চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের সবচেয়ে উঁচু ভবনে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার চার দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো ঘটনার বিস্তারিত জানায়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ। কীভাবে বিমানটি ভবনে আঘাত করল, তা নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা। এমনটাই বলছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
শুক্রবারের (২৬ জুন) এ দুর্ঘটনায় বিমানের পাইলট নিহত হন। তিনি ছিলেন বিমানের একমাত্র আরোহী। এছাড়া ভবনের নিচে থাকা অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।
সরকারি সংবাদমাধ্যমে মাত্র সংক্ষিপ্ত একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর থেকে এ বিষয়ে আর কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেওয়া হয়নি। দুর্ঘটনার পর ভবনের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ঢেকে দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

বিভিন্ন বিমান সংস্থা বিবিসিকে জানিয়েছে, তাদের সাময়িকভাবে ছোট বিমান পরিচালনা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে তারা রাজি হননি।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের অন্যতম কঠোর আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও একটি ছোট বিমান কীভাবে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করল, তা বড় ধরনের নিরাপত্তা প্রশ্ন তৈরি করেছে।
দুর্ঘটনাস্থলটি চীনের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কার্যালয়ের খুব কাছাকাছি হওয়ায় বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়, বরং রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থার বড় ধরনের দুর্বলতাও সামনে এনেছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এটি পাইলটের ভুল, যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণেও ঘটতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শেষ হওয়ার অপেক্ষা করতে হবে।
এদিকে, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভবনটির পুরোনো ছবি ও বিভিন্ন সাধারণ পোস্টও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে চীনের তথ্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আরটিভি/জেএমএ



