হালাল উপায়ে পশু কোরবানি ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মাংস কাটার জন্য তৈরি করা হয়েছে আধুনিক কসাইখানা। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এখানে প্রথমে পশুকে নিয়ন্ত্রণে এনে এরপর ধাপে ধাপে জবাই, রক্ত অপসারণ, মাংস আলাদা করা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ সম্পন্ন করা হবে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এতে যেমন পরিবেশ দূষণ কমবে, তেমনি কমবে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকিও।
বগুড়া শহরে দীর্ঘদিন ধরেই খোলা ও অপরিচ্ছন্ন স্থানে পশু জবাই এবং মাংস বিক্রির অভিযোগ ছিল। দুর্গন্ধ, রক্ত ও বর্জ্যের কারণে আশপাশের পরিবেশও নষ্ট হতো। একইসঙ্গে সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও থাকতো। এই সমস্যা কমাতে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে আধুনিক কসাইখানা। এখানে রয়েছে আলাদা জবাই জোন, বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত পানির সুবিধা এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মাংস সংরক্ষণের ব্যবস্থা। পশু জবাইয়ের আগে ও পরে থাকবে ভেটেরিনারি তদারকিও।
স্থানীয়দের মতে, শুধু ভবন তৈরি করলেই হবে না, এটি নিয়মিত তদারকি ও সঠিক ব্যবস্থাপনার আওতায় রাখতে হবে। পাশাপাশি শহরের সব কসাইকে এই কষাইখানা ব্যবহার নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরিকল্পিতভাবে পশু জবাই করলে বিভিন্ন জীবাণু ও রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। আধুনিক কসাইখানা চালু হলে পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সহজ হবে এবং সম্ভব হবে খাদ্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা।
স্বাস্থ্যসম্মত মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে আধুনিক কসাইখানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
স্থানীয়দের আশা, আধুনিক এই কসাইখানা শুধু শহরের পরিবেশই পরিষ্কার রাখবে না, মানুষের খাবারেও আনবে নিরাপত্তা ও স্বস্তি।
আরটিভি/এআর



