গরমে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেই বিরক্ত হয়ে ওঠেন অনেকেই। অন্ধকার ঘর, বন্ধ পাখা আর ঘামে ভেজা শরীর—সব মিলিয়ে লোডশেডিং যেন এক যন্ত্রণার নাম। তবে মজার বিষয় হলো, এই লোডশেডিংয়েরও আছে কিছু অপ্রত্যাশিত উপকারিতা।
বিদ্যুৎ না থাকলে অনেকেই বাধ্য হয়ে মোবাইল, টিভি বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি কম ব্যবহার করেন। এতে যেমন বিদ্যুৎ বিল কিছুটা কম আসে, তেমনি সারাক্ষণ পর্দায় চোখ রাখার অভ্যাস থেকেও সাময়িক মুক্তি মেলে।
লোডশেডিংয়ের সময় পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে গল্প করার সুযোগ পান। ব্যস্ত জীবনে যেটা অনেক সময়ই সম্ভব হয় না। কেউ আড্ডা দেন, কেউ পুরোনো স্মৃতি টানেন, আবার কেউ একসঙ্গে হাসি-ঠাট্টায় মেতে ওঠেন। এতে পরিবারের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।
রাত জেগে মোবাইল দেখার প্রবণতাও কমে যায়। ফলে ঘুমের অভ্যাস ভালো হয়। একটু গরমে ঘাম ঝরলে শরীরের ক্যালরিও ক্ষয় হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।
অনেকেই লিফট বন্ধ থাকায় সিঁড়ি ব্যবহার করেন। এতে আলাদা করে শরীরচর্চা না করলেও কিছুটা হাঁটাহাঁটি হয়ে যায়।
বিদ্যুৎ না থাকলে ঘরের মানুষজন একসঙ্গে বসে লুডু, ক্যারাম বা তাস খেলেও সময় কাটাতে পারেন। এতে বিনোদনের পাশাপাশি পারিবারিক আনন্দও বাড়ে।
এছাড়া পোষা বিড়াল, কুকুর বা পাখির সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগও তৈরি হয়। সারাদিন ব্যস্ততার কারণে যাদের সময় দেওয়া হয় না, লোডশেডিং সেই সুযোগটাও এনে দেয়।
তাই লোডশেডিং যতই বিরক্তিকর হোক, এর মধ্যেও লুকিয়ে আছে কিছু ছোট ছোট আনন্দ আর উপকারিতা।
আরটিভি/জেএমএ




