ময়মনসিংহের দুই উপজেলায় পৃথক বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) জেলার নান্দাইল উপজেলার মহেশকুড়া ইউনিয়নের বাস্তুহারা গ্রামে ও দক্ষিণ পাগলা উপজেলার লংগাইর ইউনিয়নে এসব ঘটনা ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণ পাগলা থানার লংগাইর ইউনিয়নের বাগরাপাড়া গ্রামের রমিজ উদ্দিনের ছেলে রাতুল (১৯) একটি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে তিনি একটি ফিশারিতে মাছের খাদ্য দিতে যান। এ সময় অসাবধানতাবশত ফিশারির বিদ্যুৎ সংযোগের তারের সংস্পর্শে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে, একই দিন সকাল ১০টার দিকে চরআলগি ইউনিয়নের ফেরদৌস আলমের ছেলে বাদল মিয়া (৪৫) নান্দাইল উপজেলার মহেশকুড়া ইউনিয়নের বাস্তহারা গ্রামে একটি পানির মোটর পাম্পের বিদ্যুৎ লাইনের সুইচ চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নিহত রাতুলের চাচা আনিসুর রহমান বলেন, ফিশারিতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হলে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো।
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পৃথক বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে। বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/এমএইচজে




