নুরুল হাসান সোহানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নিল দুর্বার একাদশ। চাপের মুখে ৪৪ বলে ৭৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে ২ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয় এনে দেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নামে ধূমকেতু একাদশ। শুরুটা ভালো হয়নি তাদের প্রথম ওভারেই গোল্ডেন ডাক মেরে বিদায় নেন তানজিদ হাসান। এরপর সাইফ হাসান ও অধিনায়ক লিটন দাসের জুটিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় দল।
দলীয় ৩৭ রানে সাইফ হাসান (২০ বলে ২৮) ফিরে গেলে চাপে পড়ে ধূমকেতু। চার নম্বরে নেমে পারভেজ হোসেন ইমনও সুবিধা করতে পারেননি; ১৫ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তাওহিদ হৃদয় করেন ৬ বলে ৭ রান। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকা লিটন দাস ৩৭ বলে ৪৩ রান করে আউট হন দলীয় ১১৯ রানে।
শেষদিকে শেখ মেহেদী হাসান লড়াই চালিয়ে যান। শামীম হোসেন পাটোয়ারী ৮ বলে ১৭ রান করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত মেহেদী হাসান ২৭ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান তোলে ধূমকেতু একাদশ।
দুর্বার একাদশের হয়ে হাসান মাহমুদ ও তানভীর ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট। সাইফউদ্দিন ও আলিস আল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট।
১৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে দুর্বার একাদশ। মাত্র ২০ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় তারা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৭ বলে ২, হাবিবুর রহমান সোহান ৯ বলে ১৭ এবং আফিফ হোসেন ধ্রুব ৪ বলে ১ রান করে আউট হন।
এরপর এক প্রান্ত আগলে রেখে একাই লড়াই শুরু করেন নুরুল হাসান সোহান। জাকের আলী অনিক (১২ বলে ১১), মেহেদী হাসান রানা (৪ বলে ১) এবং মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন (১৩ বলে ১৯) ছোট ছোট অবদান রাখেন।
শেষ দুই ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন সোহান। জয়ের জন্য ১২ বলে যখন দরকার ছিল ৩৩ রান, তখন শরিফুল ইসলামের করা ১৯তম ওভারে চারটি ছক্কা হাঁকিয়ে নেন ২৬ রান। শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় ৭ রান আসে সহজেই। মুকিদুলের তৃতীয় বলে বাউন্ডারি মেরে ৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে দুর্বার একাদশ।
ধূমকেতু একাদশের হয়ে শেখ মেহেদী হাসান নেন ৪ উইকেট। নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান নেন একটি করে উইকেট।
আরটিভি/এসকে





