ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রমাণিত, টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
মো. আবু সাঈদ স্বপন। ছবি: সংগৃহীত

সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদ স্বপনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসান বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ সময় তিনি বলেন, বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন পেয়েছি। আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে গত ৩ মে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এদিকে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ফলদা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু সাঈদ স্বপনের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্সের টাকা আত্মসাৎ, ভিডব্লিউবি কর্মসূচির আওতায় ২৮৬ জন সুবিধাভোগী বাছাইয়ে অনিয়ম, তৃতীয় প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে নিজ এলাকায় টিআর ও কাবিখা প্রকল্প গ্রহণ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রণোদনা বিতরণে অনিয়ম এবং ডি.ডব্লিউ.বি কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। তদন্তে এসব অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হওয়ায় তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে আইনবহির্ভূত। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪(৪) এর (খ) ও (ঘ) ধারায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ায় একই আইনের ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আদেশটি জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট ফলদা ইউনিয়ন পরিষদের সাতজন সদস্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে বলা হয়, নিয়মিত সভা বা রেজুলেশন ছাড়াই প্যানেল চেয়ারম্যান আবু সাঈদ স্বপন সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দ ও উন্নয়ন ফান্ড থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ভিজিডির ২৮৬টি কার্ডের মধ্যে মাত্র ৬০টি ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে বিতরণ করা হলেও বাকি কার্ডগুলো তার ঘনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে দেওয়া হয়। এছাড়া ভিজিএফ কার্ড বিতরণেও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে নিজের গ্রাম আগতেরিল্যা এলাকায় কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে অর্থ উত্তোলন এবং কৃষি প্রণোদনার বড় অংশ নাম-বেনামে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়।

এর এক মাসের মধ্যেই আবারও তার বিরুদ্ধে সরকারি ভিডব্লিউবি (ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট) কর্মসূচির প্রায় পৌনে দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগে বলা হয়, সুবিধাভোগীদের সঞ্চয়ের টাকা ব্যাংকে জমা না রেখে টানা তিন মাস নিজের কাছে রেখেছিলেন তিনি।

এসব ঘটনায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরে উপজেলা প্রশাসন পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ভিডব্লিউবি সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিমা আক্তার। তদন্তে তিনি অভিযোগের সত্যতা পান এবং স্বপনকে দায়ী করেন। অন্যদিকে ইউপি সদস্যদের দায়ের করা অভিযোগ তদন্ত করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিব হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিটি।

আরও পড়ুন

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্স, সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ ও উন্নয়ন ফান্ডে অনিয়মসহ প্রায় সব অভিযোগেরই প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে প্যানেল চেয়ারম্যান আবু সাঈদ স্বপনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে সত্য উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। পরে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ফলদা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদ স্বপনকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফলদা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদ স্বপন বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছিল, সেগুলোর বিষয় উল্লেখ করে সাময়িক বরখাস্তের চিঠি পেয়েছি।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। তবে দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও নিবন্ধন আটকে রেখে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পরে আরও ২০ হাজার টাকা ‘কমিশন’ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন উমেদার রূপণ দাশ। ঘুষ নেওয়ার সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেনের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশ দাবি করেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশেই তারা দুই লাখ টাকা নিয়েছিলেন। জবানবন্দি গ্রহণের পর তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর রেজাউল করিম রনি। অভিযান পরিচালনাকারী ফাঁদ টিমের নেতৃত্বে থাকা দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তিনি বলেন, পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের জন্য তারা দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এক ভুক্তভোগী আইনজীবী প্রথমে হটলাইন ১০৬ এবং পরে দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ লিখিত অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কৌশলে হাতেনাতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম জানিয়েছেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশে তিনি দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। ওই টাকা উমেদার রূপণ দাশের মাধ্যমে তার কাছে পাঠানো হয়েছিল। সেই অর্থ নেওয়ার সময়ই দুদকের দল কার্যালয়ে অভিযান চালায়। এদিকে উমেদার রূপণ দাশ তার জবানবন্দিতে বলেন, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই কার্যালয়ে কর্মরত। যে দলিল নিবন্ধনের ঘটনায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটির সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। এর বাইরে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। জবানবন্দিতে রূপণ দাশ আরও বলেন, প্রথমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে আরও ২০ হাজার টাকা কমিশন হিসেবে নেওয়ার কথা ছিল। দলিলদাতাদের একজন উপস্থিত হতে না পারায় ওই টাকা তার বাসায় গিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার দাবি, দলিলটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও সাবরেজিস্ট্রারের নির্দেশে বাড়তি দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। আদালত সূত্র জানায়, এ ঘটনায় দুদকের পক্ষ থেকে পরে মামলা করা হয়। বুধবার গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান জবানবন্দি দেননি। অপর দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আরটিভি/এসআর
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে স্থায়ী অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্র থেকে তাকে পাঠানো এক নোটিশে এ বার্তা দেওয়া হয়। এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা সাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আরও বলা হয়, অভিযোগের তীব্রতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী আপনাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। উল্লেখ্য, অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে এনসিপির ফরিদপুরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে (৪০) ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত এনসিপি নেতার মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ নামের ওই কারখানায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। আরটিভি/এসআর
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের প্যাকেট ভেবে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নিয়েছিলেন নুর মোহাম্মদ। পরে সেটি খুলে দেখেন, ভাত নয়-ভেতরে রয়েছে মিষ্টি। প্রচণ্ড ক্ষুধায় সেখান থেকে কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন নুর মোহাম্মদ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর আমলি) আদালতে শুনানি শেষে বিচারক সঞ্জয় পাল তাকে ৫০ টাকা জরিমানা করেন।  এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাকে ১০০ টাকা সহায়তা করেন। সেই অর্থ থেকেই জরিমানার ৫০ টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর রেলস্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। নড়াইলের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ যশোরের ঝিকরগাছার একটি কাঁচামালের আড়তে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কাজ শেষে তিনি যশোর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন।  একপর্যায়ে প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেও তার কাছে খাবার কেনার টাকা ছিল না। এ সময় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নেন তিনি। পরে প্যাকেট খুলে মিষ্টি দেখতে পান এবং কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার জিআরও এসআই হেলালুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধের পর নুর মোহাম্মদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে আসার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়ন থেকে শরীফপুর ইউনিয়নে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন হাছানহাট সংযোগ সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে জিআই তার দিয়ে ঢালায়ের অভিযোগ উঠেছে।
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
আরও পড়ুন
রডের বদলে বাঁশ, এলজিইডির ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত
তথ্য চেয়ে আবেদন করায় সাংবাদিককে ইউএনওর হুমকি
টাঙ্গাইলে ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ, দুদকের অভিযান
মাভাবিপ্রবিতে ভাসানী পরিষদের নেতৃত্বে ইপিয়ার-হাবিবুর