস্টে সাবিকুন নাহার লিখেছেন, ভক্তগণ যে আমাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে আমার অতীত জীবনের ছেড়ে আসা ভুল, অন্যায়, কলঙ্ক যা-ই বলি না কেন সামনে এনে একজন বর্তমান অপরাধীকে নিষ্কলুষ বানাচ্ছেন— এটা কি আহকামুল হাকিমিনের কাঠগড়ায় আদৌ মার্জনীয়? আপনারা তো আমার অতীতের অপবিত্রতা দ্বারা তার বর্তমান অপবিত্রতা ঢাকতে চাচ্ছেন মাত্র। তবে সত্যের প্রভাব তো দুর্দমনীয়, ওপরে যা-ই বলা হোক না কেন। ভক্তরা বলছেন, ৩-৪ আরও বিয়ে করবে সমস্যা কোথায়? আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন— কত মেয়ের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন। পিক নেবেন, একান্তে বসবেন, প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের নামে ইন্টারভিউ নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করবেন, কত মেয়ের সঙ্গে আর কত বছর? অতঃপর ছুলাছা রুবায়ার দাবি থেকে এ যোগাযোগ, অনুভূতির আদান-প্রদান হালাল থেকে হারাম হবে? কত বছর পর? কত মেয়ের সঙ্গে সময় কাটানোর পর।

তিনি বলেন, দুই বছর আগে রংপুরের এক মেয়ের সঙ্গে অনেক দিন হোয়াটসঅ্যাপে কানেক্ট থেকে আমার বেবির দেখাশোনার নাম করে মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলা, পিক নেওয়া, অতঃপর আমাকে প্রেসার দেওয়া- এ মেয়েকে আসার সময় বাসায় নিয়ে আসবে সে তার সঙ্গে। আমার বেবি দেখাশোনা করবে এ অজুহাতে আমাকে পাগল করা। তার বিশ্বস্ত ইয়ামিন জানে না? আমি কি ওদের প্রমাণ দিইনি? মেয়েটার পিক চেয়ে নিল, তার প্রশংসা করল নিজ চোখে দেখলাম এবং আবার বিয়ে করতে কেমন পাত্র চায় জিজ্ঞেস করল, এরপরও অনেক দিন এ মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখল। ইয়ামিন নিজ মুখে বলেছে, আপু মেয়েটাকে সরাইছি, ভাই আমার ওপর নারাজ। এর ভেতরেও আছে কত কথা- কয়টা লিখব।

তিনি আরও বলেন, এর পরপরই শুরু করল আরেক মেয়ে নিয়ে। মেয়ের মা ক্যানসারে আক্রান্ত রোগী, তার মায়ের জন্য টাকা উঠায় আর এ সুবাদে মেয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ। তবে এখানে ঐ মেয়েটার ইনটেনশন খারাপ ছিল না- তবে আদনান জনাবের উদ্দেশ্য ছিল মেয়েটা অবিবাহিত, অল্প বয়স কোনোভাবে তাকে বাগে আনা যায় কিনা। মেয়েটাকে নিজ দায়িত্বে ঢাকায় আনা, সব খরচ বহন করা, আমাকে কোনো একসেস না দেওয়া, আমি চেয়েছিলাম ওকে যদি হেল্পই উদ্দেশ্য হয় তবে মেয়েদের আমাকে ডিল করতে দাও, কিন্তু না সে এ মেয়ের সঙ্গে কত কত মাস যোগাযোগ রেখেছে। সে কি আস্ফালন ছিল, এ মেয়েকে পাওয়ার পর তার কতটুকু লিখে বোঝানো যায়!

আরও পড়ুন

তৃতীয় আরেকটি মেয়ে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারপর আবার আরেক মেয়েকে মাদ্রাসা করে দেওয়া সঙ্গত কারণেই এ মেয়ের ডিটেইলস বললাম না স্থানও না। কারণ মেয়েটার বিয়ে হয়ে গিয়েছে জানি। এদের সবার সঙ্গে তার হালাল সম্পর্ক! ওকে মেনেও যদি নিই তবুও কি তার এভাবে মেয়েদের সঙ্গে নানা ইস্যু ক্রিয়েট করে জুড়ে থাকা উচিত? যেখানে সে নিজেই বলে তার নারী সংক্রান্ত সমস্যা আছে, মাহরাম দেখলেও প্রবলেম হয়।

তিনি বলেন, রাস্তায় মেয়ে দেখলে আমি পাশে থাকা সত্ত্বেও সুবহানাল্লাহ, মাশাল্লাহ বলা ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকা তার এ ক্যারেক্টারের কথা কে না জানে। কিন্তু কেউ বলবে না। তার নজর হেফাজত না করার কারণে সে ধ্বংস হয়েছে। আমি আমার পরিবার, আমার গোছানো সংসার, আমার দুটো বেবি ছন্নছাড়া আজ। আমি তার জন্য কী করিনি! ৫ বছরের সংসার জীবনে আজও তাকে আমি নতুন বরের মতো ট্রিট করি, সাজাই, এতকিছুর পরও সব ঠিক হয়ে যাওয়ার আশায় রঙিন রেখেছিলাম। তার কেন কারও প্রেম লাগবে, প্রেমিকা লাগবে! সে মানুষকে বলে আমি তাকে কষ্ট দিয়েছি- এর উত্তর কি জানেন! যে পুরুষের চোখে নতুন নারীর লিপ্সা তার জন্য নিজ স্ত্রীর অগাধ ভালোবাসাই যন্ত্রণা।

সাবিকুন নাহার বলেন, পাশে থাকতে চাওয়াই যন্ত্রণা, কাছে থাকাই যন্ত্রণা। পরে আরেক মেয়ে আমার মাদ্রাসায় নার্সারির বাচ্চাদের পড়ায় আবার আমার বাসায়ও কাজ করে সে মেয়েকে টাকা-হাদিয়া দেয়, কিছু লাগলে তাকে বলতে বলে- তার নম্বর দেয়। তারপর থেকে শুরু হয় এ মেয়ের সঙ্গে। মেয়ে কাজে আসলে তার অস্থিরতা শুরু হয়ে যায়। আমি কিছুটা গেস করি কিন্তু বাদ দিই। অতঃপর একদিন আমার সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ায় আমাকে আদনান সাহেব থ্রেট দেয় ‘এমন কিছু করব যা কল্পনাও করতে পারবা না’। আমি কিছুটা সন্দেহ করি। তারপর তার ফোনে দেখি এ কাজের মেয়ের সঙ্গে ১৮ মিনিট কথা, এ মেয়ের আবার সেকি অভিমান ভরা মেসেজ; যেখানে লেখা- আমি আপনার ওপর রাগ আছি।

অনলাইনে এসব বলার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি কেন এ প্ল্যাটফর্মে এগুলো বললাম? কিছুদিন আগে এক স্টুডেন্ট তার নামে অভিযোগ এনেছিল- হাদিয়া দেওয়ার ব্যপারে গড়িমসি নিয়ে, সে বোন কেন এনেছিল এটা একমাত্র ভুক্তভোগীই জানেন। সে অনেক মাস ধরে তাদের দারস্থ হচ্ছিলেন, সমাধান হয়নি। এখানে বলা মাত্রই তাদের টনক নড়ে, তারা অনলাইনের মানুষ অনলাইনেই কেবল পাওয়া যায়। তেমনই আমি দুই বছর ধরে সমাধানে আসতে চাচ্ছি আমাকে সাহায্য করা হয়নি, বসা হয়নি। কথা বলতেও সুযোগ দেয়নি, বড়রা ডাকলেও যায়নি। এবার ইনশাআল্লাহ সমাধান হবে।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মৃত্যুর পর আপনার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের কী হবে?
আধুনিক জীবনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন আর কেবল বন্ধু বা স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার জায়গা নয়; বরং ব্যক্তিগত ও পেশাগত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক লেনদেনের বার্তা এবং সংবেদনশীল আলোচনা এখন এসব প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষিত থাকে। এই বাস্তবতায় একজন ব্যবহারকারীর মৃত্যুর পর তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে—তা নিয়ে বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, মৃত্যুর পর কোনো অ্যাকাউন্ট দীর্ঘদিন অরক্ষিত বা নিষ্ক্রিয় থাকলে তা হ্যাকিং কিংবা তথ্যের অপব্যবহারের বড় শিকারে পরিণত হতে পারে। এ কারণে জীবিত অবস্থাতেই নিজের ডিজিটাল উত্তরাধিকার নির্ধারণ করা কিংবা মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের ভিন্ন ভিন্ন নীতিমালা মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপনা বা মুছে ফেলার জন্য কোনো একক আন্তর্জাতিক নিয়ম নেই। জনপ্রিয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা নীতি অনুযায়ী এই বিষয়গুলো পরিচালনা করে। যেমন—গুগল সম্প্রতি জানিয়েছে, নির্দিষ্ট সময় (যেমন দুই বছর) কোনো অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় থাকলে তারা সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেবে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে স্বজনেরা যথাযথ প্রমাণ দিয়ে আগেই অ্যাকাউন্ট বন্ধের অনুরোধ করতে পারেন। ফেসবুকের মেমোরিয়ালাইজেশন ব্যবস্থা ফেসবুক তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য ‘মেমোরিয়ালাইজেশন’ নামক একটি বিশেষ ফিচার রেখেছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী জীবিত থাকাবস্থায় তার সেটিংস থেকে একজন ‘লেগাসি কন্টাক্ট’ বা বিশ্বস্ত প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেন। ব্যবহারকারীর মৃত্যুর পর সেই প্রতিনিধি প্রোফাইলটি স্মারক হিসেবে সংরক্ষণ বা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এছাড়া স্বজনেরা মৃত্যুসনদ জমা দিলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সেই অ্যাকাউন্টটি সম্পূর্ণ মুছে ফেলার সুবিধাও দিয়ে থাকে। এক্স ও ইনস্টাগ্রামের প্রক্রিয়া ইলন মাস্কের মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্ম ‘এক্সে’ মেমোরিয়ালাইজড করার সরাসরি কোনো বিকল্প নেই। তবে মৃত ব্যক্তির নিকটাত্মীয়রা প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র ও মৃত্যুসনদ জমা দিলে কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টটি ডিলিট করে দেয়। আরও পড়ুন ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে সারাবছর উদ্বেগে ছিল তরুণরা অন্যদিকে, ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট মেমোরিয়ালাইজড করা অথবা স্থায়ীভাবে ডিলিট করার—উভয় সুযোগই রয়েছে। এ জন্য ইনস্টাগ্রামের নির্দিষ্ট ডিজিটাল ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় প্রমাণসহ জমা দিতে হয়। সতর্কতাই একমাত্র সমাধান ডিজিটাল নিরাপত্তার এই যুগে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, প্রতিটি ব্যবহারকারীর উচিত তাদের সোশ্যাল মিডিয়া ও ক্লাউড স্টোরেজের অ্যাক্সেস বা উত্তরাধিকার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আগেভাগেই নিয়ে রাখা। এতে একদিকে যেমন ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা পায়, তেমনি মৃত্যুর পর প্রিয়জনের অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানি বা আইনি জটিলতা থেকেও রক্ষা পাওয়া সম্ভব। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় আরও কঠোর হচ্ছে, তাই ব্যবহারকারীদেরও উচিত তাদের ‘ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট’ নিয়ে সচেতন হওয়া। শেষ পর্যন্ত সচেতন ব্যবহার ও সঠিক পদক্ষেপই পারে মৃত্যুর পরেও আপনার ডিজিটাল সম্পদকে সুরক্ষিত রাখতে। সূত্র: ডেইলি মেইল আরটিভি/এএইচ
মৃত্যুর পর আপনার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের কী হবে?
যেদিন আওয়ামী লীগের মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া
সবাইকে কাঁদিয়ে গত ৩০ ডিসেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। জাতীয়তাবাদের আদর্শের এই মহীয়সী নারী দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে গণতন্ত্র ও দেশ গঠনে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু ছবি নতুন করে ভেসে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো আওয়ামী লীগের মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বিএনপির আইসিটি বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানান।   ছবিটি যুক্ত করে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, এই ছবির ইতিহাস নিশ্চয়ই সবাই ভুলে গেছেন। এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান আরও লিখেছেন, এরশাদের স্বৈরশাসনকালে ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন সরকারি হিসেবে ৯ জন, বেসরকারি হিসেবে ২৪ জন আর আওয়ামী লীগের ওয়েব পেজের হিসেবে ৮০ জন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই হামলাকে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই চালানো হয়েছিলো বলে বর্ণনা করা হয়। আরও পড়ুন যে সংসদে ফিরিয়েছিলেন প্রাণ, সেখানেই ফিরলেন নিথর দেহে তিনি লিখেছেন, এই হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় শহীদ মিনারে আওয়ামী লীগ ও তৎকালীন ৮ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ২৬ জানুয়ারি একটি বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছিলো। রহস্যজনকভাবে সেই সমাবেশে শেখ হাসিনা যোগ দেন নাই, কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই সমাবেশে যোগ দেন। তিনি স্বৈরাচারী এরশাদ কর্তৃক শেখ হাসিনার গাড়িবহরে পুলিশের গুলি এবং গণহত্যার প্রতিবাদে ওই সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলেরও নেতৃত্বও দিয়েছিলেন।  সবশেষে বিএনপির আইসিটি বিষয়ক এই সম্পাদক লিখেছেন, এটি সেই মিছিলের ছবি। Posted by Facebook on Date: আরটিভি/আইএম
যেদিন আওয়ামী লীগের মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া
খালেদা জিয়া যে জন্য লড়াই করেছেন, জীবদ্দশায় তার ফল দেখে গেছেন: ফারুকী
বিএনপি চেয়ারপাসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারাদেশে চলছে শোকের মাতম। এই শোকের মাঝেও আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীনতা। এই প্রেক্ষাপটে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আবেগঘন অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় নিজের ফেসবুক ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন ফারুকী।  দীর্ঘদিন ধরে দেশের একটি মহল শহিদ জিয়াউর রহমানের পরিবার ও বিএনপির রাজনীতিকে সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে কোণঠাসা করার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে উল্লেখ করে তিনি লিখেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশাল পরিবর্তন হয়েছে। জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতিকে বছরের পর বছর যারা সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মহলের যোগসাজশে অবজ্ঞা করতে চেয়েছিলেন, তারাই আজকে জিয়া-খালেদা জিয়ার বাংলাদেশপন্থি রাজনীতিকে উদযাপন করছেন। এ থেকে বোঝা যায়, দেরিতে হলেও তারা বুঝতে পেরেছেন- সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশ প্রথম নীতিকে অগ্রাহ্য করার আর সুযোগ নেই। ফারুকী লিখেন, অন‍্য কোনো প্রশ্নের ঢাল দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন আড়াল করা যাবে না, বাংলাদেশের জন‍্য চব্বিশের এটাই শ্রেষ্ঠ উপহার। আনন্দের বিষয় এই যে, বেগম খালেদা জিয়া গ্রেসফুলি এবং দৃঢ়তার সঙ্গে দীর্ঘদিন যে বিষয়ে লড়াই করেছেন, জীবদ্দশায় তার ফল দেখে গেছেন। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজার উদ্দেশে স্ক্র্যাচে ভর দিয়ে সাভার থেকে এলেন তরিকুল সবশেষে উপদেষ্টা লিখেছেন, তিনি (বেগম খালেদা জিয়া) যে আজকে এ রকম সম্মানের বিদায় নিয়ে যাচ্ছেন, তার পেছনে অনেক কারণের একটা দেশের প্রশ্নে তার অনমনীয় অবস্থান। এই একই কারণেই এই প্রজন্মের কাছে তিনি এতটা রিলেভেন্ট। প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বেগম খালেদা জিয়ার। গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসের সংক্রমণ থেকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। এরপর দেখা দেয় নিউমোনিয়া, সঙ্গে কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের পুরনো সমস্যা। হাসপাতালে ভর্তির পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) নেওয়া হয় তাকে।  ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্ম নেয়া এই নেত্রী ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল অধ্যায়ের নাম। আরটিভি/এসএইচএম 
খালেদা জিয়া যে জন্য লড়াই করেছেন, জীবদ্দশায় তার ফল দেখে গেছেন: ফারুকী
তারেক রহমানকে নিয়ে আমিনুল হকের আবেগঘন পোস্ট
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই পোস্ট দেন তিনি। আরটিভির পাঠকদের জন্য আমিনুল হকের পোস্টটি নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হল- বয়স যখন তার ছয়, তখন ছিলেন মায়ের সাথে ঢাকায় গৃহবন্দী। প্রথমে মৃত্যু থেকে পালাতে ছুটোছুটি, এরপর তাদের কব্জায় পড়লে যেকোনো সময় তাদের মেরে ফেলা হতে পারে ভয়ে কেটেছে মুক্তিযুদ্ধের নয়টা মাস। বয়স যখন তার এগারো, আবারো হলেন গৃহবন্দী। সিপাহি জনতার বিদ্রোহের তিনদিন। এবার বাবা-মায়ের সাথে। তিনদিনের সেই ভয়াল সময়ে দিন গুনছিলেন কখন পুরো পরিবার সহ তাদের জীবনাবসান ঘটবে। বয়স যখন পনেরো। হারালেন তার বাবাকে। হয়ে গেলেন এতিম। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। বয়স যখন তার কুড়ি পার হচ্ছে। বারবার নিজের চোখের সামনে দেখছিলেন দুই ভাইকে রেখে কিভাবে তার মা রাজপথে আর জেলখানায় কাটিয়ে দিচ্ছে লড়তে লড়তে। বয়স চল্লিশ পার হলো তখন। এবার দেখলেন আরো কঠিন অবস্থা। নিজের ভাই, মা সহ পুরো ফ্যামিলি কারারুদ্ধ। নিজের মাজার হাড় ভেঙে দিয়েছে। ভাইকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঢেলে দিচ্ছে। ওদিকে মা কেও জেলে বন্দি করে রাখছে। জেল থেকে বের হয়ে নিজে গেলেন লন্ডন, ভাই গেলো মালয়েশিয়া। নিজে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হলেন কিন্তু ভাই হলো না। বাবা ছাড়া ফ্যামিলিতে ছোটো ভাইবোনদের বাবা হিসেবে গণ্য করা হয় 'বড় ভাই' কে। কিন্তু ছোটো ভাইয়ের মৃত্যু হলো। জানাজা হলো। দাফন হলো। শুধু দূর থেকে দেখা ছাড়া কিছুই করতে পারলেন না। বয়স তার যখন পঞ্চাশ হলো। বৃদ্ধ, অসুস্থ মা কে দেখলেন পরিত্যক্ত এক ভুতুরে কারাগারে যেতে। যেখানে একমাত্র বন্দি হিসেবে ছিলো তার মা। কাটিয়েছেন দিনের পর দিন। মৃত্যুর সাথে লড়েছেন। এরপর মা বের হলো। কিন্তু তাকে নিতে দিলো না বেঁচে থাকা একমাত্র সন্তানের কাছে। তার বয়স ষাটোর্ধ হবে হবে তখন আসলো আল্লাহর রহমত। জুলাই আসলো। সময়ের পরিক্রমায় তাকে নিয়ে গেলেন বড় ছেলে, একসাথে কিছুদিন কাটালেন। এরপর দেশে পাঠালেন। এখন নিজেও আসলেন, কিন্তু আসার এক সপ্তাহ না হতেই বিদায় নিলেন তার মমতাময়ী মা। বাবা গেলো, ছোটো ভাই গেলো, এখন গেলো মা ও...  এই দুনিয়ার তার আপন বলতে আর কেউ রইলো না। জীবন তারেক রহমানকে কি দিয়েছে? যা দিয়েছে তারচেয়ে হাজার গুণ বেশি নিয়েছে। হাজার সহস্র বেশি গুণ... আমিনুল হকের পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন আরটিভি/কেএইচ
তারেক রহমানকে নিয়ে আমিনুল হকের আবেগঘন পোস্ট
এবার এনসিপির মাহমুদা মিতুকে হত্যার হুমকি
ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহমুদা আলম মিতুকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ হুমকির বিষয় জনসমক্ষে আনেন। ফেসবুক পোস্টে ডা. মাহমুদা মিতু জানান, একটি নির্দিষ্ট নম্বর থেকে তাকে নিয়মিত হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হুমকিদাতারা তাকে পুড়িয়ে বা কুপিয়ে মারার মতো ভয়ংকর ভাষা ব্যবহার করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। দীর্ঘদিন বিষয়টি প্রকাশ না করলেও সম্প্রতি রাজনৈতিক জোট গঠন ও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানার পর তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চরিত্র হননের অপচেষ্টা শুরু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, জোটের খবর প্রকাশের পর একটি মহল উদ্ভট ও বানোয়াট গল্প ছড়িয়ে দিচ্ছে। ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও, সম্পাদিত ছবি কিংবা মানহানিকর কনটেন্ট ছড়ানোর আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তবে এসব হুমকিতে তিনি ভয়ভীত নন বলে জানিয়ে সমর্থকদের বিচলিত না হওয়ার আহ্বান জানান এবং সবার কাছে দোয়া কামনা করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের আগে একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে এ ধরনের হুমকি গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে ডা. মাহমুদা আলম মিতু গণমাধ্যমকে বলেন, এ ধরনের হুমকি নতুন নয়, আগেও পেয়েছি। তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেছি। খুব শিগগির অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার কথা ভাবছি। আরও পড়ুন খালেদা জিয়া অমর হয়ে থাকবেন আপসহীনতার উপমা হিসেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/কেআই
এবার এনসিপির মাহমুদা মিতুকে হত্যার হুমকি
আরও পড়ুন
ঢাকা-দিল্লির বর্তমান সম্পকর্কে যেভাবে দেখছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম
অন্য নারীর ছবিতে ‘লাইক’ দেওয়া বৈবাহিক বিশ্বাসভঙ্গের শামিল
বুদ্ধিমানেরা কেন সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হন
মা-বাবার মৃত্যুর পর কেন ভাইবোনদের দূরত্ব বাড়ে