ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

চা পানেই মিলতে পারে একাধিক স্বাস্থ্য উপকার

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয় চা শুধু অভ্যাস নয়, গবেষণা বলছে এটি শরীর ও মনের জন্যও বেশ উপকারী। পানি ছাড়া বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পান করা এই পানীয় ক্লান্তি দূর করা থেকে শুরু করে মানসিক চাপ কমাতেও ভূমিকা রাখে।

চায়ের মূল উপাদান আসে চা গাছের পাতা থেকে। এতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। কফির তুলনায় চায়ে ক্যাফেইনের পরিমাণ কম হওয়ায় এটি অনেকের কাছে বেশি সহনীয় ও আরামদায়ক পানীয় হিসেবে বিবেচিত হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত চা পান করলে মনোযোগ বাড়ে এবং স্নায়ু শান্ত থাকে। এতে থাকা উপাদান শরীরের ক্ষতিকর উপাদান কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানসিক চাপ কিছুটা হ্রাস পায়। প্রতিদিন কয়েক কাপ চা পানকারীদের মধ্যে বিষণ্নতার ঝুঁকি তুলনামূলক কম বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে।

চা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়ক হতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত চা পান রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

হার্টের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও চায়ের ইতিবাচক প্রভাব পাওয়া গেছে। দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত চা পানকারীদের হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম থাকে। পাশাপাশি কিছু গবেষণা বলছে, নিয়মিত চা পান সামগ্রিক মৃত্যুঝুঁকিও কিছুটা কমাতে পারে।

আরও পড়ুন

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অতিরিক্ত চা পান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এতে ঘুমের সমস্যা, শরীরে পানিশূন্যতা, হজমের সমস্যা এবং উদ্বেগ বাড়তে পারে। গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত চা পান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।

চা নিয়ে আরেকটি প্রধান দিক হলো এর সঠিক সময় ও পরিমাণ। খাবারের সঙ্গে সঙ্গে নয়, বরং কিছু সময় বিরতি দিয়ে চা পান করাই ভালো বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। দুধ বা চিনি মিশিয়ে অতিরিক্ত চা পান কিছু উপকার কমিয়ে দিতে পারে বলেও মত রয়েছে।

তাই চা যতটা জনপ্রিয়, ততটাই আলোচিত এর স্বাস্থ্যগুণ ও সতর্কতার দিক নিয়ে। পরিমিত চা পান করলে এটি হতে পারে শরীর ও মনের জন্য উপকারী একটি অভ্যাস।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে