ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:২৫ পিএম
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৪২ এএম

সমুদ্রসৈকত বা দ্বীপ বরাবরের মতোই সবার প্রিয়। সমুদ্রের উত্তাল গর্জন আর শীতল বাতাস সবার হৃদয়ই শিহরিত করে। নিজের ভেতরে অন্যরকম রোমাঞ্চ তৈরি হয়। সমুদ্র আর নীল আকাশের অপূর্ব সমন্বয় লক্ষ্য করা যায় সেখানে। তাই তো শীত এলেই সেন্টমার্টিনে যাওয়ার আগ্রহ বাড়ে। নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় লক্ষ করা যায় সেন্টমার্টিনে।

সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ অবস্থিত। চট্টগ্রামের কক্সবাজার জেলা হতে ১২০ কিলোমিটার দূরে এই দ্বীপটি অবস্থিত। সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে লম্বা ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এ দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। এ দ্বীপকে ‘নারিকেল জিঞ্জিরা’ও বলা হয়। মূল দ্বীপ ছাড়াও আরও একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ রয়েছে যা ‘ছেঁড়াদ্বীপ’ নামে পরিচিত।

স্থানীয় ভাষায় একে বলা হয় নারিকেল জিঞ্জিরা। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাংলাদেশের প্রথম পাঁচটি ভ্রমণ স্থানের মধ্যে জায়গা দখল করে নিয়েছে। অসীম নীল আকাশ জলের মিতালী ঢেউ সারি সারি নারিকেল গাছগুলো পর্যটকদের ঘায়েল করে ফেলেছে। শুধু বাংলাদেশ থেকে নয় বিভিন্ন দেশ থেকেও এ জায়গাটি ভ্রমণ করতে আসে বিদেশিরা। এখানে সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্যটি উপভোগ করতে পারবেন।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কিছু পুরোনো ইতিহাস হলো- সেন্টমার্টিন দ্বীপ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমারের উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় এর অবস্থান। এটি টেকনাফের ইউনিয়নের আওতায়, প্রায় অনেক বছর আগে এই দ্বীপটি সাগরে তলে ডুবে যায়, ডুবে যাওয়ার প্রায় ৪০০ বছর পর এই দ্বীপের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। প্রায় ২৫০ বছর আগে এই দ্বীপটি আরবের কিছু নাবিক বিশ্রামের জন্য ব্যবহার করত, এইখান থেকে এই দ্বীপের উৎপত্তি।

আরবরা এই দ্বীপের নামকরণ করে জিঞ্জিরা, জিঞ্জিরা একটা আরবি শব্দ এই অর্থ হলো দ্বীপ। ১৭ দশকে আরবরা চট্টগ্রাম শহরে ব্যবসা বাণিজ্য করতো ২৫০ বছর আগে, চট্টগ্রাম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যাতায়াতের সময় এই দ্বীপটিতে বিশ্রামের জন্য ব্যবহার করত।এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। কালক্রমে এই দ্বীপের নাম পরিবর্তন হয়, এই দ্বীপটিকে জিঞ্জিরা নামে ও চিনে মানুষ। কালক্রমে এই দ্বীপটি বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় পরিণত হয়।

এই দ্বীপে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের আগে থেকে মানুষ বসবাস শুরু করেছে প্রায় ১০০ থেকে ১২৫ বছর আগে থেকে এখানে লোকের বসতি। বর্তমানে এই দ্বীপ দেখতে হাজার হাজার পর্যটক এখানে ভিড় করে। ১৯০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে ব্রিটিশ ভূ-জরিপ দল এই দ্বীপকে ব্রিটিশ-ভারতের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। কক্সবাজারের নাম এবং সেন্টমার্টিনের নাম ব্রিটিশদের দেওয়া। সেন্টমার্টিনের নামকরণ খ্রিস্টান সাধু মার্টিনের নামানুসারে সেন্ট মার্টিন নাম দেওয়া হয়।

১৮৯০ খ্রিস্টাব্দের দিকে কিছু বাঙালি এবং রাখাইন সম্প্রদায়ের মানুষ এই দ্বীপের বসতি শুরু করে। এই দ্বীপের বসতি শুরু করেছিল মাত্র ১৩টি পরিবার নিয়ে বর্তমান সময়ে এখানে ৭ হাজার মানুষের বসতি। বাঙালি আর কিছু রাখাইন এই দ্বীপের বসবাস শুরু করে। এই দ্বীপে কক্সবাজারের মতো ঝাউগাছ ছিল। এখানকার বাসীরা মনের ক্লান্তি দূর করার জন্য প্রচুর পরিমাণ নারকেল গাছ এই দ্বীপে রোপণ করেছিল।

যাওয়ার উপায়-সেন্টমার্টিন যেতে হলে প্রথমে কক্সবাজার জেলার টেকনাফে যেতে হবে। ঢাকা থেকে বাসে সরাসরি টেকনাফ যাওয়া যায়। ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বাস সরাসরি টেকনাফ যায়। ১০-১২ ঘণ্টার এ ভ্রমণে ভাড়া বাস ও ক্লাস অনুযায়ী সাধারণত ৯০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া ঢাকা থেকে প্রথমে কক্সবাজার, তারপর কক্সবাজার থেকে টেকনাফ যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে প্রতিদিনই বিভিন্ন পরিবহন কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বাসভেদে ভাড়া সাধারণত ৯০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে। তবে ঢাকা থেকে বিমানেও সরাসরি কক্সবাজার যাওয়া যায়।এরপর কক্সবাজার থেকে বাস বা জিপে করে টেকনাফ যাওয়া যায়। জাহাজে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যেতে সময় লাগে দু’ঘণ্টা থেকে আড়াই ঘণ্টা। জাহাজের শ্রেণিভেদে আপ-ডাউন ভাড়া ৫৫০-৮০০ টাকার মতো। জেটি ঘাট থেকে প্রতিদিন জাহাজগুলো সকাল ৯টা-সাড়ে ৯টায় সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সেন্টমার্টিন থেকে ফেরত আসে বিকেল ৩টা-সাড়ে ৩টায়।

সাধারণত জাহাজের ক্লাস ও মান অনুযায়ী সেন্টমার্টিন যাওয়া আসার টিকেট ভাড়া ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকার পর্যন্ত হয়ে থাকে। টেকনাফের জেটি ঘাট থেকে প্রতিদিন ৯টা থেকে ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যেই জাহাজগুলো সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে এবং বিকেল ৩টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিটের মধ্যেই ফেরত আসে। জাহাজের টিকিট সংগ্রহ করার সময় উল্লেখ্য করতে হবে আপনি কবে ফিরবেন। কারণ যাওয়া এবং আসার ভাড়া একই টিকিটে নেওয়া হয়ে থাকে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপে থাকার ব্যবস্থা : সেন্টমার্টিন দ্বীপ ভ্রমণে কেমন খরচ হবে এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে আপনি কেমন খরচ করবেন, এবং কি ধরনের রিসোর্ট এ থাকবেন, কেমন খাওয়া দাওয়া করবেন তার উপর ডিপেন্ড করবে স্ট্যান্ডার্ড হোটেল বা রিসোর্টে কাপল বা ডাবল বেড ১৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাক। বাজারের দিকে মোটামুটি ভালো মানের হোটেল ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা ভাড়াতে পাওয়া যায়। এই ভাড়া এমনি সাধারণ দিনের জন্য প্রযোজ্য। ছুটির দিনে লোকজন বেশি থাকে তাই ভাড়া একটু কম বেশি হয়। এক রুমে কয়েকজন মিলে থাকলে ভাড়া ভাগ হয়ে অনেকটা কমে যাবে। এ ছাড়া আরও কম টাকায় থাকতে চাইলে স্থানীয় মানুষদের বাড়িতে অল্প টাকায় থাকতে পারবেন।

মাজহারুল ইসলাম শামীম, শিক্ষার্থী, ফেনী সরকারি কলেজ।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
আজ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২, শনিবার। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়। ঘটনাবলি: ১৬০০ - ব্রিটেনের রানী এলিজাবেথ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে অনুমোদন দেন। ১৮০২ - পেশোয়া দ্বিতীয় বাজিরাও ব্রিটিশ সরকারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। ১৮২৭ - ইংরেজ ফার্মাসিস্ট জন ওয়াকার দিয়াশলাই আবিষ্কার করেন। ১৮৩১ - কৃষ্ণধন মিত্রের সম্পাদনায় শিশুপাঠ্য মাসিক পত্রিকা ‘জ্ঞানোদয়’ প্রকাশিত হয়। ১৯০৬ - চীনের থুংমেং হুই দলের সদস্য লিউ তাওই চীনের ছাংশা শহরে গ্রেপ্তার হয়ে নিহত হন। ১৯১৬ - রাশিয়ার যাজক রাসপুটিন নিহত হন। ১৯২৫ - রুমানিয়ার রাজা দ্বিতীয় ক্যারোল পুত্রের স্বপক্ষে সিংহাসন ত্যাগ করেন। ১৯২৯ - জওহরলাল নেহরু ত্রিবর্ণরঞ্জিত জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ভারতীয় কংগ্রেসে ঘোষণা করেন ‘পূর্ণ স্বাধীনতাই ভারতের লক্ষ্য’। ১৯৪২ - স্টালিনগ্রাদের লড়াইয়ে জার্মান বাহিনী পরাজয় বরণ করে। ১৯৪৮ - কার্জন হলে পূর্ব-পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জ্ঞানতাপস ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার পক্ষে তথ্যপূর্ণ হৃদয়স্পর্শী ভাষণ দেন। ১৯৮৩ – ব্রুনাইর স্বাধীনতা ঘোষণা হয়। ১৯৮৭ - চীনের নৌবাহিনীর পারমাণবিক ডুবু জাহাজের প্রথম নৌযাত্রা সাফল্যের সঙ্গে সমাপ্ত হয় । ১৯৮৮ - পরমাণু, অনাক্রমণ, বিমান পরিবহন ও সংস্কৃতি বিষয়ে ভারত-পাকিস্তান চুক্তি স্বাক্ষর। ১৯৮৯ - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত প্রজাতন্ত্রগুলোতে জাতীয়তাবাদী চেতনা চরমে ওঠার প্রেক্ষাপটে আজারবাইজান প্রজাতন্ত্রের জনগণ ইরানের সঙ্গে একত্রিত হবার জন্যে আন্দোলন শুরু করে। ১৯৯৩ - হাংচৌ শহরে চীনের প্রথম ইলেক্ট্রনিক সংবাদপত্রের প্রচলন হয় । ১৯৯৬ - ৭৪ বছর বয়স্ক বুট্রোস ঘালি ছিলেন প্রথম আফ্রিকা ব্যক্তি যিনি জাতিসংঘের মহসচিবের পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৯ - আমেরিকা কর্তৃক পানামা খাল পানামার কাছে হস্তান্তর। ১৯৯৯ - রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলেৎসিন পদত্যাগ করেন এবং ভ্লাদিমির পুতিন তার স্থলাভিষিক্ত হন। ২০০২ - জার্মানিতে বিশ্বের প্রথম ম্যাগনেটিক দ্রুততম ট্রেনের (ঘণ্টায় ২৭০ মাইল গতি) যাত্রা শুরু। ২০০৯ – এ দিনে সুপার মুন ও চন্দ্রগ্রহণ একই সঙ্গে ঘটেছিল। ২০১৪ – চিনের সাংহাই এ বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের হামলায় ৩৬ লোক নিহত ও ৪৯ জন আহত হয়। জন্ম: ১৪৯১ - ফরাসি অভিযাত্রিক, কানাডার অন্যতম আবিষ্কারক জাক কার্তিয়ে। ১৭৩৮ - ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ। ১৮৮০ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন রাজনীতিবিদ জর্জ মার্শাল। ১৮৮৮ - বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন শাস্ত্রের গবেষক বেণীমাধব বড়ুয়া। ১৯১১ - চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও মানবহিতৈষী ড. মোহম্মদ ইব্রাহিম। ১৯১৮ - শিক্ষাবিদ ও গবেষক আজিজুর রহমান মল্লিক। ১৯৩৭ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি প্রাণ রসায়ন বিজ্ঞানী আব্রাহাম হেরশক। ১৯৪৫ - তাত্ত্বিক কম্পিউটার বিজ্ঞানী লেনার্ড এডলম্যান। ১৯৪৮ - কবি ও লেখক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। ১৯৫২ - কবি ত্রিদিব দস্তিদার। ১৯৮৬ - বাংলাদেশি ক্রিকেটার নাঈম ইসলাম। মৃত্যু: ১৯২১ - ইরানের স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মীর্জা কুচাক খান জাঙ্গালী। ১৯৮৩ - প্রখ্যাত ভাষাসৈনিক ও প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ সুলতান। ১৯৯০ - বামপন্থী রাজনীতিবিদ ও কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মণি সিংহ। ২০০৬ - বাংলাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী শেফালী ঘোষ।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
আজ ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২, শুক্রবার। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়। ঘটনাবলি ১৭৩০ - জাপানের হোক্কাইদোতে প্রচণ্ড ভূমিকম্পে ১ লাখ ৩৭ হাজার লোকের মৃত্যু হয়। ১৮০৩ - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মোগল দরবারের কাছ থেকে দিল্লি ও আগ্রার শাসনভার গ্রহণ করে। ১৮০৩ - গোয়ালিয়রের মহারাজ সিদ্ধিয়া ব্রিটিশ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। ১৯০০ - অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথ গঠিত হয়। ১৯০৬ - ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহর প্রাসাদে মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯২২ - বলশেভিক বিপ্লবের ঢেউয়ে জার সাম্রাজ্য বিধ্বস্ত হয় এবং সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯২৫ - কানপুরে কমিউনিস্টদের সর্বভারতীয় প্রথম সম্মেলন শেষ হয় এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৯ - চীনের প্রথম ব্যাল্লে দল; পেইচিং হত্যকলা কলেজের পরীক্ষামূলক ব্যাল্লে দল পেইচিংয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ - স্বাধীন বাংলাদেশের হাইকোর্ট উদ্বোধন। ১৯৯২ - বোরহানউদ্দিন রব্বানি আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত। ১৯৯৭ - চীন সরকার ও দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানিতে দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার যৌথ ইস্তাহার স্বাক্ষর করে। ২০০৬ - ইরাকের সাবেক একনায়ক সাদ্দামকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে ফাঁসি দেওয়া হয়। জন্ম ১৮৬৫ - নোবেলজয়ী ইংরেজ সাহিত্যিক রুডইয়ার্ড কিপলিংয়। ১৯৪৬ - জার্মান জাতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় ও ম্যানেজার বের্টি ফোক্টস। ১৯৫০ - ডেনীয় কম্পিউটার বিজ্ঞানী বিয়ারনে স্ট্রোভস্ট্রুপ। ১৯৭৫ - আমেরিকার গল্ফ খেলোয়ার টাইগার উড।   মৃত্যু ১৯৪৪ - ফরাসী ঔপন্যাসিক ও বিশ্বশান্তি আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা রমা রোলাঁ। ১৯৫৩ - কবি শাহাদাৎ হোসেন। ১৯৫৯ - পল্লীগীতি শিল্পী ও সুরকার আব্বাসউদ্দীন আহমদ। ১৯৬৮ - জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হ্যালডান লী। ১৯৭৯ - বি অজিত কুমার দত্ত। ২০১১ - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এম হামিদুল্লাহ খান।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
অ্যাসিডিটি দূর করতে নিয়মিত যে ৫ খাবার খাবেন
বর্তমান সময়ে অনেক মানুষই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। খাবারে একটু এদিক-সেদিক হলেই দেখা দেয় অ্যাসিডিটি। তাই থাকতে হয় সতর্ক। অনেকে আবার অ্যাসিডিটি দেখা দিলেই আগেভাগে অ্যান্টাসিড খেয়ে থাকেন। কিন্তু এটি কোনো সমাধান নয়। কলকাতার বিশিষ্ট ডায়েটেশিয়ান মীনাক্ষী মজুমদার বলেছেন, অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে সেক্ষেত্রে ডায়েট মানতে হবে। পাশাপশি ব্যায়াম, মাইন্ডফুলনেস করলেও উপকার পাবেন। এমন পাঁচটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন, যেগুলো খেলে অ্যাসিডিটি দূর করতে সাহয্য করবে— প্রচুর পানি পান করুন অ্যাসিডিটির সমস্যা হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। কারণ পর্যাপ্ত পানি পান করলে হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে চলতে পারে। দিনে অন্তত আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করুন। এতে সুস্থ থাকা বেশি সহজ হবে। চিড়া চিড়া খেলে অনেকগুলো উপকার পাবেন। তার মধ্যে অন্যতম হলো অ্যাসিডিটির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে। এতে থাকা বিভিন্ন উপকারী উপাদান পেটের অনেক সমস্যা দূর করতে কাজ করে। তাই অ্যাসিডিটি হলে চিড়া কিংবা চিড়ার পোলাও খেতে পারেন। তবে এই পোলাও তৈরির সময় খুব সামান্য তেল দেবেন। বেশি তেল ব্যবহার করলে সমস্যা বাড়তে পারে। ওটস খান ওটস অনেক উপকারী একটি খাবার। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত ফাইবার। হজমের জন্য এই ফাইবার বেশ সহায়ক। পেট ভালো রাখার পাশাপাশি সুগারও নিয়ন্ত্রণ করে। সেইসঙ্গে ওটস খেলে তা দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে। বারবার ক্ষুধা না লাগার কারণে খাওয়াও হয় পরিমিত। ফলে ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকে না। নিয়মিত ওটস খেলে অ্যাসিডিটির ভয় দূর হবে। সকালে হালকা গরম পানি পান করুন প্রতিদিন সকালে উঠে এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করুন। এতে আপনার অ্যাসিডিটির সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। এই পানি পেটের অনেক সমস্যার সমাধান করে থাকে। অন্ত্র পরিষ্কারেও এটি কার্যকরী। তবে এই পানির সঙ্গে লেবুর রস মেশাতে যাবেন না। কারণ এতে অ্যাসিডিটির সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। ডিম ও ছানা প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস হলো ডিম। এটি সহজলভ্য এবং সহজপাচ্য। সেইসঙ্গে খেতে পারেন ছানা। তবে এই ছানা হতে হবে ফ্যাট ছাড়া দুধের তৈরি। কারণ বাড়তি ফ্যাট যোগ হলে অ্যাসিডিটি নাও কমতে পারে। এসব খাবার খাওয়ার পরও অ্যাসিডিটি না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
অ্যাসিডিটি দূর করতে নিয়মিত যে ৫ খাবার খাবেন
ত্বকে ছোট ছোট র‍্যাশ, ব্রণ নাকি কোনও রোগের লক্ষণ
শীতকালে আমাদের ত্বকের অনেক রকম পরিবর্তনই লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু শীতের সময় প্রায় মানুষেরই যে সমস্যাটা বেশি দেখা যায় তা হলো ব্রণ।  ত্বকের এই অবস্থার বিশেষ একটি নাম আছে। চিকিৎসকরা একে বলেন, ‘কেরাটোসিস পিলারিস’। এই রোগের মূল কারণ হল ত্বকের কেরাটিন প্রোটিন। যা ত্বকের উন্মুক্ত রন্ধ্রগুলির মুখ আটকে দেয়। তার ওপর সেখানে ধুলো-ময়লা জমলে, সারা দেহে ছোট ছোট দানার মতো র‌্যাশ দেখা যায়। অনেকেই এই ধরনের র‌্যাশ দেখে ব্রণ ভেবে ভুল করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সারা বছর কমবেশি এই সমস্যা থাকলেও আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে এই সময়ে এই সমস্যার প্রাদুর্ভাব আরও বেড়ে যায়। তবে এর জন্য বিশেষ চিন্তারও কারণ নেই। নিয়মিত যত্ন নিলেই ত্বক মসৃণ হয়। সাধারণত মহিলাদের মধ্যে এই রোগ দেখা যায়। প্রায় সারা বছরই হাত, পিঠে দেখা যায় এ ব্রণ। কারও কারও ক্ষেত্রে ব্যথা হয়, আবার কারও হয় না। দেখে নিন এ সমস্যায় কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন-   আর্দ্র রাখা : সব সময়ে ত্বককে আর্দ্র রাখলে এই সমস্যা থেকে অনেকটা মুক্তি পাওয়া যায়। এই মরসুমে শরীরে পানির ঘাটতি থাকায় নানা রকম সমস্যা হতে পারে। ‘কেরাটোসিস পিলারিস’ তাদের মধ্যে একটি। বিশেষ রাসায়নিকযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করা : এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে যে সব প্রসাধনী ব্যবহার করছেন, সেগুলির মধ্যে যেন আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড, ল্যাকটিক অ্যাসিড, স্যালিসিলিক অ্যাসিড অবশ্যই থাকে। এই সব যৌগ একত্রে ব্যবহার করলে ত্বকের মৃত কোষের সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। এক্সফোলিয়েট : ত্বকের অবস্থা বুঝে প্রতিদিন গোসলের আগে এক্সফোলিয়েট করা জরুরি। কিন্তু সাধারণ ভাবে বাজারে যা পাওয়া যায়, তেমন প্রসাধনী ব্যবহার করলে চলবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে, বিশেষ ধরনের একটি রাসায়নিক মিশ্রিত এক্সফোলিয়েটর ব্যবহার করাই ভালো।
ত্বকে ছোট ছোট র‍্যাশ, ব্রণ নাকি কোনও রোগের লক্ষণ
ঘড়ি ডান হাতে পরবেন নাকি বাঁ হাতে
নিজেকে আত্মবিশ্বাসী ও সুন্দর দেখানোর জন্য আমরা প্রত্যেকেই কিছু না কিছু করি। বাইরে বের হলে পোশাকে নিজেকে ফিট করে তোলার চেষ্টা করি। পাশাপাশি চলনবলন ও কথাবার্তায় নিজেকে মার্জিত করে তোলার চেষ্টাও থাকে। বাইরে বের হওয়ার আগে খুব ছোটাখাটো জিনিসেও আমাদের চোখ থাকে, যত্ন থাকে‌ সাজে। ঘড়িও কিন্তু এর বাইরে পড়ে না‌। বরং ঘড়ি নিয়ে নানা মানুষের নানারকম শখও থাকে। ঘড়ি কেনার সময় দাম ও নকশা বাছাই নিয়েও নানারকম খুঁতখুঁত ভাব থাকে। অনেকে একটু দাম বেশি দিয়েও মন মতো ঘড়ি কিনতে দেখা যায়। কেউ কেউ আবার প্রথম চাকরির বেতন প্রিয় ঘড়িটি কিনেই খরচ করেন। তেমন ঘড়ি কেনার পর পরা নিয়েও একটু খুঁতখুঁত ভাব দেখা যায় বেশির ভাগের ভেতরে। ঘড়ি কোন হাতে পরবেন সেটা সম্পূর্ণ নিজের পছন্দ। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, মানুষ বাঁ হাতে ঘড়ি পরতে পছন্দ করেন। খুব কম সংখ্যক মানুষ ডান হাতেও ঘড়ি পরেন। তবে বাঁ হাতে ঘড়ি পরার পেছনে কিছু সুবিধা রয়েছে। অনেকে ডান হাত দিয়ে প্রতিদিনের কাজগুলো করে থাকেন। সাধারণ কাজ করার পাশাপাশি পানি লেগে যেতে পারে এমন কাজও ডান হাত দিয়ে করতে হয়। তাদের ক্ষেত্রে বাঁ হাতে ঘড়ি পরা সুবিধাজনক। এতে ঘড়িতে পানি লেগে বা আঘাত লেগে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।  এ ছাড়া ডান হাতে বেশি কাজ করা হয় বলে এই হাতে ঘড়ি পরলে দেখতেও বেশ সমস্যা হয়। সময় দেখতে সুবিধা হয় বলেই অনেকে বাম হাতে ঘড়ি পরেন। তবে এটাও ঠিক যে, এই নিয়ে কোনো নিয়ম নেই। এটা সম্পূর্নই আপনার সিদ্ধান্ত। 
ঘড়ি ডান হাতে পরবেন নাকি বাঁ হাতে
আরও পড়ুন
মাদারীপুরে লেকের সৌন্দর্য ফেরাতে উচ্ছেদ অভিযান
সবকিছুরই সৌন্দর্য আছে, সবাই তা দেখে না : পূজা
শীত আসন্ন, ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে পূর্বপ্রস্তুতি
ঘুম ভেঙে সৌন্দর্যে আধপাগল হয়ে গেলাম : কনকচাঁপা