ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

নবগঙ্গার দুই পাড়ের বাসিন্দাদের আজন্মের দূরত্ব ঘোঁচাবে কালিয়া সেতু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
নির্মাণাধীন কালিয়া সেতু। ছবি: সংগৃহীত

নড়াইলের বারইপাড়া ঘাটে নবগঙ্গা নদীর ওপর নির্মাণাধীন কালিয়া সেতুটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে বদলে যাবে জেলা সদর ও কালিয়া উপজেলা সদরের যোগাযোগ ব্যবস্থার চিত্র। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে এই জনপদের জীবনমানেরও উন্নয়ন হবে। নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আজন্মের দূরত্ব ঘোঁচাবে এই সেতু।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এই সেতুর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলে সদর ও কালিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও হাটবাজারের যোগাযোগ, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। সর্বস্তরের উন্নয়নের দুয়ার খুলে যাবে। এতে দুই উপজেলাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যেও পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষা ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের মাধ্যমে জেলা জুড়ে সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগবে।

তিনি বলেন, সেতুটি নির্মাণের ফলে জেলা সদর, কালিয়া উপজেলা, খুলনা ও আশপাশের জেলা-উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল-কালিয়া সড়কের বারইপাড়া এলাকায় নবগঙ্গা নদীর ওপর ৬৫১ দশমিক ৮৩ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের কালিয়া সেতুর নির্মাণকাজ শেষের পথে। মোট ১৩৫ কোটি ৯২ লাখ ৫১ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে। মোট কাজের ৮৫ শতাংশ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

কালিয়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের লিপন শেখ বলেন, বারইপাড়া ঘাটে নবগঙ্গা নদীর ওপর নির্মাণাধীন কালিয়া সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে পারব। আগের মতো আমাদের কষ্টের দিন থাকবে না।

পুরুলিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের চাকুরিজীবী আসিফ সরদার বলেন, সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে নদী ঘাটে নৌকার জন্য অপেক্ষা করে আর সময় পার করতে হবে না। এতে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হব।

আরও পড়ুন

কালিয়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও খাশিয়াল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আসজাদুর রহমান মিঠু বলেন, চারদিকে নদী, অথৈ পানির ঢেউয়ের মাঝেই নবগঙ্গা নদীপাড়ের বাসিন্দাদের বসবাস। নবগঙ্গা নদীর ওপর বারইপাড়া ঘাটে সেতু নির্মাণের ফলে নদী তীরবর্তী ও আশপাশের মানুষের জীবনে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগবে। নদীমাতৃক নড়াইল এখন উন্নয়ন সমৃদ্ধির মডেল জনপদ হিসেবে সর্বত্র পরিচিত লাভ করবে।

স্থানীয়রা জানান, নড়াইল জেলা শহর থেকে কালিয়া উপজেলা সদরকে বিভক্ত করেছে নবগঙ্গা নদী। এই নদীর ওপর বারইপাড়া ঘাটে নির্মিতব্য সেতুটি চালু হলে নড়াইল সদর, কালিয়া উপজেলা ছাড়াও বাগেরহাট ও খুলনাসহ আশপাশের জেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সহজ হবে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর নড়াইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে সেতুর ৮৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। নবগঙ্গা নদীর ওপর কালিয়া সেতু নির্মাণ কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী এ বছর ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। আশা করছি, নির্ধারিত সময়েই কাজটি সম্পন্ন হবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সে অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। তবে দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও নিবন্ধন আটকে রেখে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পরে আরও ২০ হাজার টাকা ‘কমিশন’ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন উমেদার রূপণ দাশ। ঘুষ নেওয়ার সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেনের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশ দাবি করেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশেই তারা দুই লাখ টাকা নিয়েছিলেন। জবানবন্দি গ্রহণের পর তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর রেজাউল করিম রনি। অভিযান পরিচালনাকারী ফাঁদ টিমের নেতৃত্বে থাকা দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তিনি বলেন, পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের জন্য তারা দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এক ভুক্তভোগী আইনজীবী প্রথমে হটলাইন ১০৬ এবং পরে দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ লিখিত অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কৌশলে হাতেনাতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম জানিয়েছেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশে তিনি দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। ওই টাকা উমেদার রূপণ দাশের মাধ্যমে তার কাছে পাঠানো হয়েছিল। সেই অর্থ নেওয়ার সময়ই দুদকের দল কার্যালয়ে অভিযান চালায়। এদিকে উমেদার রূপণ দাশ তার জবানবন্দিতে বলেন, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই কার্যালয়ে কর্মরত। যে দলিল নিবন্ধনের ঘটনায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটির সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। এর বাইরে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। জবানবন্দিতে রূপণ দাশ আরও বলেন, প্রথমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে আরও ২০ হাজার টাকা কমিশন হিসেবে নেওয়ার কথা ছিল। দলিলদাতাদের একজন উপস্থিত হতে না পারায় ওই টাকা তার বাসায় গিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার দাবি, দলিলটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও সাবরেজিস্ট্রারের নির্দেশে বাড়তি দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। আদালত সূত্র জানায়, এ ঘটনায় দুদকের পক্ষ থেকে পরে মামলা করা হয়। বুধবার গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান জবানবন্দি দেননি। অপর দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আরটিভি/এসআর
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে স্থায়ী অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্র থেকে তাকে পাঠানো এক নোটিশে এ বার্তা দেওয়া হয়। এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা সাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আরও বলা হয়, অভিযোগের তীব্রতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী আপনাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। উল্লেখ্য, অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে এনসিপির ফরিদপুরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে (৪০) ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত এনসিপি নেতার মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ নামের ওই কারখানায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। আরটিভি/এসআর
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের প্যাকেট ভেবে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নিয়েছিলেন নুর মোহাম্মদ। পরে সেটি খুলে দেখেন, ভাত নয়-ভেতরে রয়েছে মিষ্টি। প্রচণ্ড ক্ষুধায় সেখান থেকে কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন নুর মোহাম্মদ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর আমলি) আদালতে শুনানি শেষে বিচারক সঞ্জয় পাল তাকে ৫০ টাকা জরিমানা করেন।  এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাকে ১০০ টাকা সহায়তা করেন। সেই অর্থ থেকেই জরিমানার ৫০ টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর রেলস্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। নড়াইলের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ যশোরের ঝিকরগাছার একটি কাঁচামালের আড়তে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কাজ শেষে তিনি যশোর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন।  একপর্যায়ে প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেও তার কাছে খাবার কেনার টাকা ছিল না। এ সময় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নেন তিনি। পরে প্যাকেট খুলে মিষ্টি দেখতে পান এবং কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার জিআরও এসআই হেলালুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধের পর নুর মোহাম্মদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে আসার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়ন থেকে শরীফপুর ইউনিয়নে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন হাছানহাট সংযোগ সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে জিআই তার দিয়ে ঢালায়ের অভিযোগ উঠেছে।
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
আরও পড়ুন
মাদরাসাছাত্রের শরীরে ব্যথার কারণ থেকে মিলল ‘ভয়ংকর সত্য’
টাঙ্গাইলে ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ, অতঃপর...
ভিত্তিপ্রস্তরেই আটকে আছে মীরগঞ্জ সেতুর স্বপ্ন
অনলাইন জুয়া ও প্রতারণা চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ৯