মৌসুমের সর্বোচ্চ ৩৮.৫ ডিগ্রিতে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা, সেই সাথে প্রখর তাপ আর ভ্যাপসা গরমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।
জীবিকার তাগিদে তীব্র রোদে পুড়ে কাজ করতে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষকে। রোদের তীব্র প্রখরতায় প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। তীব্র গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। অসহনীয় তাপপ্রবাহের মধ্যে খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ।
এ দিকে, তীব্র গরমে সড়কের পিচ গলে উঠে যেতে দেখা গেছে। শহরে পৌরসভার সামনে এই চিত্র দেখা গেছে। এই তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলেও আবহাওয়া বার্তায় বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৩ শতাংশ।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক জাহিদুর রহমান জানান, চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো তাপমাত্রা ৩৮.৫ ডিগ্রি অতিক্রম করেছে। জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
কৃষি শ্রমিক জামাল উদ্দিন বলেন, এই গরমে মাঠে কাজ করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। একটু পরপরই বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। বেশি বিশ্রাম নিলে কাজ শেষ হবে না। তাই বাধ্য হয়েই কাজ করছি।
ব্যাটারী চালিত ভ্যান চালক আব্দুস সামাদ বলেন, সারাদিন প্রখর রোদের জন্য রাস্তায় লোকজন কম বেরিয়েছে। যার ফলে আজ আয় অনেক কম হয়েছে।
মোটরসাইকেল চালক শফিকুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে তেলপাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলাম। আজ তাপমাত্রাও অনেক বেশী ছিলো। রোদের তাপে শরীর পুড়ে যাচ্ছিল।
আরটিভি/এমআই



