গরমে ঘি খাওয়া নিয়ে অনেকেরই দ্বিধা থাকে। কেউ মনে করেন এতে শরীর গরম হয়ে যায়। আবার কেউ ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে এটি এড়িয়ে চলেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিমিত পরিমাণে ঘি খেলে গরমেও শরীরের জন্য এটি হতে পারে বেশ উপকারী একটি খাবার।
বাঙালি রান্নাঘরে ঘি নতুন কিছু নয়। ভাত, ডাল কিংবা তরকারিতে এক চামচ ঘি শুধু স্বাদই বাড়ায় না, খাবারের পুষ্টিগুণও বাড়িয়ে তোলে। তাই একে অনেকেই সুপারফুড হিসেবে বিবেচনা করেন।
ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে
গরমে অতিরিক্ত ঘাম ও কাজের চাপের কারণে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এই সময়ে অল্প ঘি শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পরিমিত ঘি খেলে দুর্বলতা কমে এবং শরীর বেশি সতেজ থাকে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
ঘিতে রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা পুষ্টি উপাদান। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। গরমে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এই সময়ে পরিমিত ঘি শরীরকে সুরক্ষিত রাখতে ভূমিকা রাখে।
পানিশূন্যতা কমাতে সহায়তা করে
গরমের বড় সমস্যা হলো শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যাওয়া। ঘি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে পানিশূন্যতার ঝুঁকি কিছুটা কমে এবং ত্বকও তুলনামূলকভাবে কোমল থাকে।
হজম শক্তি উন্নত করে
খালি পেটে বা খাবারের সঙ্গে অল্প ঘি খেলে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হতে পারে। এটি অন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। খাবার থেকে পুষ্টি শোষণ সহজ করে তোলে। পাশাপাশি এটি রক্তে শর্করার ওঠানামা নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হতে পারে।
শরীর ঠান্ডা রাখতেও ভূমিকা রাখে
অনেকেই মনে করেন ঘি শরীর গরম করে, তবে পরিমিত পরিমাণে ঘি শরীরের ভেতরের প্রদাহ কমিয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। ফলে গরমেও এটি উপকারী হতে পারে
তবে ঘি যতই উপকারী হোক, অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়। বেশি খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পরিমিত ঘি রাখলেই মিলতে পারে এর সব উপকার।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
আরটিভি/জেএমএ




