ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

‘মাটিখেকো’দের থাবায় বিলীন হচ্ছে একের পর এক পাহাড় 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ‘মাটিখেকো’দের স্কেভেটরের থাবায় বিলীন হয়ে যাচ্ছে একের পর এক পাহাড়। প্রশাসন অভিযান চালিয়ে মামলা ও জরিমানা করেও তাদের রুখতে পারছে না।

স্থানীয়দের দাবি, গত ২-৩ মাসে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত আটটি পাহাড় কেটে সাবাড় করা হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) পাহাড় কাটায় ব্যবহৃত দুটি স্কেভেটর জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

স্থানীয়রা জানান, এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খাস কিংবা বন্দোবস্তপ্রাপ্ত পাহাড়-টিলা থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছেন। নতুন বসতবাড়ি নির্মাণ ও নিচু জমি ভরাটের জন্য এসব মাটি ব্যবহার করা হয়। আগে পাহাড় কাটার কাজে কোদাল বা শাবল ব্যবহার হলেও বর্তমানে স্কেভেটর ও পেলোডার ব্যবহার করছে মাটিখেকোরা।

জানা গেছে, রোববার উপজেলার কালাপানি মৌজার যোগ্যছোলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খাড়িছড়া মাস্টারপাড়ায় পাহাড় কাটার সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা তাহিরার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে দুটি শক্তিশালী স্কেভেটর আটক করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা তাহিরা গণমাধ্যমকে জানান, প্রায় ১৫ একর টিলাভূমির চারটি পাহাড় কেটে সেখানে রাস্তা ও লেক তৈরির কাজ চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হলে জড়িতরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুটি স্কেভেটর জব্দ করা হয়।

আরও পড়ুন

তিনি আরও জানান, পাহাড়গুলো সরকারি খাস খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত। মো. মনির হোসেন নামে এক ব্যক্তি পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরিবেশ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

তিনি বলেন, এ পার্বত্য অঞ্চলের সৌন্দর্য ও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ পাহাড়-টিলা। দুঃখজনকভাবে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি এগুলো ধ্বংসে লিপ্ত। অভিযান ও জরিমানা করেও তাদের দমন করা যাচ্ছে না। দুর্গম ও নির্জন এলাকা হওয়ায় নিয়মিত অভিযান চালানোও কঠিন।

পাহাড়, মাটি ও বালু রক্ষায় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু প্রশাসনের পক্ষে এসব রোধ করা সম্ভব নয়।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রতি মঙ্গলবার বিনামূল্যে সিজারিয়ান অপারেশন হয় এই হাসপাতালে 
কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতি মঙ্গলবার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সিজারিয়ান অপারেশন করা হবে। দুই বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আজ থেকে পুনরায় এই হাসপাতালে সিজারিয়ান (সিজার) অপারেশন কার্যক্রম চালু হলো।
প্রতি মঙ্গলবার বিনামূল্যে সিজারিয়ান অপারেশন হয় এই হাসপাতালে 
এবারও হচ্ছে না সুন্দরবনের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী রাসমেলা
২০২১ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে সুন্দরবনের শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী রাসমেলা। দুবলার চরে এবারও হচ্ছে না এই মেলা। তবে রাসপূর্ণিমা উপলক্ষে ২২ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী দুবলারচরে শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণে ঐতিহ্যবাহী রাসপূর্ণিমা পূজা ও পুণ্যস্নান অনুষ্ঠিত হবে।  পুর্ণ্যস্নানে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য দর্শনার্থী ও তীর্থযাত্রীদের জন্য সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ নির্ধারিত আগের ৫টি রূট থাকছে। এসব পথে বন বিভাগ, পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের টহল দল তীর্থযাত্রী ও দর্শনার্থীদের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।  সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘রাসমেলা এবারও হচ্ছে না। রাসপূর্ণিমা পূজা ও পূর্ণ স্নান উপলক্ষে দুবলার চরে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বন বিভাগের রুট পারমিট পাবেন। সে ক্ষেত্রে নির্ধারিত রুট ব্যবহার করতে হবে। বন বিভাগের নির্দেশনা মানতে হবে।  জানা গেছে, পূজা ও পুর্ণ্যস্নানে আগত তীর্থযাত্রীরা বিভিন্ন নদী পথে লঞ্চ, ট্রলার, স্পীডবোট ও দেশি নৌকাযোগে গমন করে থাকেন। এক্ষেত্রে ৫টি রুট হলো- বুড়িগোয়ালিনী, কোবাদক থেকে বাটুলানদী-বলনদী-পাটকোষ্টা খাল হয়ে হংসরাজ নদী হয়ে দুবলার চর। কয়রা, কাশিয়াবাদ, খাসিটানা, বজবজা হয়ে আড়–য়া শিবসা-শিবসা নদী-মরজাত হয়ে দুবলার চর।  নলিয়ান স্টেশন হয়ে শিবসা-মরজাত নদী হয়ে দুবলার চর। ঢাংমারী অথবা চাঁদপাই স্টেশন-তিনকোনা দ্বীপ হয়ে দুবলার চর এবং বগী-বলেশ্বর-সুপতি স্টেশন-কচিখালী-শেলার চর হয়ে দুবলার চর।  পুর্ণ্যস্নানে অংশ নিতে দর্শনার্থী ও তীর্থযাত্রীদের ২২ থেকে ২৪ নভেম্বর-এ তিন দিনের জন্য অনুমতি প্রদান করা হবে এবং প্রবেশের সময় এন্ট্রি পয়েন্টে লঞ্চ, ট্রলার ও নৌকার প্রবেশ ফি, অবস্থান ফি এবং লোকের সংখ্যা অনুযায়ী বিধি মোতাবেক রাজস্ব আদায়পূর্বক পাস প্রদান করা হবে।  এছাড়া অনুমতি পেতে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপিসহ তীর্থযাত্রীদের আবেদন করতে হবে। প্রতিটি অনুমতিপত্রে সিল মেরে পথ/রুট উল্লেখ্য করা হবে এবং তীর্থযাত্রী ও দর্শনার্থীগণ পছন্দমত একটি রুট বা পথ ব্যবহার করবেন।  ২২ নভেম্বর দিনের ভাটায় যাত্রা আরম্ভ হবে। রাসপূর্ণিমা পুর্ণ্যস্নানে উদ্দেশ্যে নির্ধারিত নৌযান রুটে শুধু দিনের বেলায় চলাচল করতে পারবে। বন বিভাগের চেকিং পয়েন্ট ছাড়া কোথাও লঞ্চ, ট্রলার ও নৌকা থামানো যাবে না। ট্রলারে প্রয়োজনীয় সংখ্যক লাইভ জ্যাকেট বা বয়া সংরক্ষণ করতে হবে।  রাস পূর্ণিমায় আগত পুণ্যার্থীদের সুন্দরবনে প্রবেশের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট হতে প্রাপ্ত সনদপত্রের মূলকপি সঙ্গে রাখতে হবে।  সুন্দরবনের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ বলেন, ‘রাসমেলার প্রস্তুতি নিয়ে কেউ দুবলার চরে যেতে পারবে না। গত ৪ বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও কোন মেলার অনুমতি নেই। কেবল রাসপূজা ও স্নানের জন্য সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দুবলার চরে যাওয়ার অনুমতি পাবেন। তীর্থযাত্রীদের বন বিভাগের নিদের্শনা মেনে চলতে হবে।’   এ নির্দেশনা প্রতিপালনের জন্য দুবলার চরে যেতে আগ্রহী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, এবার ২২ নভেম্বর নির্ধারিত পয়েন্ট থেকে একযোগে বন বিভাগের নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরে থেকে যাত্রা শুরু হবে। আবার ২৪ নভেম্বর ফিরতি যাত্রাও বন বিভাগের নিরাপত্তা বেষ্টনীতে একযোগে হবে। কেউ আলাদাভাবে যাওয়া আসার সুযোগ পাবেন না। রাস পূজা উপলক্ষে হরিণ শিকার বন্ধে বনে টহল জোরদার করা হচ্ছে।  উল্লেখ্য, ১৯২৩ সালে সাধু হরিভজনের হাত ধরে শুরু হওয়া রাসমেলা এ অঞ্চলের প্রাচীনতম সাংস্কৃতিক উৎসব। এ সময়ে রাস পূর্ণিমার ভোরে বঙ্গোপসাগরের জলে স্নান করে ভক্তরা পাপ মোচন ও মঙ্গল কামনা করেন। ২০২১ সাল থেকে এখানে রাসমেলা বন্ধ রয়েছে। কেবল রাসপূজা ও পূর্ণস্নান কার্যক্রম চলে।  আরটিভি/এসআর  
এবারও হচ্ছে না সুন্দরবনের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী রাসমেলা
বরিশাল সিটি কপোরেশন এলাকায় তৈরি হচ্ছে ১৬ ফুটসাল মাঠ 
বর্তমান সরকারের ক্রীড়া উন্নয়ন ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অগ্রধিকার ভিত্তিতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সিটি কপোরেশন এলাকাগুলোতে ফুটসাল মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় খেলার মাঠ উন্নতিকরণ প্রকল্পের আওতায় বরিশাল নগরীতে তরুণ প্রজন্ম ও শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে ১৬ ফুটসাল মাঠ প্রস্তুতের তালিকা চূড়ান্ত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে বরিশাল সিটি কপোরেশন (বিসিসি)। 
বরিশাল সিটি কপোরেশন এলাকায় তৈরি হচ্ছে ১৬ ফুটসাল মাঠ 
দ্বিতীয় বিয়ের পর স্ত্রী-সন্তান ও বৃদ্ধ মাকে ঘরছাড়া করতে চান নিষিদ্ধ দলের নেতা
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ইব্রাহিম মোল্যার বিরুদ্ধে ১৪ বছর সংসার করার পর তার ধর্মান্তরিত স্ত্রী বৃষ্টি বিশ্বাসসহ দুই সন্তান ও বৃদ্ধ মাকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা এবং অন্য জায়গায় দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে।
দ্বিতীয় বিয়ের পর স্ত্রী-সন্তান ও বৃদ্ধ মাকে ঘরছাড়া করতে চান নিষিদ্ধ দলের নেতা
কারাগারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতার মৃত্যু
নওগাঁ জেলা কারা হেফাজতে থাকা অবস্থায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন নবাব (৫৮)। 
কারাগারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতার মৃত্যু
আরও পড়ুন
মেঘালয়ে ফেরার পথ বন্ধ, গারো পাহাড়ে ১৫০ বন্যহাতি নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
ঝিরিপথ পেরিয়ে চবির শহীদ মিনারে পাহাড়ি শাকসবজির বাজার
পাহাড়ে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্কে ২ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা অনুমোদন এডিবির
গারো পাহাড়ে মাদক কারবারিদের অভয়ারণ্য, সাংবাদিক ঢুকলেই হত্যার হুমকি