ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

গলা টিপে ধরে বলল তুই আসামি, কথা বলবি না : নাঈম হাসান

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৯ এএম
ক্রিকেটার নাঈম হাসান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য নাঈম হাসান ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) পরিচয়ে কিছু ব্যক্তির হাতে মারধর ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজার ফ্লাইওভারের মুখে এ ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।

নাঈম হাসানের অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকা থেকে প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষে বিমানযোগে চট্টগ্রামে পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। পথে লালখানবাজার এলাকায় পৌঁছালে ডিবি পরিচয় দেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি তার গাড়ির গতিরোধ করেন এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নামিয়ে আনেন।

image

তিনি জানান, প্রথমে তার পরিচয়পত্র ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই করা হয়। একপর্যায়ে সাদা পোশাকে থাকা একজন ব্যক্তি এবং পুলিশের পোশাক পরিহিত দুই সদস্য তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন। এতে আপত্তি জানালে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার।

নাঈম হাসান বলেন, গলা টিপে ধরে বলল, তুই আসামি, কথা বলবি না। আমি বারবার বলেছি আমি জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান। কিন্তু তারা আমার কথা শুনতে চায়নি।

তার দাবি, নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও হেনস্তা বন্ধ হয়নি এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

image

অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নাঈম হাসান ও তার পরিবারের সদস্যরা।

চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর নাঈম বর্তমানে চট্টগ্রামে নিজ বাসায় রয়েছেন।

২৬ বছর বয়সী এই বাংলাদেশি স্পিনার বলেন, আমার প্রিমিয়ার লিগে খেলা চলছিল, আমার ফ্লাইট বিলম্ব হয়েছে। এয়ারপোর্ট থেকে সিএনজি নিয়ে আসতেছিলাম, ১১টা ২৫ এর দিকে লালখান বাজার ফ্লাইওভারের নিচে আমার সিএনজি দাঁড় করাল, ড্রাইভারের থেকে কাগজপত্র নিলো। আমি পুলিশকে বললাম, আপনি আমার ব্যাগ চেক করেন দরকার হলে।

নাঈম বলেন, আমাকে গলা চিপে ধরে বললো তুই গাড়িতে উঠ। এই বলে আমাকে গাড়িতে তুলল। আমি বললাম আপনি আমার গলা টিপে ধরছেন কেন, বলে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে গেলাম। এরপর ওরা গলা টিপে ধরেই আমাকে মেরেছে এবং হেনস্থা করেছে। পুলিশ ছিল দুজন, আরেকজন পাঞ্জাবি পরা মানুষ ছিল। ও কোনো পরিচয় দেয়নি, মারতেছিল পাইপ দিয়ে। পরে ১০০-২০০ মানুষ ছিল সেখানে, তারা আমার পরিচয় দিয়েছে, তবুও আমাকে মারতেছিল। বলতেছিল তুমি আসামি, কথা বলবি না। আমি আইডি কার্ড দেখিয়েছি, তাও ওরা আমাকে মারছিল।

image

পরে নাঈমকে খুলশি থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান তিনি, গাড়িতে থাকতেই ওসির সঙ্গে কথা বলছে, উনি থানায় নিয়ে আসতে বলেন। এরপর আমাকে ব্যাগসহ এখানে এনে বলা হয় স্যার (ওসিকে) নিয়ে আসছি। আজ পর্যন্ত পুলিশ, আর্মি আমাদেরকে ডাকলে নামি, উনারা চেক করে ছেড়ে দেয়। কিন্তু গায়ে হাত দেবে কেন? সোর্সটা মারছে, পুলিশও লাঠি দিয়ে মারছে। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই। এটা স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার কিছু নাই। আজকে আমাকে মারছে, আরেকদিন অন্য কাউকে মারলে তার জন্য কেউ আসবে?

বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে যোগাযোগের পর এই ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় নাঈমকে, মোবাইল হাতে পাওয়ার সাথে সাথে তামিম ভাইয়ের সাথে কথা বলেছি। উনি এরপর ওসির সঙ্গে কথা বলছেন, আব্বুর সাথে কথা বলছিলেন। এটার বিচার হবে আশ্বস্ত করেছেন।

জাতীয় দলের এই ক্রিকেটারের দাবি, পুলিশের গাড়ি তো ছিল সেখানে। গাড়িতে না তুলে সিএনজিতে করে আমাকে কই নিয়ে যাইতো?.. আমার জায়গায় যদি সাধারণ মানুষ হইতো আপনারা কেউ আসতেন না, একশ-দেড়শ মানুষ কোশ্চেন করতো না। পুলিশের হাতে যদি মানুষ সেইফ না থাকে তাহলে আর লাভ কী!

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো.আমিরুল ইসলাম বলেন, উনি (নাঈম হাসান) ন্যায় বিচার পাবেন। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। পুলিশ সদস্য যেই হোক না কেন, আমরা এই ব্যাপারে জিরো টলারেন্স। কারণ এটার সঙ্গে পুলিশের ইমেজ জড়িত। আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্নে কাজ করতেছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো কিছুই টলারেট করব না।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, এখানে চোরাচালান সংক্রান্ত তথ্য আছে। যেটা আপনারা শুনেছেন, তথ্যের উৎসটাও জেনেছেন, এটি ভেরিফাই করা হবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে উনারা (পুলিশ) গিয়েছেন এবং যাওয়ার প্রক্রিয়াটুকু যথাযথ নিয়ম অনুসারে হয়েছে কি না সেটা আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব। পুলিশিং প্রক্রিয়ায় মারধর করার সুযোগ নাই।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ইমরানুর
এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ১০.৪৯ সেকেন্ড টাইমিং করে সেরা ২৪ এর মধ্যে ২২তম হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান।  ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ছয়টি হিট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান ছিলেন পাঁচ নম্বর হিটে। সেখানে ছিলেন মোট সাত জন দৌঁড়বিদ।  দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুততম মানব মালদ্বীপের হাসান সাঈদও ছিলেন পঞ্চম হিটে। আর সেখানে ইমরান ছিলেন পাঁচ নম্বর লেনে। প্রতি হিটের প্রথম তিন জন সেমিফাইনালে উঠেছেন। এরা বাদে ছয় হিটের শীর্ষ ছয় টাইমিংধারী সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছেন।  বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরান ১০.৪৯ সেকেন্ড টাইমিং করে তার হিটে ছয় জনের মধ্যে চতুর্থ হন। এই হিটে তৃতীয় হওয়া তাইপের অ্যাথলেট ১০.৩৮ সেকেন্ড টাইমিং করেন। ইমরানের ক্যারিয়ার সেরা টাইমিং ১০.১১ সেকেন্ড। আর মৌসুমের সেরা ১০.২৪ সেকেন্ড। এর কোনোটিই করতে পারেননি। ইমরান তার সেরা টাইমিং করতে না পারলেও এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে উঠেছেন। প্রতি হিটের সেরা তিনের বাইরে ছয় জন সেরা টাইমিংধারীদের মধ্যে রয়েছেন ইমরান। ১০.২২ সেকেন্ডে তার অবস্থান ২২ তম। আরটিভি/এসআর
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ইমরানুর
উড়ন্ত রাফিনিয়ার জন্য টাকার বস্তা প্রস্তুত করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড!
ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপে নিজের সেরাটা দিতে না পারলেও চলতি মৌসুমে রীতিমতো উড়ছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া। ইতোমধ্যে ৮ ম্যাচ খেলে ১৪টি গোল করে ফেলেছেন তিনি। এই পারফর‌ম্যান্সের জেরে রাফিনিয়ার দিকে নজর পড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। তাই আসন্ন জানুয়ারির দলবদলের বাজারে ওল্ড ট্রাফোর্ডে এই ব্রাজিলিয়ান তারকাকে দলে টানার প্রস্তুতি শুরু করেছে ইংলিশ ক্লাবটি। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ফিচাহেসে।  প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাইকেল ক্যারিকের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড রাফিনিয়াকে তাদের আক্রমণভাগের মূল অস্ত্র বানাতে মরিয়া। তাকে রাজি করাতে ইউনাইটেড একটি অবিশ্বাস্য রেকর্ড-ব্রেকিং প্রস্তাবের পরিকল্পনা করছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড রাফিনিয়া জন্য প্রায় ১২০ মিলিয়ন ইউরোর এক বিশাল বিড প্রস্তুত করছে, যা তাদের ইতিহাসের অন্যতম রেকর্ড দলবদল হতে পারে। ওল্ড ট্রাফোর্ডের ক্লাবটি রাফিনিকে প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া খেলোয়াড় বানাতে চায়। এমনকি ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হালান্ডের চেয়েও তাকে বেশি সাপ্তাহিক বেতন দেওয়ার প্রস্তাব ভাবা হচ্ছে।  তবে বার্সেলোনা এই তরুণ ফুটবলারকে ছাড়বে কিনা সেটা একটা বড় প্রশ্ন? কারণ, বর্তমানে স্ট্রাইকার পজিশনে রাফিনিয়ার থেকে ভালো অপশন নেই হান্সি ফ্লিকের সামনে। যদিও স্ট্রাইকার হিসেবে হুলিয়ান আলভারেজকে দলে নিতে চেষ্টা চালাচ্ছে কাতালান ক্লাবটি। কিন্তু রাফিনিয়া বর্তমানে দলের নেতৃত্ব পাওয়ার পর অবিশ্বাস্য ফর্মে আছেন রাফিনিয়া। লা লিগায় তার টানা হ্যাটট্রিকসহ গোল বন্যা করেছে ক্লাবটি। তবে এই ঐতিহাসিক মেগা চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়া অনেকটাই নির্ভর করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ালিফাই করার ওপর। এখনও পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটাই দেখার বিষয়। আরটিভি/এসআর
উড়ন্ত রাফিনিয়ার জন্য টাকার বস্তা প্রস্তুত করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড!
হাকিমিকে নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন ফ্রান্সের আদালত
ফ্রান্সের সর্বোচ্চ আদালত আপিল খারিজ করে দেওয়ায় প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ও মরক্কোর তারকা ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমিকে ধর্ষণের মামলায় বিচারের মুখোমুখি হতেই হচ্ছে।  সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এই খবর নিশ্চিত করেছে ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘দি অ্যাথলেটিক’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারিসের পশ্চিমে ও-দে-সেন বিভাগের একটি অপরাধ আদালতে এই মামলার বিচারকাজ পরিচালিত হবে। এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা না হলেও আগামী বছরই মামলাটির বিচারকাজ শুরু হতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বুলোন-বিলঁকুরে হাকিমির নিজ বাসভবনে ঘটে যাওয়া এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই মামলার সূত্রপাত। হাকিমির সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে যোগাযোগের পর ওই তরুণী তার বাড়িতে যান।  পরবর্তীতে তিনি হাকিমির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। ঘটনার পাঁচ দিন পর হাকিমির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠিত হয়। তবে শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন এই তারকা ফুটবলার। আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে হাকিমির আইনজীবী দল প্রথমে মামলাটি খারিজের আবেদন জানিয়েছিল।  তবে গত বছরের ১৯ জুন ভার্সাইয়ের আপিল আদালত সেই আবেদনটি খারিজ করে দেন। এরপর হাকিমি উচ্চ আদালত ‘কোর্ট অব ক্যাসেশন’-এ যান, যা সম্প্রতি চূড়ান্তভাবে বাতিল ঘোষণা করা হলো। আরটিভি/এসআর
হাকিমিকে নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন ফ্রান্সের আদালত
নেইমারের সেই কঠিন দায়িত্ব কাঁধে নিতে যাচ্ছেন রাফিনিয়া!
চলতি বছর শেষ হওয়া ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ব্রুনো গ্রিমারায়েস। সেই ম্যাচ হারের পর অবসর নিয়েছেন নেইমারও। ফলে নতুন করে একজন দক্ষ পেনাল্টি টেকার খুঁজছেন আনচেলত্তি। যেখানে সবার থেকে এগিয়ে রয়েছে রাফিনিয়া। পরিসংখ্যান বলছে, পেনাল্টিতে ব্রাজিলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও সফল ফুটবলার রাফিনিয়া। পেশাদার ক্যারিয়ারে ২৪টি স্পট কিক নিয়ে ২৩টিই গোলে পরিণত করেছেন তারকা এই ফরোয়ার্ড। প্রায় এক দশক তিনি কোনো পেনাল্টি মিস করেননি।  ২০২৫-২৬ মৌসুমে বার্সেলোনার হয়েও রাফিনিয়া ছিলেন শতভাগ সফল। ৫ পেনাল্টি নিয়ে ৫টিই গোল করেছেন। এই মৌসুমেও এখন পর্যন্ত ৩টি পেনাল্টি নিয়ে সবকটি গোলে রূপান্তর করেছেন। বিশ্বকাপ পরবর্তী ব্রাজিল দলে তাই রাফিনিয়াকেই পেনাল্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ ভাবা হচ্ছে।  গত জুলাইয়ে বিশ্বকাপ শেষে এবারই প্রথম আন্তর্জাতিক বিরতিতে মাঠে নামতে যাচ্ছে ব্রাজিল। রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা প্রীতি ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে। তাতে স্বাভাবিকভাবে পেনাল্টি শট নেওয়ার প্রসঙ্গ উঠছে। আনচেলত্তি বলেন, আমরা খেলোয়াড়দের এবং প্রতিপক্ষের গত এক বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করেছি। জাতীয় দলে সবচেয়ে ভালো ছিল রাফিনিয়া। ওই মুহূর্তে পেনাল্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে নেইমার, এরপর ইগোর থিয়াগো, তারপর রাফিনিয়া, এরপর ব্রুনো গিমারায়েস এবং তারপর মার্তিনেল্লি। অর্থাৎ, গিমারায়েসের আগে রাফিনিয়াকেই রেখেছিলেন আনচেলত্তি। কিন্তু চোটের কারণে নরওয়ের বিপক্ষে তিনি খেলতে পারেননি। তবে রাফিনিয়া এখন যেহেতু শতভাগ ফিট, তাই আনচেলত্তি তাকেই পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্ব দিতে পারেন। রাফিনিয়া পেনাল্টি নেওয়ায় কতটা দক্ষ, সেটা তুলে ধরেছে কাতালান সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো।  গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, রাফিনিয়া সবশেষ ১৬ পেনাল্টির (বার্সেলোনার হয়ে ১৩টি ও ব্রাজিলের হয়ে ৩টি) মধ্যে ৯টি শট গোলকিপারের ডান দিকে, ৬টি বাঁ দিক দিয়ে চিপ করে এবং ১টি পোস্টের মাঝ বরাবর দিয়ে। ফলে, স্পট কিকে রাফিনিয়া কোন দিক দিয়ে শট নেবেন, তা প্রতিপক্ষ গোলকিপারের জন্য অনুমান করা খুব কঠিন।তাই নেইমারের পর পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্বটা রাফিনিয়ার কাঁধেই উঠতে পারে। আরটিভি/এসআর
নেইমারের সেই কঠিন দায়িত্ব কাঁধে নিতে যাচ্ছেন রাফিনিয়া!
আসিয়ান কাপে মাঠে নামার আগে অবসর নিয়ে মুখ খুললেন জামাল
বাংলাদেশের একাদশে নিয়মিত জায়গা না পেলেও অধিনায়কত্বের দায়িত্ব কাঁধে বয়ে বেড়াচ্ছেন জামাল ভূঁইয়া। গুঞ্জন উঠেছে, নতুন নেতৃত্বের খোঁজে রয়েছে বাফুফে। এসবের মাঝেই ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবসর নিয়ে কথা বলেছেন এই তারকা ফুটবলার। জামাল বলেন, অবশ্যই সবকিছুরই একটা শেষ আছে। তবে এই মুহূর্তে আমার মনে হচ্ছে, শরীর ভালো অবস্থায় আছে। জাতীয় দল ও বাংলাদেশের প্রতি আমার অনেক টান। অবসর নেওয়া অনেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সবাই বলে, খেলার সময়ের মুহূর্তগুলো আরও বেশি উপভোগ করতে পারলে ভালো হতো। প্রায় ১৮ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশ থেকে ২৩ জনের দলে জায়গা পাওয়াকে বড় সম্মানের বিষয় মনে করেন তিনি। এই ফুটবলারের ভাষ্য, প্রতিবার মাঠে নামা কিংবা জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা আমার কাছে বিশেষ কিছু। বছরের পর বছর অনেক খেলোয়াড়কে আসতে ও চলে যেতে দেখেছি। যত বেশি সময় দলের সঙ্গে থাকছি, তত বেশি উপভোগ করছি। কারণ আমি ফুটবল ভালোবাসি, আমার দল ও দেশকে ভালোবাসি। আসিয়ান কাপে ভক্তদের প্রত্যাশা নিয়ে তিনি বলেন, এই টুর্নামেন্ট নিয়ে আমাদের নিজেদের এবং দেশের মানুষের বিশাল প্রত্যাশা রয়েছে। আমরা জানি গ্রুপে আমরাই সবচেয়ে পিছিয়ে আছি। তবে আমরা এই টুর্নামেন্ট থেকে তিন-চার পয়েন্ট পাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছি। আর ফুটবলে কখন কী হয়, সেটা তো কেউ আগে থেকে বলতে পারে না! জাতীয় দলের হয়ে শততম ম্যাচের দ্বারপ্রান্তে থাকা ৩৬ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের জন্য আজকের এই অবস্থানে আসাটা মোটেও সহজ ছিল না। দুই দশক আগে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে ৪টি গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন তিনি।  সেই মৃত্যুঞ্জয়ী জামালই এখন বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় ভরসা। যতদিন শরীর সায় দেবে, দেশের হয়ে এই দায়িত্ব তিনি চালিয়ে যেতে চান। আরটিভি/এসআর
আসিয়ান কাপে মাঠে নামার আগে অবসর নিয়ে মুখ খুললেন জামাল
আরও পড়ুন
নাঈমের সঙ্গে যা হয়েছে, কোনোভাবেই তা গ্রহণযোগ্য নয়: তামিম ইকবাল
নাঈমকে মারধর করা এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য সম্পর্কে যা জানা গেল
নাঈমকে ‘মারধরের’ ঘটনায় বিসিবির গভীর উদ্বেগ
নাঈম হাসানকে শারীরিক নির্যাতনে কোয়াবের নিন্দা, লিটন-মিরাজদের ক্ষোভ