ভারতের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট সিরিজটি পিছিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দুই দেশের বোর্ডের পারস্পরিক সম্মতিতে ২০২৫ সালের আগস্টে অনুষ্ঠেয় এই সিরিজটি পিছিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আগামী বছরের সেপ্টেম্বর মাসে। ফলে ওই সময়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সূচি হয়ে পড়েছে ফাঁকা।
সিরিজ স্থগিত হওয়ার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল খেলোয়াড়রা এই সময়টায় কী করবেন? এ বিষয়ে বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দেওয়ার পরিকল্পনা করছে তারা।
বিসিবি পরিচালক মাহবুব আনাম বলেন, খেলোয়াড়দের বিশ্রাম লাগবে। আপনারা দেখেছেন আমাদের খেলোয়াড়রা কী পরিমাণ ক্রিকেট খেলছে। আগামী ১ বছরও যে পরিমাণ ক্রিকেট আছে, আমার মনে হয় খেলোয়াড়দের বিশ্রাম লাগবে।
আগামী বছর অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আগে থেকেই প্রস্তুতির পরিকল্পনা সাজাচ্ছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজগুলো ছিল সেই প্রস্তুতিরই অংশ। তবে ভারত সিরিজ হঠাৎ করে পেছানোয় ওই সময় নতুন কোনো সিরিজের আয়োজন আপাতত করছে না বিসিবি।
বিশ্রামের পাশাপাশি দেশীয় ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে বোর্ড। বিপিএলের ড্রাফট তৈরির আগে আয়োজন করা হবে এনসিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম জানান, গতকাল ক্রিকেট অপারেশন্স ইউনিটের সঙ্গে আগামী বছরের ক্যালেন্ডার নিয়ে মিটিং করেছি এবং ড্রাফট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছি। আমাদের সকলের পরিকল্পনা অনুযায়ী এনসিএল টি-টোয়েন্টি আগে করছি। কারণ হলো, এই টুর্নামেন্ট দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেব, কোন কোন খেলোয়াড় বিপিএলের ড্রাফটে যাবে।
তিনি আরও বলেন, অনেক সময় আমরা শুধু নামের তালিকা দেখে ড্রাফট করি। এতে করে বিপিএলের মূল উদ্দেশ্য ঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় না। এনসিএল টি-টোয়েন্টি স্থানীয় খেলোয়াড়দের জন্য বিপিএলে দল পাওয়ার একটি মঞ্চ হতে পারে।
ক্রিকেটারদের বিশ্রাম ও মূল্যায়নের এমন যুগপৎ পরিকল্পনা বিসিবির ভবিষ্যৎ কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এখন দেখার বিষয়, এই বিশ্রামের সুযোগ কীভাবে কাজে লাগান দেশের ক্রিকেটাররা।
আরটিভি/এসকে/এআর




