ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

১৫০ কেজি শস্যদানায় গড়া মেসি-ইয়ামালের মুখ!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম

আর মাত্র কিছু সময়ের অপেক্ষা। এরপরই বিশ্বকাপের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তের সাক্ষী হবে ফুটবল বিশ্ব। একদিকে ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। অন্যদিকে নতুন প্রজন্মের বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামাল। একজন হয়তো নিজের শেষ বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন পূরণের লড়াইয়ে, আর অন্যজন নিজের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়ার পথে। তবে ফাইনালের বাঁশি বাজার আগেই শস্যদানার ক্যানভাসে ফুটে উঠেছে মেসি ও ইয়ামালের প্রতি এক শিল্পীর ভালোবাসা।

ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ছোট্ট দেশ কসোভোতে ফুটবলের দুই মহাতারকার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তৈরি হয়েছে এই অনন্য শিল্পকর্ম। অবাক করার মতো বিষয় হলো, এই শিল্পকর্ম তৈরিতে তিনি ব্যবহার করেছেন প্রায় ১৫০ কেজি বিভিন্ন ধরনের শস্যদানা। ভুট্টা, গম, সূর্যমুখীর বীজের মতো উপাদানে ধীরে ধীরে ফুটিয়ে তুলেছেন মেসি ও ইয়ামালের মুখচ্ছবি।

অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এক একটি শস্যদানা সাজিয়ে তৈরি করেছেন এই শিল্পকর্ম। কখনো লিওনেল মেসির চোখের রেখা, কখনো লামিন ইয়ামালের মুখাবয়ব। ঘণ্টার পর ঘণ্টা শ্রম আর অসাধারণ ধৈর্যের সমন্বয়ে জীবন্ত হয়ে উঠেছে দুই ফুটবল তারকার প্রতিকৃতি। দূর থেকে দেখলে যেন মনে হয়, এগুলো কোনো আঁকা ছবি। কিন্তু কাছে গেলেই বোঝা যায়, প্রতিটি রেখা তৈরি হয়েছে অসংখ্য শস্যদানা দিয়ে।

আরও পড়ুন

আলকেন্ত পোজেগু জানান, বিভিন্ন ধরনের শস্যের পাশাপাশি কিছু ভুট্টা গুঁড়ো করেও ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে প্রতিকৃতির সূক্ষ্ম অংশগুলো আরও নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়।

আরও অবাক করা তথ্য হলো, তিনি কখনো কোনো আর্ট স্কুলে পড়াশোনা করেননি। তার ভাষায়, এই প্রতিভা তিনি পেয়েছেন ঈশ্বরের কাছ থেকে। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকেও উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন কারুশিল্পের এই অনন্য উপহার।

তবে একদিকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি, অন্যদিকে আগামী দিনের উজ্জ্বল নক্ষত্র লামিন ইয়ামাল। দুই প্রজন্মের দুই তারকাকে এক ফ্রেমে এনে শস্যদানার ক্যানভাসে যে ভালোবাসা ফুটিয়ে তুলেছেন এই শিল্পী, সেটি হয়তো বিশ্বকাপের আবেগকে আরও একবার নতুন করে মনে করিয়ে দেয়। ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি কোটি মানুষের ভালোবাসা, অনুভূতি ও শিল্পের অন্য নাম।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তেল নয়, এবার মদিনার মাটির নিচে মিলল মূল্যবান খনিজ
তেলের দেশ হিসেবেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত সৌদি আরব। কিন্তু এবার সেই সৌদির মাটির নিচে মিলেছে আরেক বিশাল সম্পদ। আর জায়গাটিও বেশ পরিচিত—পবিত্র দিনা অঞ্চল। সেখানে প্রায় ১১০ মিলিয়ন টন আকরিক সম্পদের সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটি। যার মধ্যে রয়েছে মূল্যবান বিরল মৃত্তিকা খনিজ, সঙ্গে ইউরেনিয়ামের আশাব্যঞ্জক উপস্থিতি। সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সালমান জানিয়েছেন, মদিনা অঞ্চলের জাবাল সাইদ প্রকল্পে অনুসন্ধান ও ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় এই খনিজ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সাধারণ সম্মেলনে তিনি জানান, এখানে উচ্চ ঘনত্বের বিরল মৃত্তিকা খনিজের পাশাপাশি রয়েছে আশাব্যঞ্জক মাত্রায় ইউরেনিয়াম। নামটা ‘বিরল মৃত্তিকা’ হলেও আধুনিক বিশ্বে এসব খনিজের গুরুত্ব অনেক। বৈদ্যুতিক গাড়ি, স্মার্টফোন, শক্তিশালী চুম্বক, বায়ু বিদ্যুৎ থেকে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি—বিভিন্ন ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় এসব উপাদানের। আর ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত হয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে। জাবাল সাইদে ডিসপ্রোসিয়াম ও টারবিয়ামের মতো প্রায় ৫ লাখ ৫২ হাজার টন ভারী বিরল মৃত্তিকা খনিজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিওডিমিয়াম ও প্রেসিওডিমিয়ামের মতো হালকা বিরল মৃত্তিকা খনিজের পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৫৫ হাজার টন। একই এলাকায় প্রায় ৩১ হাজার টন ইউরেনিয়ামের মজুত থাকার কথাও উঠে এসেছে বিশ্লেষণে। এই আবিষ্কার সামনে এলো এমন সময়ে, যখন তেলের বাইরেও অর্থনীতির নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে খনিজ সম্পদের দিকে নজর বাড়াচ্ছে সৌদি আরব। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি মা'আদেন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উত্তোলন ও প্রক্রিয়াকরণে বাড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতাও এগিয়েছে। সৌদি ও মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রীর মধ্যে হওয়া চুক্তি দীর্ঘমেয়াদি পারমাণবিক সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন জ্বালানি দপ্তর। তেল এতদিন সৌদি আরবের সম্পদের সবচেয়ে বড় পরিচয়। এবার মদিনার জাবাল সাইদের মাটির নিচে পাওয়া বিরল খনিজ ও ইউরেনিয়ামের সম্ভাবনা সেই পরিচয়ে যোগ করতে পারে নতুন এক অধ্যায়।  আরটিভি/ এসকেডি  
তেল নয়, এবার মদিনার মাটির নিচে মিলল মূল্যবান খনিজ
প্রায় ২শ’ বছর পরও দাঁড়িয়ে জমিদারদের মসজিদ-পুকুরঘাট
ভাঙা দেয়াল, খসে পড়া পলেস্তারা আর সময়ের ক্ষয়ে জীর্ণ হয়ে যাওয়া ভবন। দেখে এখন হয়তো বোঝার উপায় নেই, একসময় এখানেই ছিল জমিদারদের প্রভাব আর জৌলুশ। সেই সময় পেরিয়েছে বহু আগেই। তবে প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ, পুরোনো মসজিদ, বাঁধানো পুকুরঘাট আর পারিবারিক কবরস্থান এখনো ধরে রেখেছে সেই ইতিহাসের কিছু চিহ্ন। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরের রূপসা গ্রাম। এখানেই রয়েছে ঐতিহ্যবাহী রূপসা জমিদারবাড়ি। মূল প্রাসাদের অনেক অংশ এখন আর অক্ষত নেই। তবে টিকে থাকা বিভিন্ন স্থাপনা দেখতে এখনো এখানে আসেন দর্শনার্থীরা। জমিদারবাড়ির ইতিহাস নিয়েও রয়েছে আগ্রহ। ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের তথ্যে মোহাম্মদ গাজী ও তাঁর উত্তরসূরি আহমেদ গাজী চৌধুরীর নাম পাওয়া যায়। তবে স্থানীয় ইতিহাসভিত্তিক বিভিন্ন সূত্রে প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও নাম নিয়ে কিছুটা ভিন্ন তথ্যও রয়েছে। এখানকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পুরোনো মসজিদ। স্থানীয় সংবাদসূত্রে এটি ‘মসজিদে নূর’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সূত্রের দাবি, মসজিদটি প্রায় দুই শতাব্দীর পুরোনো এবং ১২৮৪ বঙ্গাব্দে জমিদার মোহাম্মদ গাজী চৌধুরী এটি নির্মাণ করেন।  মসজিদের পাশেই রয়েছে জমিদার পরিবারের কবরস্থান। পুরোনো কবর ও ফলকে এখনো পাওয়া যায় পরিবারের কয়েক প্রজন্মের স্মৃতি। কাছেই রয়েছে বাঁধানো পুকুরঘাট, যা জমিদারি আমলের জীবনযাত্রার আরেকটি চিহ্ন। সময়ের সঙ্গে রূপসা জমিদারবাড়ির অনেক স্থাপনাই ক্ষয়ে যাচ্ছে। কোথাও দেয়াল ভেঙেছে, কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো কাঠামোর চিহ্ন। ফলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তাও সামনে আসছে। জমিদার নেই, নেই সেই সময়ের জৌলুশও। পড়ে আছে শুধু কিছু ভবন, মসজিদ, পুকুরঘাট আর কবরস্থান। সময়ের সঙ্গে এগুলোও হারিয়ে গেলে হারিয়ে যাবে রূপসার ইতিহাসের দৃশ্যমান একটি অধ্যায়।  আরটিভি/ এসিকেডি  
প্রায় ২শ’ বছর পরও দাঁড়িয়ে জমিদারদের মসজিদ-পুকুরঘাট
নিজে ভূমিহীন হয়ে ১৩ বছর ধরে করছেন জমি নিয়েই গবেষণা!
নদী ভাঙ্গনে ভিটে-মাটি হারিয়ে থাকেন ভাড়া বাসায়, সেখানকার দেয়াল সাজিয়েছেন নিজের মতো করে, তবে পছন্দের কোন রঙ কিংবা পারিবারিক ছবিতে নয় পেপার কাটিং দিয়ে, যেখানে রয়েছে জমি নিয়ে খুন, সংঘর্ষ, জালিয়াতি ও বঞ্চনার হাজারো খবর। আর এসবের সমাধান খুঁজতেই সেলিম মিয়া গড়েছেন এই গবেষণাগার।
নিজে ভূমিহীন হয়ে ১৩ বছর ধরে করছেন জমি নিয়েই গবেষণা!
মোবাইলে দুই বছরের প্রেম, বিয়ে করতে চান দুই তরুণী!
২০২২ সালের আদমশুমারির রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে নারীদের তুলনায় কমেছে পুরুষের সংখ্যা... এখন যে ঘটনা বলতে যাচ্ছি সেটি কি ঐ সমীক্ষার ফল নাকি সামাজিক সচেতনতার অভাব? পরিচয় মোবাইলে, দূরত্ব প্রায় এক জেলা থেকে আরেক জেলা। তবুও দুই বছর ধরে চলেছে নিয়মিত যোগাযোগ। এখানেই শেষ নয়—তাদের দাবি, মোবাইল ফোনেই নাকি বিয়েও করেছেন তারা! যা ঘিরে এখন তোলপাড় দুই পরিবারের... কারণটা জানলে চোখ কপালে উঠতে পারে অনেকের....   ঘটনাটি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার টুপিপাড়া গ্রামের। জানা যায়, সামাজিক মাধ্যমে  প্রায় দুই বছর আগে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ওই তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় কিশোরীর। একপর্যায়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে মাদারীপুরে চলে যায় কিশোরী। পরে শ্রীপুর ও রাজৈর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। তবে এরপরও সম্প্রতি মাদারীপুরের ঐ তরুণী নিজেই অবস্থান নেন কিশোরীর বাড়িতে। এরপর তারা নিজেদের বিবাহিত বলে দাবি করলেও বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে কিশোরীর পরিবার। পরবর্তীতে আবারও পুলিশ ও ঐ তরুণীর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। দুই বছরের পরিচয় থেকে এক মেয়ে আরেক মেয়ের বাড়িতে ছুটে যাওয়ার ঘটনা এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রে। পরিবার বলছে, প্রশাসনের সহযোগিতায় বিষয়টির সমাধান চান তারা। আরটিভি/এআর 
মোবাইলে দুই বছরের প্রেম, বিয়ে করতে চান দুই তরুণী!
প্রতিবছর দুর্ঘটনা-প্রাণহানি, তবু থামে না যে উৎসব!
এই উৎসব, যেখানে আনন্দের সঙ্গে প্রতিবছরই ফিরে আসে দুর্ঘটনার খবর। এবারও মুম্বাইয়ের দহি হান্ডিতে প্রাণ গেছে ৭ বছরের এক শিশুর। আর মুম্বাইসহ আশপাশের এলাকায় আহত হয়েছেন অন্তত ২১২ জন।
প্রতিবছর দুর্ঘটনা-প্রাণহানি, তবু থামে না যে উৎসব!
আরও পড়ুন
মেসির শেষ ম্যাচ কবে, জানা গেল প্রতিপক্ষ
ব্যালন ডি’অর জিতবেন ইয়ামাল, দাবি হোর্হে মেন্দেজের
এমবাপের চেয়ে ব্যালন ডি’অর জয়ে আমি বেশি যোগ্য: ইয়ামাল
এস্পার্টের পর ইয়ামালের চমক, ২ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে বার্সেলোনা