চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্ব শেষ হয়েছে। এবার ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতার নজর ঘুরে গেছে প্লে-অফ ড্রয়ের দিকে। নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে লড়বে ১৬টি দল। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে প্লে-অফ ড্র। লিগ পর্বে নবম থেকে ২৪তম স্থানে শেষ করা দলগুলো অংশ নেবে এই ড্রয়ে। অন্যদিকে, শীর্ষ আট দল আগেই সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে।
ড্রয়ের সময় দলগুলোকে দুটি পটে ভাগ করা হবে। লিগ পর্বে নবম থেকে ১৬তম স্থানে থাকা দলগুলো থাকবে ‘সিডেড’ পটে, আর ১৭ থেকে ২৪তম স্থানে থাকা দলগুলো থাকবে ‘আনসিডেড’ পটে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি সিডেড দল ড্র হবে আনসিডেড দলের বিপক্ষে।
ড্রয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট র্যাঙ্কিং অনুযায়ী সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নির্ধারিত থাকবে। যেমন, ১৫ ও ১৬ নম্বরে থাকা দলগুলো মুখোমুখি হবে ১৭ ও ১৮ নম্বর দলের, একইভাবে ৯–১০ নম্বর দল খেলবে ২৩–২৪ নম্বর দলের বিপক্ষে। সিডেড দলগুলো বাড়তি সুবিধা হিসেবে দ্বিতীয় লেগ নিজেদের মাঠে খেলবে।
প্লে-অফের প্রথম লেগ অনুষ্ঠিত হবে ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি, আর দ্বিতীয় লেগ হবে এক সপ্তাহ পর।
লিগ পর্বে শীর্ষে রয়েছে আর্সেনাল ও বায়ার্ন মিউনিখ। সেরা আটে জায়গা পাওয়া অন্য দলগুলো হলো—লিভারপুল, টটেনহ্যাম, বার্সেলোনা, চেলসি, স্পোর্টিং সিপি ও ম্যানচেস্টার সিটি।
প্লে-অফে অংশ নেবে রিয়াল মাদ্রিদ, ইন্টার মিলান, পিএসজি, নিউক্যাসল, জুভেন্টাস, আতলেতিকো মাদ্রিদ, আতালান্টা, লেভারকুজেন, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, অলিম্পিয়াকোস, ক্লাব ব্রুজ, গালাতাসারাই, মোনাকো, কারাবাগ, বোডো/গ্লিম্ট ও বেনফিকা।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, লিগ পর্বে ১১তম হওয়ায় নিউক্যাসল থাকবে সিডেড পটে। ফলে তারা নিশ্চিতভাবে মুখোমুখি হবে ২১ বা ২২তম স্থানে থাকা মোনাকো কিংবা কারাবাগের বিপক্ষে।
প্লে-অফ শেষে জয়ী আট দল উঠবে শেষ ষোলোতে। সেখানে তারা মুখোমুখি হবে লিগ পর্বের সেরা আট দলের। এরপর প্রতিযোগিতা চলবে পুরোপুরি নকআউট পদ্ধতিতে, যেখানে ফাইনাল ছাড়া প্রতিটি রাউন্ড হবে দুই লেগে।
এ মৌসুম থেকে নতুন নিয়ম অনুযায়ী, লিগ পর্বের অবস্থান কোয়ার্টার ও সেমিফাইনালের সিডিংয়েও প্রভাব ফেলবে। প্রথম থেকে চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলো কোয়ার্টার ফাইনালে দ্বিতীয় লেগ ঘরের মাঠে খেলবে। একই সুবিধা সেমিফাইনালে পাবে লিগ পর্বের শীর্ষ দুই দল। কোনো সিডেড দল বাদ পড়লে, যে দল তাকে হারাবে, সেই দলই সিডিং সুবিধা পাবে।
আরটিভি/এসকে





