ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

১৫০ কেজি শস্যদানায় গড়া মেসি-ইয়ামালের মুখ!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম

আর মাত্র কিছু সময়ের অপেক্ষা। এরপরই বিশ্বকাপের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তের সাক্ষী হবে ফুটবল বিশ্ব। একদিকে ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। অন্যদিকে নতুন প্রজন্মের বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামাল। একজন হয়তো নিজের শেষ বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন পূরণের লড়াইয়ে, আর অন্যজন নিজের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়ার পথে। তবে ফাইনালের বাঁশি বাজার আগেই শস্যদানার ক্যানভাসে ফুটে উঠেছে মেসি ও ইয়ামালের প্রতি এক শিল্পীর ভালোবাসা।

ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ছোট্ট দেশ কসোভোতে ফুটবলের দুই মহাতারকার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তৈরি হয়েছে এই অনন্য শিল্পকর্ম। অবাক করার মতো বিষয় হলো, এই শিল্পকর্ম তৈরিতে তিনি ব্যবহার করেছেন প্রায় ১৫০ কেজি বিভিন্ন ধরনের শস্যদানা। ভুট্টা, গম, সূর্যমুখীর বীজের মতো উপাদানে ধীরে ধীরে ফুটিয়ে তুলেছেন মেসি ও ইয়ামালের মুখচ্ছবি।

অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এক একটি শস্যদানা সাজিয়ে তৈরি করেছেন এই শিল্পকর্ম। কখনো লিওনেল মেসির চোখের রেখা, কখনো লামিন ইয়ামালের মুখাবয়ব। ঘণ্টার পর ঘণ্টা শ্রম আর অসাধারণ ধৈর্যের সমন্বয়ে জীবন্ত হয়ে উঠেছে দুই ফুটবল তারকার প্রতিকৃতি। দূর থেকে দেখলে যেন মনে হয়, এগুলো কোনো আঁকা ছবি। কিন্তু কাছে গেলেই বোঝা যায়, প্রতিটি রেখা তৈরি হয়েছে অসংখ্য শস্যদানা দিয়ে।

আরও পড়ুন

আলকেন্ত পোজেগু জানান, বিভিন্ন ধরনের শস্যের পাশাপাশি কিছু ভুট্টা গুঁড়ো করেও ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে প্রতিকৃতির সূক্ষ্ম অংশগুলো আরও নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়।

আরও অবাক করা তথ্য হলো, তিনি কখনো কোনো আর্ট স্কুলে পড়াশোনা করেননি। তার ভাষায়, এই প্রতিভা তিনি পেয়েছেন ঈশ্বরের কাছ থেকে। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকেও উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন কারুশিল্পের এই অনন্য উপহার।

তবে একদিকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি, অন্যদিকে আগামী দিনের উজ্জ্বল নক্ষত্র লামিন ইয়ামাল। দুই প্রজন্মের দুই তারকাকে এক ফ্রেমে এনে শস্যদানার ক্যানভাসে যে ভালোবাসা ফুটিয়ে তুলেছেন এই শিল্পী, সেটি হয়তো বিশ্বকাপের আবেগকে আরও একবার নতুন করে মনে করিয়ে দেয়। ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি কোটি মানুষের ভালোবাসা, অনুভূতি ও শিল্পের অন্য নাম।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত
দেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে জনসম্পৃক্ততার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ১৯৭৬ সালের এই দিনে যশোরের শার্শা উপজেলায় তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত
শব্দদূষণের নতুন ৪ উৎস শনাক্ত
পরিবেশ অধিদপ্তর শব্দদূষণের নতুন চারটি উৎস শনাক্ত করেছে। এসব উৎস থেকে অতিরিক্ত বা অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ সৃষ্টি হলে, তা মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
শব্দদূষণের নতুন ৪ উৎস শনাক্ত
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ আধ্যাত্মিক এই বাণীকে সামনে নিয়ে একতারা, দোতারা আর ঢোল বাশির সুরে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছে লালন ফকিরের ভবের হাট। 
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
দূর থেকে মনে হচ্ছে যেন সোনালি চাদরে মোড়ানো দেবী দুর্গা। কিন্তু একি কাছে যেতেই পুরো ভিন্ন চিত্র। এ কোনো আবরণ নয় প্রতিমার পুরো শরীরজুড়ে রয়েছে ছোট ছোট শস্যদানা, তাও আবার সেটি নাকি মানুষের নয় পরিচিত পাখির খাবার হিসেবেই। যা আবার ফলে বিদেশের মাটিতে। ব্যতিক্রমী এই প্রতিমা তৈরি করে নজির গড়েছেন নাটোরের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। 
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
আরও পড়ুন
যে কারণে মেসির বাম পা চান হ্যারি কেইন
একমাত্র মেসির ভোট পেয়ে যা বললেন মাজা
তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মেসির জয়সূচক গোল, জয়ে ফিরল মায়ামি
যে তালিকায় মেসি-রোনালদোকে পেছনে ফেললেন গিল