ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

গলা টিপে ধরে বলল তুই আসামি, কথা বলবি না : নাঈম হাসান

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৯ এএম
ক্রিকেটার নাঈম হাসান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য নাঈম হাসান ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) পরিচয়ে কিছু ব্যক্তির হাতে মারধর ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজার ফ্লাইওভারের মুখে এ ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।

নাঈম হাসানের অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকা থেকে প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষে বিমানযোগে চট্টগ্রামে পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। পথে লালখানবাজার এলাকায় পৌঁছালে ডিবি পরিচয় দেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি তার গাড়ির গতিরোধ করেন এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নামিয়ে আনেন।

image

তিনি জানান, প্রথমে তার পরিচয়পত্র ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই করা হয়। একপর্যায়ে সাদা পোশাকে থাকা একজন ব্যক্তি এবং পুলিশের পোশাক পরিহিত দুই সদস্য তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন। এতে আপত্তি জানালে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার।

নাঈম হাসান বলেন, গলা টিপে ধরে বলল, তুই আসামি, কথা বলবি না। আমি বারবার বলেছি আমি জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান। কিন্তু তারা আমার কথা শুনতে চায়নি।

তার দাবি, নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও হেনস্তা বন্ধ হয়নি এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

image

অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নাঈম হাসান ও তার পরিবারের সদস্যরা।

চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর নাঈম বর্তমানে চট্টগ্রামে নিজ বাসায় রয়েছেন।

২৬ বছর বয়সী এই বাংলাদেশি স্পিনার বলেন, আমার প্রিমিয়ার লিগে খেলা চলছিল, আমার ফ্লাইট বিলম্ব হয়েছে। এয়ারপোর্ট থেকে সিএনজি নিয়ে আসতেছিলাম, ১১টা ২৫ এর দিকে লালখান বাজার ফ্লাইওভারের নিচে আমার সিএনজি দাঁড় করাল, ড্রাইভারের থেকে কাগজপত্র নিলো। আমি পুলিশকে বললাম, আপনি আমার ব্যাগ চেক করেন দরকার হলে।

নাঈম বলেন, আমাকে গলা চিপে ধরে বললো তুই গাড়িতে উঠ। এই বলে আমাকে গাড়িতে তুলল। আমি বললাম আপনি আমার গলা টিপে ধরছেন কেন, বলে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে গেলাম। এরপর ওরা গলা টিপে ধরেই আমাকে মেরেছে এবং হেনস্থা করেছে। পুলিশ ছিল দুজন, আরেকজন পাঞ্জাবি পরা মানুষ ছিল। ও কোনো পরিচয় দেয়নি, মারতেছিল পাইপ দিয়ে। পরে ১০০-২০০ মানুষ ছিল সেখানে, তারা আমার পরিচয় দিয়েছে, তবুও আমাকে মারতেছিল। বলতেছিল তুমি আসামি, কথা বলবি না। আমি আইডি কার্ড দেখিয়েছি, তাও ওরা আমাকে মারছিল।

image

পরে নাঈমকে খুলশি থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান তিনি, গাড়িতে থাকতেই ওসির সঙ্গে কথা বলছে, উনি থানায় নিয়ে আসতে বলেন। এরপর আমাকে ব্যাগসহ এখানে এনে বলা হয় স্যার (ওসিকে) নিয়ে আসছি। আজ পর্যন্ত পুলিশ, আর্মি আমাদেরকে ডাকলে নামি, উনারা চেক করে ছেড়ে দেয়। কিন্তু গায়ে হাত দেবে কেন? সোর্সটা মারছে, পুলিশও লাঠি দিয়ে মারছে। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই। এটা স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার কিছু নাই। আজকে আমাকে মারছে, আরেকদিন অন্য কাউকে মারলে তার জন্য কেউ আসবে?

বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে যোগাযোগের পর এই ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় নাঈমকে, মোবাইল হাতে পাওয়ার সাথে সাথে তামিম ভাইয়ের সাথে কথা বলেছি। উনি এরপর ওসির সঙ্গে কথা বলছেন, আব্বুর সাথে কথা বলছিলেন। এটার বিচার হবে আশ্বস্ত করেছেন।

জাতীয় দলের এই ক্রিকেটারের দাবি, পুলিশের গাড়ি তো ছিল সেখানে। গাড়িতে না তুলে সিএনজিতে করে আমাকে কই নিয়ে যাইতো?.. আমার জায়গায় যদি সাধারণ মানুষ হইতো আপনারা কেউ আসতেন না, একশ-দেড়শ মানুষ কোশ্চেন করতো না। পুলিশের হাতে যদি মানুষ সেইফ না থাকে তাহলে আর লাভ কী!

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো.আমিরুল ইসলাম বলেন, উনি (নাঈম হাসান) ন্যায় বিচার পাবেন। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। পুলিশ সদস্য যেই হোক না কেন, আমরা এই ব্যাপারে জিরো টলারেন্স। কারণ এটার সঙ্গে পুলিশের ইমেজ জড়িত। আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্নে কাজ করতেছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো কিছুই টলারেট করব না।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, এখানে চোরাচালান সংক্রান্ত তথ্য আছে। যেটা আপনারা শুনেছেন, তথ্যের উৎসটাও জেনেছেন, এটি ভেরিফাই করা হবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে উনারা (পুলিশ) গিয়েছেন এবং যাওয়ার প্রক্রিয়াটুকু যথাযথ নিয়ম অনুসারে হয়েছে কি না সেটা আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব। পুলিশিং প্রক্রিয়ায় মারধর করার সুযোগ নাই।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাংবাদিকদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
জাতীয় স্টেডিয়ামের মিডিয়া বক্সের পাশের ওভারফ্লো জোন ক্রীড়া সাংবাদিকদের ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় স্টেডিয়ামের ঝটিকা পরিদর্শনে গিয়ে এ নির্দেশনা দেন তিনি। আমিনুল হক বলেন, ঘরোয়া কিংবা আন্তর্জাতিক যে কোনও ফুটবল আসরেই মিডিয়া বক্সের পাশাপাশি ওভারফ্লো জোন ক্রীড়া সাংবাদিকরা ব্যবহার করতে পারবেন। আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ দিয়েই তা কার্যকর হবে। এমনিতে প্রেস বক্সে মাঝে পিলারের কারণে ৫০-৬০ জন বসে কাভার করতে পারে না।  তিনি বলেন, ওভারফ্লো জোনে বসে বাকি সাংবাদিকরা এখন থেকে ম্যাচ কাভার করবেন। ক্রীড়া সাংবাদিকরা হলো খেলার প্রাণ। তারা ম্যাচ কাভার করতে না পারলে কেমনে হবে? এ সময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালককে এ বিষয়ে একটি চিঠি জারি করার নির্দেশও দেন তিনি। তার সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে বদলে যাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত নীতিগত সিদ্ধান্ত এটা। তবে আমি কথা দিচ্ছি, আমার এই সিদ্ধান্ত বদলে যাবে না। ক্রীড়া সাংবাদিকরা দুই জায়গাতে বসে খেলা কাভার করতে পারবেন। আরটিভি/এসআর  
সাংবাদিকদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
৫ নভেম্বর নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে দেশব্যাপী ৫০৩টি উপজেলায় একযোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করবেন।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র দ্বিতীয় আসর নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এই ঘোষণা দিয়েছেন।  ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক,  ৫০৩টি উপজেলার ইউএনসহ জেলা ক্রীড়া অফিসার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সকলের সাথে আলোচনা করে নতুন কুঁড়ি কার্যক্রম বাস্তবায়নের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি সফলভাবে শেষ হয়েছে নতুন কুঁড়ির প্রথম আসর। যে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নতুন কুঁড়ি শুরু করেছিল প্রথম আসরের পরে সেই কার্যক্রমে অনেকটাই সফলতা এসেছে বলে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিশ্বাস করেন। তিনি বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় গতানুগতিক ধারায় কোন টুর্নামেন্ট শেষ হলো, এরপর আর সেই খেলোয়াড়দের খুঁজে পাওয়া যায়না। এটাই ক্রীড়াঙ্গনের বাস্তব চিত্র ছিল। তিন  আরও বলেন, কিন্তু এখানে আমরা একটু ভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি এবং এটাকে স্থায়ীভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য ইতিমধ্যে পরিকল্পনা শুরু করেছি। প্রথম আসরের যে ৩১০ জন ক্রীড়াবিদ পেয়েছি, তাদেরকে নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে বিকেএসপিতে ৪০ দিনের একটি ট্রেনিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ৪০ দিনের এই ট্রেনিং সেশনের মধ্য থেকে যারা বিশেষ প্রতিভাবান তাদেরকে নির্বাচিত করে বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ করে দেয়া হবে। খেলাধুলার পাশাপাশি তারা যাতে পড়াশুনাও চালিয়ে যেতে পারে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শুধুমাত্র ঢাকার বিকেএসপি না অন্যান্য যে বিকেএসপিগুলো আছে, সেগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য ইতিমধ্যে কার্যক্রম আমরা হাতে নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের ভেতরে অন্যান্য বিকেএসপিগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার কাজ চলমান রয়েছে। দ্বিতীয় আসরকে আরও একটু প্রসারিত করে ৪৫৯৯টি ইনিয়নের দল গঠনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ১৬ লাখ ৩ হাজার। সেখানে র প্রায় ৯ লাখের কিছু বেশী কিশোর এবং ৬ লাখ কিশোরী রয়েছে। অর্থাৎ ৫০ শতাংশ কিশোর ও ৪২ শতাংশ কিশোরী এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে।  আমিনুল বলেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের আগামী ক্রীড়াঙ্গনে মেয়েদের যে অংশগ্রহণ, সেটিতে আরো অনেক বেশি অনেকেই উৎসাহিত হবেন, অনেক পরিবার তারা উৎসাহিত হবেন। তাদের হাত ধরে যে আমার বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারে, সেই আশার আলো সেই সকল পরিবার দেখতেই পারে। প্রথম আসরের সাথে আরও দুটি ইভেন্ট এবার যুক্ত হয়েছে- টেবিল টেনিস ও ভলিবল। সব মিলিয়ে ১০টি ইভেন্ট নিয়ে দ্বিতীয় আসর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগের ইভেন্টগুলো হলো- এ্যাথলেটিক্স, সাঁতার, ফুটবল, ক্রিকেট, মার্শাল আর্ট, দাবা, ব্যাডমিন্টন, কাবাডি। রোজা, ঈদ ও স্কুলের পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে ধারাবাহিকভাবে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ের খেলা পরিচালিত হবে। নতুন কুঁড়ির ক্যালেন্ডার সেভাবেই সাজানো হয়েছে। সেই লক্ষ্যে দ্বিতীয় আসরে জাতীয় পর্যায়ের খেলার আগামী বছর এপ্রিলের শেষে অথবা মে মাসের শুরুতে আয়োজন করতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আরটিভি/টিআর
৫ নভেম্বর নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
রোমার বিপক্ষে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা রিয়াল মাদ্রিদের
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ ও রোমা। এই ম্যাচকে সামনে রেখে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছে রিয়াল কোচ হোসে মরিনহো। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রোমার হোম গ্রাউন্ড ঐতিহাসিক অলিম্পিকো স্টেডিয়ামে রাত ১টায় ম্যাচটি শুরু হবে।  এই ম্যাচে আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও এনদ্রিকের উপস্থিতি রোমার ডিফেন্সের জন্য বড় পরীক্ষার কারণ হবে।  অন্যদিকে মধ্যমাঠে বেলিংহাম, ভালভার্দে ও কামাভিঙ্গাদের সমন্বয়ে দল তাদের শক্ত অবস্থান বজায় রাখার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। এক নজরে রিয়াল মাদ্রিদ স্কোয়াড গোলরক্ষক: থিবো কোর্তোয়া, আন্দ্রি লুনিন ও সার্জিও মেস্ত্রে। ডিফেন্ডার: দিন হুইসেন, ট্রেন্ট অ্যালেকজান্ডার-আর্নল্ড, ইব্রাহিমা কোনাতে, মার্ক কুকুরেয়া, আলভারো কারেরাস, আন্তোনিও রুডিগার ও দেনজেল ডামফ্রিস। মিডফিল্ডার: জুড বেলিংহাম, এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা, ফেদেরিকো ভালভার্দে, অউরেলিয়েন চুয়ামেনি, আরদা গুলের, বার্নার্দো সিলভা ও থিয়াগো। ফরওয়ার্ড: ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, এনদ্রিক, কিলিয়ান এমবাপ্পে, সি. এসপি, ব্রাহিম দিয়াজ ও ইয়ান দিওমান্দে। আরটিভি/এসআর
রোমার বিপক্ষে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা রিয়াল মাদ্রিদের
লাল কার্ড পাওয়ায় অলিসেকে জরিমানা করতে যাচ্ছে বায়ার্ন!
চ্যাম্পিয়নস লিগে ভাইকিংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড পেয়ে বায়ার্ন মিউনিখকে বিপাকে ফেলেছিলেন মাইকেল অলিসে। আর এই অপরাধে ফরাসি তারকাকে শাস্তি হিসেবে বড় ধরনের আর্থিক জরিমানা করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে জার্মান ক্লাবটি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) চ্যাম্পিয়নস লিগে নরওয়ের ক্লাব ভাইকিংয়ের বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্র করে বায়ার্ন। ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে প্রতিপক্ষ অধিনায়ক জ্লাতকো ত্রিপিচের মুখে বল ছুড়ে মারেন অলিসে।  এর কয়েক মুহূর্ত আগেই হলুদ কার্ড দেখেছিলেন তিনি। নতুন করে হলুদ কার্ড দেখানো হলে লাল কার্ড নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ম্যাচে একপর্যায়ে ০-২ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল বায়ার্ন। হ্যারি কেইনের জোড়া গোল এবং লুইস দিয়াজের গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়েও যায় দলটি।  কিন্তু অলিসের লাল কার্ডের পর ১০ জনের বায়ার্ন শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে বসে। ৯০তম মিনিটে সমতাসূচক গোল করে ভাইকিং। ফলে জয় হাতছাড়া হয় জার্মান জায়ান্টদের। অলিসের আচরণে বিরক্ত কোম্পানি ম্যাচ শেষে তার আচরণকে ‘ভীষণ বোকামি’ বলে উল্লেখ করেন। কোচের মতে, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় তার চেয়ে বেশি বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন। কেইনও বলেছেন, নিজের ভুলের দায় অলিসেকেই নিতে হবে এবং এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। ফরাসি উইঙ্গারের এই আচরণ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও সমালোচনা হয়েছে। স্পেনের মার্কা লিখেছে, সাধারণত শান্ত স্বভাবের অলিসে নরওয়েতে মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। আরেক স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম আস শিরোনাম করেছে, ‘অলিসে ঝামেলা তৈরি করছেন।’ বায়ার্নের ক্রীড়া পরিচালক ম্যাক্স এবারল অবশ্য অলিসের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ শাস্তির বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি। তবে পরে এ নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। জরিমানা করা হতে পারে কি না, সে সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি এবারল। আরটিভি/এসআর
লাল কার্ড পাওয়ায় অলিসেকে জরিমানা করতে যাচ্ছে বায়ার্ন!
বিসিবির কাভার্ডভ্যান থেকে ক্রিকেটারদের লাগেজ গায়েব
জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ খেলে ঢাকা থেকে রাজশাহী ফেরার পথে বিপাকে পড়েছেন বিভাগীয় দলের চার ক্রিকেটার। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাভার্ড ভ্যানে দলের ৫৪টি লাগেজের মধ্যে তাঁদের আটটি গায়েব হয়ে গেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে রাজশাহীর হোটেলে লাগেজ নামানোর সময় বিষয়টি ধরা পড়ে। এ ঘটনায় দলের ক্রিকেটার এসএম মেহেরব হাসান রাজশাহী মহানগরের রাজপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। লাগেজ উদ্ধারে কাজ করছে রাজশাহী ও নাটোর জেলা পুলিশ। জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে মিরপুরে খুলনা বিভাগের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে বুধবার সকালে আকাশপথে রাজশাহী ফেরেন রাজশাহী বিভাগের ক্রিকেটাররা।  এর আগের রাতে দলের ৫৪টি লাগেজ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল বিসিবির একটি কাভার্ড ভ্যান। সকালে রাজশাহী নগরের একটি হোটেলে কাভার্ড ভ্যানটি পৌঁছালে লাগেজ নামানোর সময় আটটি লাগেজের খোঁজ পাওয়া যায়নি। জিডিতে মেহেরব হাসান উল্লেখ করেন, কাভার্ড ভ্যানের চালক সজীবের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, রাজশাহী আসার পথে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়ে গাড়ির পেছনের দরজা পরীক্ষা করে তালাবদ্ধ দেখেছিলেন চালক। জিডির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে পুঠিয়া বাজারের কাছাকাছি পৌঁছালে পেছন থেকে আসা অন্য একটি গাড়ির চালক সজীবকে জানান, কাভার্ড ভ্যানের পেছনের দরজা খোলা। এরপর পুঠিয়া বাজার পার হওয়ার আগেই নাটোরের দিকে একটি জ্বালানি তেলের পাম্পের সামনে গাড়ি থামিয়ে পেছনের দরজা খোলা দেখতে পান। পরে দরজা বন্ধ করে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ছয়টার দিকে রাজশাহীর হোটেলে পৌঁছানোর পর লাগেজ নামাতে গিয়ে আটটি লাগেজ না থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে। গায়েব হওয়া আটটি লাগেজের মধ্যে মেহেরব হাসানের লাগেজে ছিল তাঁর পাসপোর্ট, একটি আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স, ৩০০ মার্কিন ডলার, নগদ তিন লাখ টাকা, প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের তিনটি সুগন্ধি এবং ব্যবহৃত পোশাক। জিডিতে তাঁর আইফোনটির মূল্য ৮০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। আরও যে তিন ক্রিকেটারের লাগেজ গায়েব হয়েছে, তাঁরা হলেন আব্দুল কাদের, মোহর শেখ অন্তর ও মো. ওয়ালিদ। রাজশাহী বিভাগীয় দলের ব্যবস্থাপক তৌহিদ তারেক বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা বিব্রত। বিষয়টি পুলিশ-প্রশাসনকে জানিয়েছি। ক্রিকেটারদের লাগেজ উদ্ধারে তাঁরা কাজ করছেন।’ রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) রাজপাড়া থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘জিডি আমাদের থানায় হয়েছে। কিন্তু ঘটনাস্থল নাটোর কিংবা রাজশাহী জেলার মধ্যে হবে। দুই জেলা পুলিশ কাজ করছে। আমরা প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করছি। তদন্ত চলছে।’ আরটিভি/এসআর
বিসিবির কাভার্ডভ্যান থেকে ক্রিকেটারদের লাগেজ গায়েব
আরও পড়ুন
নাঈমের সঙ্গে যা হয়েছে, কোনোভাবেই তা গ্রহণযোগ্য নয়: তামিম ইকবাল
নাঈমকে মারধর করা এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য সম্পর্কে যা জানা গেল
নাঈমকে ‘মারধরের’ ঘটনায় বিসিবির গভীর উদ্বেগ
নাঈম হাসানকে শারীরিক নির্যাতনে কোয়াবের নিন্দা, লিটন-মিরাজদের ক্ষোভ