২০২৬ বিশ্বকাপ দিয়ে ক্যারিয়ারের ইতিটানবেন ফুটবলের দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বিশ্বকাপে এখনও মুখোমুখি হয়নি তারা। তবে এবার সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, সমীকরণ মেলাতে পারলে ইতিহাস গড়বে মেসি-রোনালদো।
আসন্ন বিশ্বকাপে ‘কে’ গ্রুপে পড়েছে পর্তুগাল। বাকি প্রতিপক্ষ প্লে-অফ ১-এর বিজয়ী (ডিআর কঙ্গো, জ্যামাইকা বা নিউ ক্যালেডোনিয়া), উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়া। এই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দল সরাসরি দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলবে।
সে ক্ষেত্রে টিকিট পাওয়ার সম্ভবনা বেশি পর্তুগাল ও কলম্বিয়া। গ্রুপ পর্বে দুজনের মধ্যে যারা জয় পাবে তারা হতে পারে গ্রুপ সেরা। দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হলো ‘এল’ গ্রুপে রানার্স আপ ও ডি/ই/আই/জে/এল গ্রুপের তৃতীয় স্থান দখলকারী দল।
‘এল’ গ্রুপে রয়েছে শক্তিশালী ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ঘানা ও পানামা। এদের যে কেউই হতে পারে পর্তুগালের প্রতিপক্ষ। দ্বিতীয় রাউন্ডে জয় পেলে শেষ ১৬তে তাদের প্রতিপক্ষ হতে পারে স্পেন-আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী দল।
সূচি অনুসারে, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠলেও এবং সেখানে জয় পেলে ৮৫তম ম্যাচের বিজয়ীর সঙ্গে শেষ ষোলোতে মাঠে নামবে পর্তুগাল। যেখানে পর্তুগালের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে সুইজারল্যান্ড, ইতালি, নরওয়ে ও অস্ট্রেলিয়ার মতো আরও কয়েকটি দলের একটি।
আর পর্তুগাল রানার্স আপ হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠলে এবং সেখানে জয় পেলে শেষ ষোলেতে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে ৮৪তম ম্যাচের বিজয় দল। আর ৮৪তম ম্যাচের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যদি স্পেন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ও মেসিরা রানার্স আপ। আর সেখানে আর্জেন্টিনা জয় পেলে পর্তুগালের সঙ্গে দেখা হতে পারে শেষ ষোলোতে।
আরটিভি/এসআর





