টানা দুই ম্যাচ জিতে আগেই গ্রুপ পর্ব নিশ্চিত করেছিল আর্জেন্টিনা। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি ছিল অপরাজিত থাকার চ্যালেঞ্জ। যেখানে দুই ফ্রি কিক ও এক পেনাল্টিতে ভর করে জর্ডানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে হ্যাটট্রিক জয় তুলে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
রোববার (২৮ জুন) সকালে জিওভান্নি ও মার্টিনেজের গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। বিরতিতে থেকে ফিরে এক গোল পরিশোধ করেন জর্ডানের মুসা আল তামারি। এরপরই মাঠে নামে মেসি, সেই সঙ্গে ফ্রি কিক থেকে একটি গোলও করেন তিনি।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে একচেটিয়া আধিপত্য দেখায় আলবিসেলেস্তেরা। ১৯ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে গোল উৎসবের সূচনা করেন জিওভানি লো সেলসো।
মেসির অনুপস্থিতিতে তার বাঁ পায়ের নিখুঁত শট জর্ডানের গোলরক্ষককে পরাস্ত করলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর ম্যাচের ৩০ মিনিটে কর্নার থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে জর্ডানের আল-রাশদান বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে মার্কোস সেনেসির মুখে বুট মারেন। ভিএআর পর্যালোচনা করে রেফারি আর্জেন্টিনার পক্ষে পেনাল্টির বাঁশি বাজান।
৩১ মিনিটে স্পটকিক থেকে কোনো ভুল করেননি লাওতারো মার্তিনেজ। জর্ডানের গোলরক্ষককে ভুল পথে পাঠিয়ে নিচের বাঁ কোণে বল জড়িয়ে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলের দেখা পান এই স্ট্রাইকার। তার গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্জেন্টিনার হাতেই। ৪৮ মিনিটে লো সেলসো আরও একটি গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়। তবে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে হঠাৎই ঘুরে দাঁড়ায় জর্ডান।
জর্ডানের এই গোলের ঠিক পরই মাঠে নামানো হয় লিওনেল মেসিকে। ম্যাচের ৬০ মিনিটে বেঞ্চ থেকে উঠে সবুজ গালিচায় পা রাখেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। এরপর ম্যাচের ৮০ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিজের ট্রেডমার্ক ফ্রি-কিকে চোখধাঁধানো এক গোল করেন তিনি।




