ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

আফগান যুদ্ধে ন্যাটোর ভূমিকা নিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২২ পিএম
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্র কখনো বিপদে পড়লে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো পাশে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে প্রকাশ্যে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, অতীতে আফগানিস্তান যুদ্ধে ন্যাটো সেনা পাঠালেও তারা সম্মুখ সমরে লড়াই না করে পেছন থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেছিল। ট্রাম্পের এমন অপমানজনক মন্তব্যে আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়েই শুরু হয়েছে চরম কূটনৈতিক উত্তেজনা। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার এই বক্তব্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন

ট্রাম্পের এই দাবি ন্যাটোর মূল ভিত্তি ‘আর্টিকেল-৫’ নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে, যেখানে বলা আছে কোনো এক সদস্য দেশের ওপর হামলা মানে পুরো জোটের ওপর হামলা। ২০০১ সালে টুইন টাওয়ারে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র যখন এই ধারাটি কার্যকর করেছিল, তখন যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং ডেনমার্কের মতো দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। ট্রাম্পের অভিযোগ—ন্যাটো জোটের সাহায্য পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত এবং তারা কেবল নামমাত্র সেনা পাঠিয়ে দায় সারে।

তবে ট্রাম্পের এই মন্তব্যের বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে ডাউনিং স্ট্রিট এক কড়া বিবৃতিতে জানিয়েছে, আফগানিস্তানে ব্রিটিশ সেনাদের আত্মত্যাগ ও সাহসিকতা নিয়ে কোনো ধরনের সন্দেহ থাকা উচিত নয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আফগানিস্তানে লড়াই করতে গিয়ে প্রায় সাড়ে চারশ ব্রিটিশ সেনা প্রাণ হারিয়েছেন এবং হাজার হাজার সেনা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। ট্রাম্পের ‘পেছনে থাকার’ তত্ত্বকে তাই ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর জন্য চরম অবমাননাকর হিসেবে দেখছেন লন্ডনের নীতি নির্ধারকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই অনমনীয় মনোভাব ন্যাটো জোটের অভ্যন্তরে আস্থার সংকট আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিশেষ করে যখন বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ছে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন অবস্থান মিত্র দেশগুলোকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মৃতদেহ উঠে আসার ভয়ে গলায় কাস্তে, পায়ে তালা! ভ্যাম্পায়ার-ভীতি নাকি অন্য কিছু?
মৃত্যুর পর দাফন বা সৎকারের রীতি দেশ ও সংস্কৃতিভেদে ভিন্ন। তবে ইউরোপের কিছু অঞ্চলে একসময় প্রচলিত ছিল অদ্ভুত এক বিশ্বাস—কবর দেওয়া মৃত ব্যক্তিও নাকি ফিরে আসতে পারেন জীবিতদের মাঝে!
মৃতদেহ উঠে আসার ভয়ে গলায় কাস্তে, পায়ে তালা! ভ্যাম্পায়ার-ভীতি নাকি অন্য কিছু?
গরু বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে ট্রাকচাপা দিলেন স্বামী
ধারের টাকা পরিশোধের জন্য গোয়ালের গরু বিক্রি করতে চেয়েছিলেন ট্রাকচালক চুন্নিলাল কুমাওয়াত (৫৬)। তবে এতে তার স্ত্রী চুঙ্কি দেবী (৫২) আপত্তি জানান।
গরু বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে ট্রাকচাপা দিলেন স্বামী
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ থেকে ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারের জাহাজকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান
ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে রাজি রাশিয়া
ইরানের কাছে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা বিক্রিতে সম্মতি দিয়েছে রাশিয়া। হেলিকপ্টার থেকে পরিচালিত এসব লঞ্চারের মাধ্যমে নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা সম্ভব। ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীও এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের উৎপাদনসংক্রান্ত নথিতে ‘এপিইউ-এল’ মডেলের ৯০টি লঞ্চার রপ্তানির আদেশের তথ্য রয়েছে। সেখানে ক্রেতার নাম সরাসরি উল্লেখ না করে ‘কে-১০’ সাংকেতিক পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে।  রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নথিতে এই সংকেত দিয়ে ইরানকে বোঝানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। তবে এসব সরঞ্জাম ইতোমধ্যে ইরানের কাছে পৌঁছেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লঞ্চারগুলো রাশিয়ার এমআই-২৮ মডেলের আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে স্থাপন করা যায়। প্রতিটি লঞ্চারে দুটি করে ‘এলএমইউআর’ নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। আকাশে উড্ডয়নের সময়ও এসব ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পরিবর্তন করা যায়। ফলে চলমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়। এফটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতেও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে মস্কো। ‘সি৪৩০এল’ নামের একটি গোপন প্রকল্পের আওতায় রুশ প্রকৌশলীরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করেছেন। সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ভবিষ্যতে পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এর আগে ইরানের কাছ থেকে শাহেদ ড্রোন সংগ্রহ করেছিল রাশিয়া। পাশাপাশি ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতেও সহযোগিতা করছে মস্কো। বিশ্লেষকদের ধারণা, সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই ঘনিষ্ঠ হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য প্রভাবশালী শক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাই ক্রেমলিনের অন্যতম লক্ষ্য।  এ কারণে রুশ সামরিক সহায়তায় ইরানের সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা আঞ্চলিক সংঘাতের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আরটিভি/এসআর  
ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে রাজি রাশিয়া
ভুয়া তথ্যে করোনার ১৮ মিলিয়ন ডলারের অনুদান লুট, অভিযুক্ত মার্কিন নারী 
যুক্তরাষ্ট্রে করোনাকালীন সরকারি আর্থিক সহায়তার ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার (১৮ মিলিয়ন ডলার) জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে।
ভুয়া তথ্যে করোনার ১৮ মিলিয়ন ডলারের অনুদান লুট, অভিযুক্ত মার্কিন নারী 
আরও পড়ুন
নির্বাচনে ভরাডুবির পর ট্রাম্পকে পথ বদলানোর চাপ রিপাবলিকানদের
মার্কিনিরা তিক্ত হয়ে গেলে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হবো: ট্রাম্প
‘ট্রাম্পকে তুলে ডাস্টবিনে ফেলার’ ভিডিও ভাইরাল, যা জানা যাচ্ছে
‘আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব’, তেহরানে বিশাল বিলবোর্ডে ইরানের হুমকি