বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন, গত বছর কাউন্টি ক্রিকেটে তার বোলিং অ্যাকশনে পাওয়া ত্রুটি ‘কিছুটা ইচ্ছাকৃত’ ছিল। রোববার (৭ ডিসেম্বর) ‘বিয়ার্ড বিফোর উইকেট’ পডকাস্টে তিনি এ কথা বলেন।
গত বছর নভেম্বরে সারের হয়ে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে একমাত্র ম্যাচ খেলতে গিয়েই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ ওঠে সাকিবের বিরুদ্ধে। পরে লাফবোরো ইউনিভার্সিটিতে স্বতন্ত্র পরীক্ষায় তার অ্যাকশনে ত্রুটি ধরা পড়ে। এরপর ইসিবি সব ধরনের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে তার বোলিং নিষিদ্ধ করে। যা আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও কার্যকর ছিল।
পডকাস্টে সাকিব বলেন, আমি কিছুটা ইচ্ছাকৃতভাবেই এটা করেছি। কারণ ওই ম্যাচে আমাকে ৭০ ওভারের বেশি বল করতে হয়েছিল। যা আমার টেস্ট ক্যারিয়ারে কখনো হয়নি। পাকিস্তান সিরিজ খেলতেই প্রচণ্ড ক্লান্ত ছিলাম। তারপরই সারের হয়ে চার দিনের ম্যাচ খেলতে যাই। তখন ভাবছিলাম আম্পায়ার প্রথমবার অন্তত সতর্ক করবে। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী অভিযোগ ওঠার অধিকার তার আছে তাই আমি কিছু বলিনি।
সারের হয়ে টন্টনে সমারসেটের বিপক্ষে চার দিনের সেই ম্যাচে সাকিব দুই ইনিংসে মোট ৬৩.২ ওভার বল করেছিলেন।প্রথম ইনিংসে ৩৩.৫, দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯.৩ ওভার।
পরীক্ষার অভিজ্ঞতা নিয়ে সাকিব বলেন, আমি পরীক্ষা দিতে গিয়ে অকৃতকার্য হই। রিপোর্ট দেখে বুঝলাম, আচ্ছা, তাহলে এরকমই হচ্ছে। এরপর দু’এক সপ্তাহ অনুশীলন করলাম। সারের কোচিং স্টাফও আমাকে সাহায্য করেছে। মাত্র দুইটি সেশন করেই স্বাভাবিক হয়ে যাই। তখন মনে হলো এটা এত সহজ!
তৃতীয়বার বোলিং মূল্যায়নের পর এই বছরের শুরুতে সাকিব ফের বোলিংয়ের অনুমতি পান। তবে চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় পরীক্ষায় উতরে যেতে না পারায় বিসিবি নির্বাচকরা তাকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে রাখেননি। বোর্ড জানায়, ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি ব্যাটার হিসেবে খেলতে পারবেন।
আরটিভি/এসকে




