অস্ত্রোপচারের পর প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ফিরেই অ্যাসিস্ট করে দলকে জয়ের পথে রাখলেন নেইমারে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) কাম্পেওনাতো পাউলিস্তার শেষ ষোলোয় ভেলো ক্লাবকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে সান্তোস। এই ম্যাচ দিয়েই ২০২৬ সালে প্রথমবার মাঠে নামেন ব্রাজিল জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
গত মৌসুমের শেষ ম্যাচে সান্তোসকে অবনমন থেকে বাঁচানোর পর বাঁ হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করাতে হয় নেইমারকে। সুস্থ হয়ে নতুন মৌসুমে ফিরে বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন তিনি। এক মাসের বেশি সময় পর মাঠে ফিরে গোল না পেলেও একটি অ্যাসিস্ট করে জানান দিলেন প্রস্তুতির বার্তা।
বিরতির সময় আর্জেন্টাইন আলভারো বাররেয়ালের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নেইমার। ততক্ষণে সান্তোস ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে। প্রথমার্ধে গ্যাবিগোল, মইসেস ভিয়েরা দা ভেইগা ও থাসিয়ানোর গোলে স্বচ্ছন্দ লিড নেয় পেইশেরা।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে সান্তোস। গ্যাব্রিয়েল মেনিনো দূরপাল্লার শটে ব্যবধান বাড়ান। এরপর গ্যাবিগোলের ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি আসে নেইমারের বাড়ানো বল থেকে ফিরেই অ্যাসিস্টের খাতায় নাম লেখান ব্রাজিলিয়ান তারকা। শেষ গোলটি করেন আর্জেন্টাইন বেনহামিন রোলহেইসার।
এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে সান্তোস। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ নোভোরিজোন্তিনো। টুর্নামেন্টের চমক এই দলটি ব্রাজিলেইরাঁও সিরি বি-তে খেললেও শেষ ষোলোয় পালমেইরাসকে ৪-০ গোলে হারিয়ে আলোচনায় এসেছে।
আরটিভি/এসকে





