ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

বেনাপোল বন্দরে বৃষ্টির পানিতে ভাসছে কোটি টাকার আমদানি পণ্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত

একদিনের বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন শেডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পাঁচটি শেডে পানিতে তলিয়েছে বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত মালামাল। কোটি কোটি টাকার পণ্য এখন হাঁটুপানিতে ভাসছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত থেকেই বিরামহীনভাবে বৃষ্টি হচ্ছে এ অঞ্চলে। একটানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের ৩নং গেটের সামনে পাঁচটি শেডে পানিতে তলিয়েছে বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত মালামাল। কোথাও কোথাও হাঁটুপানি জমে গেছে। এসব পানি পাওয়ার পাম্প দিয়ে বের করার চেষ্টা চলছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বন্দর ব্যবহারকারীরা এসব এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল বন্দরে শেড ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মিত হলেও নাজুক ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় শত শত কোটি টাকার মালামাল।

বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা গণমাধ্যমকে বলেন, স্থানীয় বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে নানা অব্যবস্থাপনার কথা বলে এলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো কথা আমলে না নেওয়ায় প্রায় শতাধিক আমদানিকারক সব হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। বীমা না থাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো ক্ষতিপূরণও দেয় না। পানি নিষ্কাশনের বিষয়ে কমিটি করা হলেও তার কোনো কার্যকারিতা নেই। গত বছরের বর্ষার সময় কমিটির লোকজনের তৎপরতা ২/১ দিন দেখা গেলেও পরে এ নিয়ে আর কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি।

বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ী আলহাজ মতিয়ার রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, বন্দরে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে। কয়েকটি পণ্যাগারে পানি ঢুকে অনেক আমদানিকারকের লাখ লাখ টাকার মালামাল পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্দরের ভাড়া প্রতিবছর বাড়লেও তারা বন্দরের উন্নয়নে কোনো ভূমিকা নিচ্ছে না। অধিকাংশ অবকাঠামো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া তৈরি হওয়ায় বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বারবার আশ্বাস দিলেও স্থায়ী সমাধান করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন

বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক আনু জানান, অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর হলো বেনাপোল। সরকার এই বন্দর থেকে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করে থাকে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীরা একাধিকবার বন্দরের কাছে অভিযোগ করলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। এত বড় বাণিজ্যিক স্থাপনায় বছরের পর বছর এই দুর্দশা চললেও সরকারের কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া দুর্ভাগ্যজনক। বৃষ্টির পানি পণ্যাগারে ঢুকে মালামাল ভিজে নষ্ট হলে লোকসানের শিকার হতে হয় ব্যবসায়ীদের।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক কাজি রতন বলেন, বৃষ্টিতে বেশকিছু শেডে পানিতে মালামাল ভিজেছে। পাওয়ার পাম্প দিয়ে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা চলছে। তবে অবিরাম বৃষ্টি হওয়ায় কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। বৃষ্টি পড়া বন্ধ হলে সমস্যা সমাধান হওয়ার আশা করেন তিনি। জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্লিনিকে না যাওয়ায় নারীর মাথা ফাটাল দালালরা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরের পরীক্ষা সম্পর্কে তথ্য জানতে গিয়ে এক নারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন দালালের বিরুদ্ধে। এতে কানিজা আফরোজ (৪০) নামে ওই নারী আহত হয়েছেন। তার মাথায় তিনটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত কানিজা আফরোজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার বালুবাগান এলাকার বাসিন্দা। তার অভিযোগ, ছেলের ডেঙ্গু জ্বরের বিষয়ে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার তথ্য জানতে তিনি হাসপাতালের বহির্বিভাগে (আউটডোর) যান। সেখানে সিবিসি পরীক্ষা করা হয় কি না জানতে চাইলে আশপাশে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ও তার ছেলেকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। ওই ব্যক্তিরা তাকে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করানোর জন্য চাপ দেন। তিনি আগে হাসপাতালেই পরীক্ষা সম্পর্কে তথ্য জানতে চান। এতে রাজি না হলে তাকে জোর করে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কানিজা আফরোজ বলেন, একপর্যায়ে কয়েকজন প্লাস্টিকের পাইপ ও রডসহ বিভিন্ন জিনিস দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিলে তার মাথায় তিনটি সেলাই দেওয়া হয়। কানিজা আফরোজ বলেন, আমি শুধু জানতে চেয়েছিলাম এখানে সিবিসি পরীক্ষা হয় কি না। এরপর কয়েকজন আমাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দিতে চান। আমি বলি, আগে তথ্যটা জেনে নিই। তখন তারা বলে, এখানে পরীক্ষা হয় না, ক্লিনিকে যেতে হবে। আমি যেতে না চাইলে আমাকে মারধর করা হয়। আমরা বাঁচাও বলে চিৎকার করেছি। কিন্তু কেউ এগিয়ে এসে সাহায্য করেনি। কানিজার অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালটিতে কথিত দালালদের দৌরাত্ম্য রয়েছে। তারা বিভিন্ন রোগী ও তাদের স্বজনকে নানা কথা বলে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এর প্রতিবাদ করায় তাকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন কানিজা আফরোজ। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাহবুব হাসান বলেন, হাসপাতালে কোনো কর্মচারী সেখানে না থাকায় এবং কেউ এগিয়ে না আসায় দালালরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। দায়ীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আহত নারী আইনি ব্যবস্থা নিলে তাকে সহায়তা করা হবে। এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরামুল হোসেন জানান, হাসপাতালে মারধরের বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
ক্লিনিকে না যাওয়ায় নারীর মাথা ফাটাল দালালরা
ইয়াবাসহ দুই জুলাই যোদ্ধা গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ইয়াবাসহ দুই জুলাই যোদ্ধাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের বৃষ্টি হোটেলের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চিতুলিয়াপাড়ার আজাহার আলীর ছেলে জুলাই যোদ্ধা হাছান আলী (৩৭) এবং একই উপজেলার শালদাইর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে ও গোবিন্দাসী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য জুলাই যোদ্ধা মাহমুদুল হাসান (৩৪)। পুলিশ তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১৫০ পিস করে মোট ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি, জুলাই যোদ্ধা পরিচয় ব্যবহার করে তারা রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় জুলাই যোদ্ধার প্রভাব খাটিয়ে তারা প্রশাসনকে চাপে রাখতেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উপপরিদর্শক রাইজ উদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলেঙ্গার একটি হোটেলসংলগ্ন এলাকা থেকে দুই জুলাই যোদ্ধাকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, গাবসারা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে এসে এলেঙ্গায় বিক্রির জন্য ক্রেতার অপেক্ষায় ছিলেন। আরটিভি/টিআর
ইয়াবাসহ দুই জুলাই যোদ্ধা গ্রেপ্তার
পুলিশ দেখেই ‘ডাকাত’ বলে চিৎকার করেন চালক, অতঃপর...
টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় চালককে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাইক্রোবাস নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছে একদল ডাকাত। এ সময় হাইওয়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে ৫ থেকে ৭ জন পালিয়ে যায়। পরে গাড়ি থেকে দুটি রামদা ও শাবলযুক্ত একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, মাইক্রোবাসটি গাজীপুরের কোনাবাড়ী থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। চালক মো. খোরশেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে গাড়িটি রিজার্ভ করা হয়। পরে চন্দ্রাসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যায়ক্রমে ৫ থেকে ৭ জন ব্যক্তি গাড়িতে ওঠেন। চালকের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কিছুদূর যাওয়ার পর ওই ব্যক্তিরা ধারালো অস্ত্রের মুখে তাঁকে জিম্মি করে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নেন। পরে তাঁদের নির্দেশ অনুযায়ী গাড়ি চালাতে বাধ্য হন তিনি। একপর্যায়ে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে প্রায় ২০০ গজ পূর্বে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা গাড়িটিকে দেখতে পান। পুলিশ দেখে চালক ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার করে সাহায্য চান। এ সময় হাইওয়ে পুলিশের দুই কনস্টেবল দ্রুত গাড়িটির দিকে এগিয়ে গেলে গাড়িতে থাকা ৫ থেকে ৭ জন ব্যক্তি নেমে বিভিন্ন দিকে দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে আতঙ্কিত অবস্থায় চালক মো. খোরশেদকে উদ্ধার করে পুলিশ। গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি রামদা ও শাবলযুক্ত একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে মধুপুর (এলেঙ্গা) হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমান জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র, মাইক্রোবাস ও চালককে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কালিহাতী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
পুলিশ দেখেই ‘ডাকাত’ বলে চিৎকার করেন চালক, অতঃপর...
ক্লাসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ২৫ শিক্ষার্থী
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় ক্লাস চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে ২৫ শিক্ষার্থী। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে পাঁচবিবি উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কাঁকড়া পিংলু উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলাকালে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থতা বোধ করতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যেই শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও বমি বমি ভাব দেখা দিলে একে একে ২৫ জন শিক্ষার্থী ঢলে পড়ে। এতে পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকেরা দ্রুত অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তরুণ কুমার পাল বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তীব্র গরম অথবা সাইকোলজিক্যাল (গণ-মনস্তাত্ত্বিক) কোনো কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে থাকতে পারে। বর্তমানে অধিকাংশ রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং চিকিৎসকেরা সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। আরটিভি/টিআর
ক্লাসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ২৫ শিক্ষার্থী
বিনামূল্যে বিতরণের এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার, আটক ১
টাঙ্গাইলের মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার করেছে প্রশাসন। এ সময় ভাঙারি ব্যবসায়ী ইব্রাহিমকে আটক করা হয়। দুটি ভ্যানে করে বাড়ি থেকে বইগুলো অন্যত্র পাচার করছিলেন তিনি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার নরকোনা গ্রামের ইব্রাহিমের বাড়ি থেকে বইগুলো উদ্ধার করা হয়। মধুপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) বাবুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানান, ইব্রাহীম হোসেন মাঝে মধ্যেই মধুপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের গুদাম থেকে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বিনামূল্যের পাঠ্যবই কেজি দরে কিনে এনে বিক্রি করতেন। মঙ্গলবার তিনি কয়েক ভ্যান পাঠ্যবই ওই গুদাম থেকে কিনে আনেন। এরপর বাড়িতে রেখে বুধবার অন্যত্র পাচারের চেষ্টা করেন। সন্দেহবশত গ্রামের কয়েকজন যুবক খোঁজ নিয়ে দেখতে পান, সবই নবম-দশম শ্রেণির বিনামূল্যের পাঠ্যবই। পরে তারা স্থানীয় সংবাদকর্মী, থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নঈম উদ্দীন ঘটনাস্থলে যান। তারা পাঠ্যবই জব্দ করেন এবং ভাঙারি ব্যবসায়ী ইব্রাহীম হোসেনকে আটক করে থানায় পাঠান। ভাঙারি ব্যবসায়ী ইব্রাহীম হোসেন জানান, তিনি মধুপুর শিক্ষা অফিসের অনুমোদন সাপেক্ষে নাইটগার্ড তোফায়েল আহমেদের সহযোগিতায় গুদাম থেকে এসব বই কেজি দরে কিনে এনেছেন। কাজেই তার কোনো দোষ নেই। বই বিতরণের দায়িত্বে থাকা একাডেমিক অফিসার মো. মহিউদ্দীন জানান, তার অগোচরে নাইটগার্ড এ কুকর্ম করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিনামূল্যের এসব পাঠ্যবই কীভাবে, কোথা থেকে এলো, তা তদন্ত করে দেখা হবে। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাবুল হাসান বাদী হয়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আরটিভি/টিআর
বিনামূল্যে বিতরণের এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার, আটক ১
আরও পড়ুন
ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু