চট্টগ্রামের বোয়ালখালী ও সাতকানিয়া উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় খাল ও নদীতে ডুবে দুই যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে বোয়ালখালীর ভাণ্ডালজুড়ি খালে ভেসে গেছেন এক বাগানশ্রমিক। অন্যদিকে সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীতে পড়ে তলিয়ে গেছেন এক যুবদল কর্মী।
বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত ও বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পৃথক সময়ে এ দুটি ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ দুই যুবকের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জ্যৈষ্ঠপুরা এলাকার লেচু বারিচা নামক স্থানে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট প্রবল স্রোতে ভাণ্ডালজুড়ি খালে ডুবে দিদার আলম হৃদয় (১৮) নামে এক যুবক নিখোঁজ হন। তিনি পূর্ব জ্যৈষ্ঠপুরা গুচ্ছগ্রাম আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার মৃত ইলিয়াছের ছেলে। জীবিকার তাগিদে তিনি পাহাড়ে বাগানশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে লিচুবাগানে কাজ করতে যাওয়ার সময় হৃদয় ভাণ্ডালজুড়ি খাল পার হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট প্রবল স্রোতে তিনি ভেসে যান।
বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অলক চাকমা বলেন, নিখোঁজ যুবককে উদ্ধারে অভিযান চলমান রয়েছে।
অপরদিকে, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সাতকানিয়া উপজেলার সাঙ্গু নদীতে তলিয়ে গিয়ে আবদুল আলম নামে এক যুবক নিখোঁজ হন। তিনি উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং স্থানীয় যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত।
জানা গেছে, দোহাজারি থেকে নদীপথে কালিয়াইশ ফেরার সময় কোনো একপর্যায়ে তিনি সাঙ্গু নদীতে পড়ে তলিয়ে যান। বিষয়টি বুঝতে পেরে তার সঙ্গে থাকা লোকজন ও স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
সাতকানিয়া কালিয়াইশ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল হক নুর বলেন, আবদুল আলম দোহাজারি থেকে নদীপথে কালিয়াইশ আসছিলেন। তারা চারজন একসঙ্গে ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি নদীতে পড়ে তলিয়ে যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
আরটিভি/টিআর




