নাটোরের বড়াইগ্রামের মালিপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রীকে বাবা ও ছেলে মিলে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায়, সোমবার (২৫ মে) বিকালে অভিযুক্ত মালিপাড়া গোয়ালপাড়া এলাকার বাবা সামসুল ইসলাম (৬২) এবং ছেলে আরিফুল ইসলাম (৩০) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গত ২০ মে রাত সাড়ে ১১ টায় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা কাবিন ধার্য করে অভিযুক্ত ছেলের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে পড়ানো হয়। এ ছাড়া মেয়ের নামে ৪ শতাংশ জমি লিখে দেওয়াসহ অভিযুক্ত বাবাকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার শর্ত দেন গ্রাম প্রধানরা। কিন্তু পরে ওই কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয়রা জানান, পিতৃহীন ওই শিক্ষার্থীর মা মানসিক প্রতিবন্ধী। ওই মেয়ের বাড়ির পাশে সামসুল ইসলামের একটি চায়ের দোকান রয়েছে। বাবা ছেলে দু’জন মিলেই দোকানটি চালান। গত নভেম্বর মাসে তারা বাবা ছেলে একাধিকবার ভয়ভীতি দেখিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতেও ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তারা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এ সময় কাউকে বিষয়টি জানালে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন তারা। এক পর্যায়ে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে সোমবার গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আরটিভি/এসএস




