নিখোঁজ আনাছের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন দম্পতি

আরটিভি নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫ , ১২:৩১ পিএম


নিখোঁজ আনাছের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন দম্পতি
নিখোঁজ আনাছের মরদেহ উদ্ধার।

গাজীপুরের শ্রীপুরে নিখোঁজের চারদিন পর শিশু আনাছের (৪) মরদেহ বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক দম্পতিকে আটক করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুখানিয়া গ্রামের বাংগালপাড়া বিল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শিশু আনাছ খান গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুখানিয়া গ্রামে আল আমিন খানের ছেলে।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিরা হলেন, চিনাশুখানিয়া উত্তরপাড়ার গ্রামের নজরুল ইসলাম (৫০) ও তার স্ত্রী শাহীনুর আক্তার।

থানায় করা সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৭ নভেম্বর) চিনাশুখানিয়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে খেলনা সাইকেল নিয়ে পাশের নজরুলের বাড়িতে খেলতে যায় আনাছ। সকাল ৯টার দিকে আনাছ বাড়ি ফিরে না আসায় আশপাশে সবাই খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এ সময় তার ব্যবহৃত সাইকেলটি প্রতিবেশী সাজুর বাড়িতে পাওয়া যায়। সাজুকে আনাছের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে, অভিযুক্ত নজরুলের স্ত্রী তার বাড়িতে সাইকেলটি রেখে গেছে বলে জানান। পরে শিশু আনাছকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে গত শুক্রবার শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন আনাছের দাদা হাছেন আলী খান।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনার পর চিনাশুকানিয়া গ্রামের নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শাহীনুর আক্তারকে গেল রোববার রাত ১০টার দিকে গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির আধ কিলোমিটার দূরে বাংগালপাড়া বিল থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসমত আলী জানান, নিখোঁজের পরপরই শিশু আনাছের খোঁজে পুলিশ কাজ শুরু করে, পাশাপাশিও ডিবি পুলিশও ছায়াতদন্ত শুরু করে। এরপরই ওই দম্পতিকে চিহ্নিত করা হয় এবং তাদের আটক করে রোববার রাতে জেলা গোয়েন্দা অফিসে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা জানান, ঘটনাস্থলে একটি সেপটিক ট্যাংকি আছে। আনাছকে হত্যার পর একটি প্লাস্টিক বস্তায় ভরে সেখানে মরদেহটি রাখা হয়। পরে রাস্তার পাশে ট্যাংকি থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে এমন শঙ্কায় মরদেহটিকে বিলের মাঝে নিয়ে ফেলে রাখেন তারা। তবে কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা বিভিন্ন দিক থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি।

আরটিভি/এস

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission