পরাজয় এড়ানো ও সিরিজে নিজেদের টিকিয়ে রাখার বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে অ্যাডিলেড টেস্টের পঞ্চম দিনে মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। সমীকরণটাও ছিল খুব পরিষ্কার, জয় পেতে ইংলিশদের করতে হবে ২২৮ রান এবং হাতে ৪ উইকেট। কিন্তু স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বোলিং লাইনের সামনে চোখ তুলে তাকাতে পারিনা অজিরা। এতে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
এই টেস্টে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩৭১ রান করেছিল অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ড করেছিল ২৮৬ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে অজিরা ৩৪৯ রানে অলআউট হলে ৪৩৫ রানের বিশাল লক্ষ্য পায় সফরকারীরা। কিন্তু জবাব দিতে নেমে ৩৫২ রান তুলতে পারে ইংলিশরা। এতে ৮২ রানের জয় পায় অস্ট্রেলিয়া।
২০১০–১১ মৌসুমের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইংল্যান্ড অ্যাশেজ সিরিজ জেততে পারেনি। ১৪ বছর পার হয়ে গেলেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের মাটিতে গেরো খুলতে পারেননি ইংলিশরা। এছাড়াও পার্থ, ব্রিসবেন ও অ্যাডিলেড মিলিয়ে সিরিজের খেলা হয়েছে মাত্র ১১ দিনে। অ্যাশেজ ইতিহাসে এত কম সময়ে সিরিজ শেষ হওয়া এটি মাত্র দ্বিতীয় ঘটনা।
পার্থে মাত্র দুই দিনেই শেষ হয় প্রথম টেস্ট। ট্রাভিস হেডের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ২০৫ রানে জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। ১-০ এগিয়ে যাওয়ার পর ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত হয় দিবা-রাত্রির টেস্ট। ইংল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে।
দুই টেস্টের তুলনায় তৃতীয় টেস্টে কিছুটা উন্নতি হলেও, অ্যাডিলেডে প্রথমবারের মতো সিরিজের কোনো টেস্ট পাঁচ দিনে টেনে নিয়েছে সফরকারীরা।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইংল্যান্ডের টেস্টভাগ্য ঠিক যেমন লেখা ছিল, সেটাই হলো। ৮২ রানে হেরে সিরিজ খুইয়েছেন বেন স্টোকসরা। পঞ্চম দিনে স্টোকস ও হ্যারি ব্রুক ফিরলেও ভাগ্য স্পষ্ট হয়ে যায় ইংল্যান্ডের জন্য।
সপ্তম উইকেটে উইল জ্যাকস ও জেমি স্মিথ ৯১ রানের জুটি গড়েন। স্মিথ ৮৩ বলে ৬০ রান করে আউট হলে ইংল্যান্ডের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়। এরপর জ্যাকস কিছুটা লড়াই করেন, আর শেষ দিকে উইকেটে ছিলেন ব্রাইডন কার্স, যা দলের কাজে আসে না।
আরটিভি/এসআর




