জেফরি এপস্টিনের নিজের শুক্রাণু সংরক্ষণ ঘিরে নতুন রহস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬ , ১১:৪১ এএম


জেফরি এপস্টিনের নিজের শুক্রাণু সংরক্ষণ ঘিরে নতুন রহস্য
ছবি: সংগৃহীত

মৃত্যুর বহু বছর পরও আলোচনায় উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের দণ্ডিত যৌন অপরাধী (সেক্স ট্রেফিকিং) জেফরি এপস্টিনের নাম। মার্কিন বিচার বিভাগের নতুন প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, তিনি জীবদ্দশায় ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ক্রায়োব্যাংকে নিজের স্পার্ম বা শুক্রাণু সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন, যার ভবিষ্যৎ এখন অজানা।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের বরাতে এমনটাই জানা যায়। 

নথির তথ্য মতে, ২০১২ সাল থেকে এপস্টিন তার শুক্রাণু সংরক্ষণ শুরু করেন এবং ২০১৬ সালে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ওই চুক্তি অনুযায়ী, তার মৃত্যুর পর সংরক্ষিত নমুনার নিয়ন্ত্রণ যাবে তার সম্পদ বা আইনগত প্রতিনিধিদের কাছে, কোনোভাবেই সরাসরি স্পার্ম ব্যাংকের কাছে নয়। 

তবে বর্তমানে সেই নমুনা কোথায় আছে বা আদৌ এখনো সংরক্ষিত আছে কি না—এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান মালিকপক্ষ নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছে, এপস্টিনের কোনো নমুনা বর্তমানে তাদের কাছে নেই, তবে তা ধ্বংস করা হয়েছে নাকি অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হয়েছে, সে বিষয়ে তারা কিছু বলেনি।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রের আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিষয়টি এখন আইনি জটিলতার মধ্যে পড়তে পারে। কারণ তার সম্পদের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ নির্ভর করবে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিন আইল্যান্ডসের আইনের ওপর।

অন্যদিকে, বায়োএথিকস বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দণ্ডিত অপরাধীদের জিনগত উপাদান সংরক্ষণ ও ব্যবহার নিয়ে নতুন করে নৈতিক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের ক্ষেত্রে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও কঠোর নীতিমালা থাকা উচিত।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এপস্টিন জীবদ্দশায় নিজের ডিএনএ বিস্তারের বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বিভিন্ন নথিতে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শুক্রাণু সংরক্ষণ ও তার জৈবিক সক্ষমতা নিয়ে গবেষণা করতেন।

২০০৮ সালে যৌনতার জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক চালানোর অপরাধের দায়ে দোষ স্বীকার করেছিলেন এপস্টিন। পরে ২০১৯ সালে কারাগারে বিচারাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর পরও তার রেখে যাওয়া জৈবিক সম্পদ নিয়ে রহস্য ও বিতর্ক এখনো শেষ হয়নি।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission