ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

অতিরিক্ত রেগে যাওয়া কি আসলেই একটি রোগ? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১১ এএম
ছবি: সংগৃহীত

হঠাৎ সামান্য কথাতেই চিৎকার, রাগে কাঁপুনি, ভাঙচুর বা কারও ওপর আক্রমণ। তারপর কয়েক মিনিটেই আবার স্বাভাবিক হয়ে যাওয়া। এমন আচরণ অনেকেই স্বভাব বলে এড়িয়ে গেলেও চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে—এটি শুধু রাগ নয়, একটি মানসিক সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে রাগ এতটাই তীব্র ও হঠাৎ আসে যে তা পরিস্থিতির সঙ্গে একেবারেই মানানসই হয় না। এই অবস্থায় ব্যক্তি অল্প সময়ের জন্য ভয়ংকরভাবে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এমনকি সহিংস আচরণও করতে পারেন। পরে আবার দ্রুত শান্ত হয়ে অনুতপ্ত হন।

গবেষণায় দেখা গেছে, এই ধরনের আচরণ কোনো বিরল ঘটনা নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এমন সমস্যার মুখোমুখি হন। তবে অনেকেই বিষয়টিকে রোগ হিসেবে না দেখে ব্যক্তিত্বের অংশ বলে ধরে নেন।

চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, এটি একটি নির্দিষ্ট মানসিক অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে আচরণ হঠাৎ বিস্ফোরণের মতো হয়ে যায়। এই অবস্থায় মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়। ফলে সামান্য উত্তেজনাতেই বড় প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

আরও পড়ুন

গবেষণায় আরও জানা যায়, এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা বাইরে থেকে সাধারণ জীবনযাপন করলেও হঠাৎ পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। অনেক সময় তারা নিজের আচরণ নিয়েই পরে লজ্জা বা অনুতপ্ত বোধ করেন।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, দীর্ঘদিন এই সমস্যা চলতে থাকলে তা শুধু মানসিক নয়, শারীরিক সমস্যার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। যেমন হৃদযন্ত্রের সমস্যা, রক্তচাপ বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ওপর চাপ।

এছাড়া সামাজিক জীবনেও এর বড় প্রভাব পড়ে। পরিবার, বন্ধু ও কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অনেকেই এমন আচরণ করা ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকতে শুরু করেন।

তবে আশার কথা হলো, এই সমস্যার চিকিৎসা সম্ভব। নিয়মিত পরামর্শ, মানসিক প্রশিক্ষণ, শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের কৌশল এবং প্রয়োজন হলে ওষুধের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো সচেতন হলে এই সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব।

সব মিলিয়ে, হঠাৎ রাগ শুধু সাধারণ স্বভাব নয়, এটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সংকেত। তাই অবহেলা না করে লক্ষণগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
বাড়িতে ডিজে পার্টি, কঠিন শাস্তি পেলেন সেই অতিরিক্ত ডিআইজি জহির
অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন শিবা শানু
মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’: অতিরিক্ত আইজি
বাবা তার কন্যাকে পশু থেকে রক্ষা করতে মেগাটনের থাপ্পড় মারার ক্ষমতা রাখে: মাহবুব কবির মিলন